শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগ মারেনি, মেরেছে শিবির বাহিনী: নিলুফার মনি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরার ফাহাদকে যারা হত্যা করেছে, সেটার নেপথ্যে সরাসরি নড়াচড়া করছে ছাত্রশিবির, যাদের তিনি ‘হেলমেট বাহিনী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:১৩

বৃহস্পতিবার রাতে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টকশোতে অংশ নিয়ে বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক এমপি নিলুফার চৌধুরী মনি যে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, তা রাজনীতির মঞ্চে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি বলেছে যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরার ফাহাদকে যারা হত্যা করেছে, সেটার নেপথ্যে সরাসরি নড়াচড়া করছে ছাত্রশিবির, যাদের তিনি ‘হেলমেট বাহিনী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এই অভিযোগটা শুধু ব্যক্তিগত কটাক্ষ নয়; এটি একটি রাজনৈতিক রূপরেখা নির্দেশ করছে যেখানে ক্ষমতার ছায়ায় এক সংস্থার আগ্রাসী ও সহিংস ভূমিকা নিয়ে খোলাখুলি প্রশ্ন উঠছে।

নিলুফার চৌধুরী মনি টকশোয় আরও জোর দিয়েছেন—বর্তমান সরকারের সুশাসনের উপস্থাপনা ভাসমান কাগজের নৌকার মতো, কারণ তার কথায় সরকার আজ জামায়াত দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন। তিনি যে পরামর্শ দিয়েছেন, তা সরল অভিযোগ নয়; এতে সমগ্র রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক ও ক্ষমতার জটিলতা চিহ্নিত হচ্ছে—কীভাবে শিক্ষাকেন্দ্রিক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক-আইনজীবী নেটওয়ার্ক, ক্ষমতার ছোঁয়া এবং সংঘর্ষ প্রবণ সাংগঠনিক বাহিনী একযোগে কাজ করে।

ঘটনাটির প্রেক্ষাপট অতীতেও দেখা যায়। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েট শেরেবাংলা হল থেকে আবরার ফাহাদের লাশ উদ্ধারের পর থেকে মামলাটি সমাজের চোখে ছিলো এক টেস্ট কেস। তদন্তে বুয়েটের ২৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ সেই মামলায় ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়; এরপর হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রেখেছে। আইনগত প্রতিক্রিয়া থাকলেও রাজনৈতিক আঙ্গিকে এই হত্যাকাণ্ডকে কারা বা কোন সংগঠন কাজে লাগিয়েছে—সে প্রশ্ন এখন নতুন করে জনবান্ধব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠছে।

টকশোয় নিলুফার চৌধুরী মনি যে কোর্ট-সংযুক্ত তথ্য ও ব্যক্তিগত দাবিগুলো তুলে ধরেছেন, তা অনুসন্ধান ও প্রমাণের দাবি রাখে। তিনি একই সঙ্গে আসামিদের আইনজীবীদের নাম উল্লেখ করে ইঙ্গিত করেছেন যে বিচার-প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব অথবা সম্পর্কের একটি জটিল চেইন কাজ করছে। এই ধরণের অভিযোগ যে কেবল শব্দের যুদ্ধ নয়, তা স্পষ্ট—এগুলো বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করে।

এ সময় পুলিশি তদন্ত, আদালত ও রাজনৈতিক দলগুলো যদি বিষয়টিকে কৌশলে নিরপেক্ষভাবে না দেখেন, তাহলে শিক্ষাঙ্গন নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও ছাত্রসমাজের মুক্ত বোধ বিপন্ন হবে। যারা মেধাবী তরুণদের হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক বা বাহিনিবদ্ধ সংঘর্ষের অংশ হিসেবে দেখছেন, তাদের জন্য এখন প্রশ্ন আছে—রাষ্ট্র কতটা নিরপেক্ষভাবে এই ঘটনার গোড়া-খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখছে? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক সশস্ত্রতা অথবা বাহিনীর উপস্থিতি বন্ধ করতে কেন দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না?

আজকের আবহে, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা শুধু বিচারের বিষয় নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, ছাত্ররাজনীতি ও বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতার উপর অভূতপূর্ব প্রভাব ফেলে। নিলুফার চৌধুরী মনির অভিযোগ যদি তদন্তে দাঁড়ায় এবং প্রমাণিত হয়, তাহলে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যে অশান্তির বীজ বোনা হয়েছে, সেটার দায় ও জবাবদিহি চাইবে—কেবল দণ্ডবিধির আওতায় নয়, রাজনৈতিক সংস্কার ও বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তার কাঠামো পাল্টানোর মাধ্যমে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪১১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৬
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪১১