বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চুরি করে রাঘববোয়াল, সাঁজা হয় শুধু পিয়নটার, আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় ও ন্যায়বিচারের অপূর্ণতা-বাপ্পি

দীর্ঘ ১ বছর ৮ মাস ২৪ দিনের প্রতীক্ষা শেষে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদের হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ২০২৪ সালের সেই উত্তাল জুলাইয়ে আবু সাইদ ছিলেন ছাত্র-জনতার জাগরণের প্রথম স্পুলিঙ্গ। ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার স্বৈরাচারী শক্তি ভেবেছিল, লাশের স্তূপ সাজিয়ে ভয় ও আতঙ্কের চাদরে ছাত্রসমাজকে ঢেকে […]

চুরি করে রাঘববোয়াল, সাঁজা হয় শুধু পিয়নটার, আবু সাইদ হত্যা মামলার রায় ও ন্যায়বিচারের অপূর্ণতা-বাপ্পি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:১৭

দীর্ঘ ১ বছর ৮ মাস ২৪ দিনের প্রতীক্ষা শেষে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদের হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ২০২৪ সালের সেই উত্তাল জুলাইয়ে আবু সাইদ ছিলেন ছাত্র-জনতার জাগরণের প্রথম স্পুলিঙ্গ। ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার স্বৈরাচারী শক্তি ভেবেছিল, লাশের স্তূপ সাজিয়ে ভয় ও আতঙ্কের চাদরে ছাত্রসমাজকে ঢেকে দেওয়া যাবে। তাই তো আন্দোলন দমাতে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো এক তরুণকে স্তব্ধ করে দিলো। কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করেছে, আবু সাইদের সেই রক্তরঞ্জিত শার্টই শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচারের পতনের মানচিত্রে পরিণত হয়েছিল।

​তবে রায়ের পর আজ বড় প্রশ্ন এই রায় কি ন্যায়বিচারের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছে?

​দণ্ডের ব্যবচ্ছেদ ও গণঅসন্তোষ:

​প্রকাশিত রায়ে দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন ও ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও জনমনে অস্বস্তি কাটছে না। বিশেষ করে আবু সাইদকে লাঠিচার্জ ও নির্মম শারীরিক নির্যাতন করা ছাত্রলীগ নেতা পোমেল বড়ুয়ার ১০ বছরের সাজা নিয়ে খোদ শহীদের পরিবার ও সহপাঠীরা ক্ষুব্ধ। গুরু অপরাধে ছাত্রলীগ নেতার এমন লঘুদণ্ড জনমনে যথেষ্ট প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। যখন একজন ঘাতকের নির্মমতা স্পষ্ট, তখন এমন লঘু দণ্ড বিচারিক প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতাকেই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। শহীদের পিতা মকবুল হোসেনের কান্নাসিক্ত কণ্ঠে যখন ‘অসন্তোষ’ ঝরে পড়ে, তখন বুঝতে বাকি থাকে না যে, এই রায় আইনি প্রক্রিয়া পূর্ণ করলেও ‘ইনসাফ’ বা সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হোঁচট খেয়েছে।

​হুকুমদাতা বনাম আজ্ঞাবহ সিস্টেমের পুরনো ক্ষত:

​আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এটি ছিল একটি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’। প্রশ্ন ওঠে এই পরিকল্পনার মাস্টারমাইন্ড কারা? মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমির হোসেন এবং সুজন চন্দ্র রায় যথাক্রমে এএসআই ও কনস্টেবল পদমর্যাদার। পুলিশি কাঠামোতে ১১ বা ১২তম গ্রেডের এএসআই এবং ১৭তম গ্রেডের কনস্টেবলের পক্ষে কি নিজ সিদ্ধান্তে এমন রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা সম্ভব? তারা কি এমন রাজনৈতিক ও কৌশলগত খুনের মাস্টারমাইন্ড হতে পারে?

