বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ঢাকা-রংপুর লংমার্চে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়বে জামায়াত

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির দিন ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের নিয়ে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে দলটি। লংমার্চটি ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা করবে। কর্মসূচি সফল করতে […]

ঢাকা-রংপুর লংমার্চে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়বে জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:২৮

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির দিন ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের নিয়ে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে দলটি।

লংমার্চটি ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা করবে। কর্মসূচি সফল করতে এরই মধ্যে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। সবশেষ গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট শাখার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে জামায়াত।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম গণমাধ্যমকে বলেন, লংমার্চের দিন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা হবে। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, দলীয় শাখাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা ব্যাপক জনসমাগমের বিষয়ে আশাবাদী হয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও মোড়সহ দৃশ্যমান স্থানগুলোতে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান করবেন।

আগের লংমার্চের তুলনায় এবার আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

দলটির নেতাদের মতে, ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত লংমার্চের এই রুটে জামায়াতের জনসমর্থন তুলনামূলক বেশি। সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে বড় জনসমাগমের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায় দলটি। আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচির পরিবর্তে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর রুটে এ লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির দিন ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের নিয়ে ‘মানবপ্রাচীর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে দলটি।

লংমার্চটি ঢাকা থেকে রংপুর যাওয়ার পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা করবে। কর্মসূচি সফল করতে এরই মধ্যে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। সবশেষ গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট শাখার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে জামায়াত।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম গণমাধ্যমকে বলেন, লংমার্চের দিন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুর জিলা স্কুল পর্যন্ত মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা হবে। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, দলীয় শাখাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা ব্যাপক জনসমাগমের বিষয়ে আশাবাদী হয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও মোড়সহ দৃশ্যমান স্থানগুলোতে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান করবেন।

আগের লংমার্চের তুলনায় এবার আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

দলটির নেতাদের মতে, ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত লংমার্চের এই রুটে জামায়াতের জনসমর্থন তুলনামূলক বেশি। সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে বড় জনসমাগমের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায় দলটি। আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচির পরিবর্তে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর রুটে এ লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫২৯

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫২৯

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫২৯