সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শিবির জয়ী হলে ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপত্তা বাড়বে : সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’র সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন আবু সাদিক কায়েম। শিবিরে প্যানেল ডাকসুতে জয়ী হলে নারীদের নিরাপত্তা কেমন হবে, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির রূপরখো এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ভবিষ্যত চিন্তাসহ নানা বিষয়ে ইত্তেফাক ডিজিটালের সঙ্গে কথা বলেছেন ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম। শিবির জয়ী হলে […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ২১:৫৭

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’র সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন আবু সাদিক কায়েম।

শিবিরে প্যানেল ডাকসুতে জয়ী হলে নারীদের নিরাপত্তা কেমন হবে, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির রূপরখো এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ভবিষ্যত চিন্তাসহ নানা বিষয়ে ইত্তেফাক ডিজিটালের সঙ্গে কথা বলেছেন ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম।

শিবির জয়ী হলে ক্যাম্পাসে নারীদের স্বাধীনতায় কোনো শঙ্কা তৈরি হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে সাদিক কায়েম বলেন, শিবির ডাকসুতে জয়ী হলে নারীদের স্বাধীন চলাচলে বাধা আসবে— এটি সম্পূর্ণ একটি প্রোপাগান্ডা। আমাদের নেতৃত্বের উপর নারীরা আরও বেশি আস্থাশীল।

আগের নির্বাচনগুলোতেও আমাদের প্রার্থীরা নারীদের থেকে বেশি সাড়া পেয়েছেন। যারা আমাদেরকে আদর্শিকভাবে মোকাবিলা করতে পারছে না, তারা আমাদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত মিথ্যা বিষোদগার করছে। আমরা চাই এই ক্যাম্পাসকে নারীদের জন্য আরও বেশি নিরাপদ ক্যাম্পাস হিসেবে তৈরি করতে। এটি আমাদের প্রতিজ্ঞা।

জোর দিয়ে তিনি বলেন, নারীরা আমাদের বোন, আমাদের মা। সুতরাং তাদেরকে যারা হ্যারেস (উত্ত্যক্ত) করছে তারা একেকজন কালপ্রিট, তারা একেকজন কুলাঙ্গার। তাদেরকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

একইসাথে শিবিরের উপর এভাবে একেকটি পক্ষ ব্লেম দিয়ে আলটিমেটলি কুলাঙ্গারদেরকে দায়মুক্তি দিচ্ছে। এই দায়মুক্তি যারা দিচ্ছে তারা খারাপ কাজ করছে। এই কুলাঙ্গারদের যাতে শাস্তির আওতায় আনা যায় সেজন্য আমরা ‘ডিজিটাল বক্স’ চালুর কথা বলেছি। যেখানে সকলে অভিযোগ দিতে পারবে এবং সকল হয়রানির নিষ্পত্তি হবে।

নারীদের আবাসিক সংকটের উপর বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন সাদিকে কায়েম। তিনি বলেন, এটা খুবই অপ্রত্যাশিত যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪ বছর পার করলেও আমাদের বোনদের আবাসিক সংকট এখনো নিরসন করতে পারিনি। তাদেরকে বাইরে মেসে থাকতে হচ্ছে।

আমি মনে করি, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ সদিচ্ছার অভাব। তাই আমরা এই সংকট নিরসনে কাজ করতে চাই। আমাদের ছাত্র ভাইদের থেকে ছাত্রী বোনদের সমস্যা অনেক বেশি। তাই তাদেরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সাদিক বলেন, আমাদের ব্যাপারে আরেকটি প্রোপাগান্ডা রয়েছে অন্য ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে। আমরা বলতে চাই, অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছেও আমাদের গ্রহণযোগ্যতা অনেক ভালো। তারা আমাদের সাথে কথা বলছে, আলাপ হচ্ছে।

আমি নিজেও ছোটবেলা থেকেই সকল ধর্মের বৈচিত্র্যের মধ্যেই বড় হয়েছি। আমি খাগড়াছড়িতে ছিলাম, সেখানে পাহাড়ি বন্ধু যারা চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা তাদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলছি, একসাথে স্কুলে গেছি। তাদের উৎসবে আমরা যেতাম, ঈদে তারা আমাদের বাসায় আসতো, তাদের বৈসাবি উৎসবে আমরা তাদের ওখানে যেতাম। বৈচিত্র্যের মধ্যে যে সৌন্দর্য সেটি ছোটবেলা থেকেই আমি দেখে এসেছি৷

শিক্ষার্থীরা কেন আপনাদের ভোট দিবে- এমন প্রশ্নের জবাবে এই শিবির নেতা বলেন, জুলাইয়ের সবচেয়ে ক্রুশিয়াল সময়ে আমরা কাজ করেছি। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী এক বছরে আমরা অসংখ্য কাজ করেছি, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশাকে মাথায় নিয়ে অনেক কাজ করেছি। এই কাজ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পেয়েছি।

আমাদের নেতৃত্বের উপর তারা আস্থা রাখতে চায়। এই স্বতঃস্ফূর্ত রেসপন্স, শিক্ষার্থীবান্ধব আমাদের যে চিন্তা এসব তাদেরকে অনেক বেশি আকর্ষিত করছে, তাই তারা আমাদের খুঁজে নেবে বলে আমি আশা করি।

আগামীর বিশ্ববিদ্যালয় কেমন দেখতে চান- এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুনভাবে সংস্কারের লক্ষ্যে আমরা ৬৩ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পরিবেশ, গবেষণা বরাদ্দ বৃদ্ধি, শিক্ষার মান, শিক্ষক মূল্যায়ন, শিক্ষক নিয়োগে মেধাকে গুরুত্ব দেওয়া, লাইব্রেরির সুবিধা বৃদ্ধি করা এবং সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করে একসাথে কাজ করতে চাই।

আমরা এমন আরও অনেকগুলো সমস্যা আইডেন্টিফাই করেছি, এগুলো সব সমাধান সম্ভব, শুধু প্রয়োজন নৈতিক সদিচ্ছা। আমি মনে করি আমাদের সেই সদিচ্ছা আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ঘাটতি তো থাকবেই, কিন্তু আমাদের অনেক অ্যালামনাই আছে তারা এসব কাজে সাহায্য করতে পারে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।