জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজার কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির আগামী ১৭ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।
দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করা এবং বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। দুদকের দাবি, এ প্রক্রিয়ায় চক্রটি ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছে।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, আবুল খায়ের ওরফে হিরু সংশ্লিষ্ট কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে কারসাজির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ওইসব শেয়ারে সাকিব আল হাসানও বিনিয়োগ করেছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের অভিযোগ, সাকিব কারসাজির মাধ্যমে ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার বেশি ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে তুলে নেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।