বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সখীপুরে ছয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অধিকাংশই অচল

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ছয়টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অধিকাংশই কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে দুইটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোনো স্থাপনাই নেই, আর চারটির তিনটিতেই নেই কোন ডাক্তার। স্থাপনাবিহীন দুই কেন্দ্রের ডাক্তার প্রেষণে রয়েছেন অন্য জায়গায়।  বর্তমানে যে কয়টি কেন্দ্র সচল আছে, সেগুলোতে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো), প্রসূতিবিদ্যা কর্মী ও ফার্মাসিস্ট দিয়ে সীমিত […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৩১

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ছয়টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অধিকাংশই কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে দুইটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোনো স্থাপনাই নেই, আর চারটির তিনটিতেই নেই কোন ডাক্তার। স্থাপনাবিহীন দুই কেন্দ্রের ডাক্তার প্রেষণে রয়েছেন অন্য জায়গায়। 

বর্তমানে যে কয়টি কেন্দ্র সচল আছে, সেগুলোতে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো), প্রসূতিবিদ্যা কর্মী ও ফার্মাসিস্ট দিয়ে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা চালু রয়েছে। 

সরেজমিনে গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বড়চওনা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভবনটির অবস্থা খুবই নাজুক। চারপাশে কাদা, আবর্জনা ও দুর্গন্ধ। পাশেই হাটের বর্জ্য ফেলা হয়, ফলে পরিবেশ একেবারেই অস্বাস্থ্যকর।

টিনের ছাউনি মরিচা ধরে ফুটো, দেয়ালে ফাটল, দরজা-জানালা ভাঙা, বিদ্যুৎ সংযোগ ও পানি সরবরাহ বন্ধ। শৌচাগার সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী। আবাসিক ভবনটি ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে।

উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আবদুল মালেক সিদ্দিকী বলেন, ডাক্তার ও অফিস সহায়ক না থাকায় আমাকে ও ফার্মাসিস্টকে সব কাজ করতে হয়। পরিত্যক্ত ভবনে থাকা সম্ভব না হওয়ায় ১২ কিলোমিটার দূরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে হচ্ছে। প্রতিদিন ৭০-৮০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বড়চওনা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৮০ শতাংশ জমি প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। বাকি জমিতে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। আবাসিক ভবনও বসবাস অযোগ্য অবস্থায় পড়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নূরুল ইসলাম বলেন, জমিটি উদ্ধার করে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি আমাদের। গত ৮-১০ বছরে এখানে কোনো ডাক্তারকে দেখিনি।

উপজেলার ছয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মধ্যে দুটি স্থাপনাবিহীন যাদবপুর ও হাতিবান্ধা। যাদবপুরের চিকিৎসক জান্নাত আরা জ্যোতি বর্তমানে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষণে আছেন। হাতিবান্ধার চিকিৎসক শামীমা আক্তার কর্মরত আছেন সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

বড়চওনা কেন্দ্রের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল কায়েস কর্মরত আছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকায়, বহেড়াতৈল কেন্দ্রের ডা. মরিয়ম আক্তার আছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

সদর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক জামিনি আক্তার চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। কেবল বাঘেরবাড়ি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক শামসুল আলম নিজ কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ছালেহা বেগম (৪৫) বলেন, আমি নিয়মিত এখানে আসি। কিন্তু ডাক্তার না থাকায় অন্য রোগে চিকিৎসা নিতে সখীপুর হাসপাতাল যেতে হয়। গরিব মানুষ, বারবার দূরে যাওয়া সম্ভব না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহানা পারভীন বলেন, বড়চওনা কেন্দ্রের দখলকৃত জমি উদ্ধারের বিষয়টি উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় তোলা হয়েছে। প্রেষণে থাকা চিকিৎসকদের সংযুক্তি বাতিলের আবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী বলেন, সম্প্রতি বিষয়টি অবগত হয়েছি। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।