আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির দিন ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের নিয়ে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে দলটি।
লংমার্চটি ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা করবে। কর্মসূচি সফল করতে এরই মধ্যে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। সবশেষ গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট শাখার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে জামায়াত।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম গণমাধ্যমকে বলেন, লংমার্চের দিন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা হবে। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, দলীয় শাখাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা ব্যাপক জনসমাগমের বিষয়ে আশাবাদী হয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও মোড়সহ দৃশ্যমান স্থানগুলোতে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান করবেন।
আগের লংমার্চের তুলনায় এবার আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
দলটির নেতাদের মতে, ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত লংমার্চের এই রুটে জামায়াতের জনসমর্থন তুলনামূলক বেশি। সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে বড় জনসমাগমের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায় দলটি। আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচির পরিবর্তে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর রুটে এ লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।
কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির দিন ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের নিয়ে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে দলটি।
লংমার্চটি ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা করবে। কর্মসূচি সফল করতে এরই মধ্যে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। সবশেষ গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট শাখার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে জামায়াত।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম গণমাধ্যমকে বলেন, লংমার্চের দিন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা হবে। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, দলীয় শাখাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা ব্যাপক জনসমাগমের বিষয়ে আশাবাদী হয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও মোড়সহ দৃশ্যমান স্থানগুলোতে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান করবেন।
আগের লংমার্চের তুলনায় এবার আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
দলটির নেতাদের মতে, ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত লংমার্চের এই রুটে জামায়াতের জনসমর্থন তুলনামূলক বেশি। সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে বড় জনসমাগমের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায় দলটি। আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচির পরিবর্তে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর রুটে এ লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।
কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।