​সাবেক এএসআই আমির হোসেনের শেষ উক্তিটি এ দেশের বিচারিক ইতিহাসের জন্য এক ট্র্যাজিক কৌতুক:

​“আমি শুধু সরকারের হুকুম পালন করেছি… আমি সরকারের হুকুমের গোলাম। জয় বাংলা।”

​তার এই স্বীকারোক্তিই বলে দেয়, অপরাধের শেকড় কত গভীরে। এই ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটিই প্রমাণ করে, হত্যাকাণ্ডের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা কোন পর্যায় থেকে এসেছিল। এটাই এই মামলার রাজনৈতিক ও সামাজিক সত্য। যখন এএসপি, এসপি বা কমিশনার পর্যায়ের কর্মকর্তারা নির্দেশ দেন, তখন মাঠপর্যায়ের সদস্যদের তা অমান্য করার সুযোগ সীমিত থাকে। অথচ রায়ে বড় কর্মকর্তাদের দায়মুক্তি বা লঘু সাজার বিপরীতে ছোটদের বলির পাঁঠা করার প্রবণতা স্পষ্ট। বাস্তবতা হচ্ছে, বড়রা বাঁচে আর ছোটরা পুড়ে। আর এটাই আমাদের সিস্টেমের কঠোর সত্য।

​এই রায়ের শিক্ষা ও আমাদের করণীয়:

​১. হুকুমদাতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা: ন্যায়বিচারের প্রধান শর্ত হলো অপরাধের উৎস খুঁজে বের করা। যারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে ‘শুট টু কিল’ বা ‘বুক লক্ষ্য করে গুলি’ করার মৌখিক বা লিখিত নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাদের বিচারের বাইরে রেখে বিচারিক প্রক্রিয়া পূর্ণ হতে পারে না। রাষ্ট্রপক্ষকে অবিলম্বে উচ্চ আদালতে আপিল করে এই পরিকল্পনার মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে হবে।

​২. পুলিশ বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কার: ‘হুকুমের গোলাম’ হওয়ার সংস্কৃতি থেকে পুলিশ বাহিনীকে বের করে আনতে হবে। কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অবৈধ বা অমানবিক নির্দেশ পালনে অস্বীকৃতি জানানোর আইনি সুরক্ষা কনস্টেবল থেকে শুরু করে নিচের সারির সদস্যদের দিতে হবে। অন্যথায়, ক্ষমতার পালাবদলে বারবার পুলিশ বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে।

​৩. ছাত্রলীগ ও রাজনৈতিক ক্যাডারদের বিচার: সহিংসতায় লিপ্ত রাজনৈতিক ক্যাডারদের শাস্তির ক্ষেত্রে কোনো নমনীয়তা দেখানো বিপ্লবের চেতনার পরিপন্থী। পোমেল বড়ুয়াসহ মাঠপর্যায়ের অন্যান্য নিপীড়কদের সাজার মাত্রা অপরাধের ভয়াবহতা অনুযায়ী পুনঃনির্ধারণ করা জরুরি।

পরিশেষে, ​শহীদ আবু সাইদ কেবল একটি নাম নয়, তিনি একটি নব্য বাংলাদেশের ইশতেহার। শহীদ আবু সাইদের রক্তরঞ্জিত রাজপথ আজন্ম সাক্ষী হয়ে থাকবে এক অসম যুদ্ধের। তার রক্তে কেনা এই স্বাধীনতায় যদি ‘অর্ধেক সত্য’ বা ‘অর্ধেক বিচার’ প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে তা হবে শহীদদের আত্মার সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। ন্যায়বিচার যেন কেবল নিম্নপদের কর্মচারীদের ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে ওপরতলার অপরাধীদের আড়াল করার হাতিয়ার না হয়। আবু সাইদের পরিবার ও দেশবাসী এমন এক বিচার দেখতে চায়, যেখানে অপরাধী যে স্তরেরই হোক—তার দণ্ড হবে প্রশ্নাতীত এবং সমানুপাতিক। ইতিহাসের পাতায় এই রায় যেন কেবল একটি নথিপত্র হয়ে না থাকে, বরং আগামীর বাংলাদেশের জন্য এক নির্ভীক ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থার উদাহরণ হয়ে ওঠে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।