মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

হাসিনা দেশত্যাগ না করলে সহিংসতা আরও ভয়াবহ হতো

যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সংকট’ শীর্ষক সম্মেলনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের বিস্ফোরক মন্তব্য ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশত্যাগ না করলে সহিংসতা আরও ভয়াবহ হতো, যা দেশের জন্য ভালো হতো না। ড. সাখাওয়াত তাঁর বক্তব্যে শেখ হাসিনার […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:০৭

যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সংকট’ শীর্ষক সম্মেলনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেনের বিস্ফোরক মন্তব্য ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশত্যাগ না করলে সহিংসতা আরও ভয়াবহ হতো, যা দেশের জন্য ভালো হতো না।

ড. সাখাওয়াত তাঁর বক্তব্যে শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধীদের দমন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে সৃষ্ট গণ-অসন্তোষের কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, হাসিনার দেশত্যাগের ফলে আরও সহিংস পরিস্থিতি থেকে দেশ রেহাই পেয়েছে। ভয়েস ফর বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন এই সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য আলেকজান্ডার চার্লস কার্লাইল সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আতাউল্লাহ ফারুকের সঞ্চালনায় আলোচনায় আরও অংশ নেন ব্রিটিশ মন্ত্রী পল স্কালি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীরা।

ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত। ‘বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে টুকরো টুকরো করে ফেলতে পারত, যা দেশের জন্য ভালো হতো না।’ তাঁর এই মন্তব্য বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। সমর্থকেরা একে বাস্তব পরিস্থিতির নির্ভুল চিত্রায়ণ হিসেবে দেখছেন, তবে বিরোধীরা এই মন্তব্যকে বিতর্কিত ও অনভিপ্রেত বলে অভিহিত করেছেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এই নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী পল স্কালি ও লর্ড হোসাইন বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকারের অবস্থা উন্নত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।

সম্মেলনের সভাপতি লর্ড আলেকজান্ডার চার্লস কার্লাইল কিউসি বলেন, যুক্তরাজ্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে। বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে এই সম্মেলন আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সমাধানমুখী আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।