শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

জুলাই জাদুঘর উদ্বোধনের পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সরকারের কয়েকজন সদস্যের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। একই সঙ্গে জাদুঘরের ব্যবস্থাপনা ও প্রদর্শনীর বিভিন্ন দিক নিয়ে কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। বুধবার (৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ফারুকী এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি নিজেকে ‘রাঁধুনি’ […]

জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২০

জুলাই জাদুঘর উদ্বোধনের পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সরকারের কয়েকজন সদস্যের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। একই সঙ্গে জাদুঘরের ব্যবস্থাপনা ও প্রদর্শনীর বিভিন্ন দিক নিয়ে কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ফারুকী এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি নিজেকে ‘রাঁধুনি’ হিসেবে উল্লেখ করে জাদুঘর নিয়ে নিজের কিছু ‘খুঁতখুঁতানি’র কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘এই জাদুঘর ওপেন হওয়ার পেছনে তার ব‍্যক্তিগত কমিটমেন্ট ছিলো ২০০ ভাগ।’

জাদুঘরে দ্রুত মিউজিয়াম এক্সপ্লেইনার নিয়োগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর এমন একটা মিউজিয়াম যেখানে মিউজিয়াম এক্সপ্লেইনার ইজ আ মাস্ট। আমরা কনটেন্ট পরিকল্পনা এমনভাবে করেছি যেখানে কনটেন্ট কিছু কথা বলবে আর এক্সপ্লেইনার তার স্টোরিটেলিংয়ে এটার ইমোশনাল লেয়ারটা তৈরি করবে। এবং সেই এক্সপ্লেইনিংটা জাস্ট কিছু তথ্য দেওয়ার মতো হলে হবে না। ঐ বলাটাও একটা আর্ট হইতে হবে। এবং তখনই দর্শক একটা পরিপূর্ণ ইমারসিভ অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যাবে।’

তবে হতাশা প্রকাশ করে ফারুকী বলেন, ‘দুঃখের কথা হলো এখনও এক্সপ্লেইনার নিয়োগ হয়নি। এটা দ্রুত করার আহ্বান জানাই। এই জিনিসটা এতোই গুরুত্বপূর্ণ যে আগে সব ভিআইপি ট‍্যুরের সময় আমি নিজেই এক্সপ্লেইনারের কাজ করতাম।’

জুলাই জাদুঘরের প্রদর্শনী কোন ক্রমে দেখা উচিত, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা। এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘একটা সিনেমা যেমন আপনি চাইলে যে কোনো জায়গা থেকে দেখা শুরু করতে পারেন না। এই মিউজিয়াম অ‍্যাবসলিউটলি সেরকম। একাত্তর থেকে শুরু করে বাহাত্তর-পঁচাত্তর হয়ে-জিয়াউর রহমানের আমল-এরশাদের স্বৈরশাসন-খালেদা জিয়ার মাধ্যমে গণতন্ত্রে ফিরে আসা-ওয়ান ইলেভেন। এই অংশটার নাম লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসি। এই ধাপগুলো পার হয়ে ১৬ বছরের গল্পে ঢুকবে দর্শক।’

‘কিন্তু আজকে যখন দেখলাম প্রধানমন্ত্রীকে ঐ অংশ বাদ দিয়ে মাঝখান থেকে দেখানো হচ্ছে আমার হার্টব্রেক হচ্ছিলো। এর সঙ্গে যুক্ত হইছে মিউজিয়াম এক্সপ্লেইনারের ইস্যুটা,’ যোগ করেন এ চলচ্চিত্র নির্মাতা।

তবে জাদুঘরের শক্তিশালী দিকগুলোর কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘ইয়েস, আই নো ওগুলো ছাড়াও এটা স্টিল পাওয়ারফুল। কিন্তু রাঁধুনি তো চায় মানুষ সেরা স্বাদটাই পাক।’

তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আবার সময় করে জাদুঘরটি একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডেড ট্যুরের মাধ্যমে ঘুরে দেখার অনুরোধ করেছেন। এ প্রসঙ্গে ফারুকী বলেন, ‘এটা বলেছি এই জন্য যাতে উনি বুঝতে পারেন এই মিউজিয়ামের পটেনশিয়াল কেবল জুলাই বা ষোলো বছরের ইতিহাস না।’

ফারুকীর মতে, ‘এটা আরও বড় কাজ করতে পারে। হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের কয়েকশ বছরের রাজনীতি-সংস্কৃতি-ইতিহাসের কেন্দ্র। এবং সেটা কোনো বোরিং ওয়েতে না।’

এছাড়া জাদুঘরের কয়েকটি সেগমেন্টকে আলাদা বিভাগ হিসেবে দ্রুত প্রস্তুত করার প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তিনি। এ নির্মাতা বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম ‘‘বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর’’, ‘‘ফ‍্যাসিজমের কালে সাংবাদিকতা’’, ‘‘জুলাইয়ে প্রবাসী’’, এবং ‘‘জুলাইয়ের আত্মা মফস্বল’’- এই সেগমেন্টগুলো আলাদা সেকশন হিসেবে রেডি হয়ে যাবে। এগুলো এখনও আছে মিউজিয়ামে তবে ইনডিপেনডেন্ট সেকশন হিসাবে না।’

তার মতে, ‘আজকে যেটা বুঝলাম এই কয় মাস আসলে নানাবিধ কারণে কিউরেশন টিম কাজ করতে পারে নাই। আশা করি নেক্সট নিউ সেকশন এগুলো হবে। কারণ বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর না বুঝলে বিগত ষোলো বছরের ডিএনএ চেনা যাবে না।’

জুলাই জাদুঘরের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্ল্যাটফর্মের অবদানের কথাও তুলে ধরেন ফারুকী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই জাদুঘরের রসদ সংগ্রহে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে এবং নানাভাবে সহযোগিতা করেছে বহু মানুষ, বহু প্লাটফর্ম। তাদের অনেককেই শুনলাম দাওয়াত দেওয়া হয় নাই। ওদের এই সম্মানটা জানানো খুব দরকার ছিলো।’

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।