বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমাদের সামনে দুটি রাস্তা- হয় বিজয় নয়তো শাহা’দাত : শিবির সেক্রেটারি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে ঘিরে তুমুল সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা আওয়ামী লীগ ও ভারতের নীতির তীব্র সমালোচনায় মুখর। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তথা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আলোকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন শিবির সেক্রেটারি। পাঠকদের […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৫, ১৫:২২

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে ঘিরে তুমুল সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা আওয়ামী লীগ ও ভারতের নীতির তীব্র সমালোচনায় মুখর। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তথা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আলোকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম।

সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন শিবির সেক্রেটারি। পাঠকদের জন্য তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘চূড়ান্ত বিজয় অথবা শাহাদাত’

১৭৫৭- স্বদেশীয় মীর্জাফর ও বিশ্বাসঘাতকদের কারণে ১৯০ বছরের জন্য এ ভূখণ্ড থেকে স্বাধীনতা হারিয়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী ইং’রে’জ’রা কলোনির নামে আমাদের ভূমি দখল করে সম্পদ লুটপাট করেছে। তারাই আবার বিশ্বরাজনীতিতে সভ্যতার লেবাসে আমাদেরকে সবক দেয় (সেলুকাস)।

১৯৪৭- হাজী শরিয়াতুল্লাহ, তিতুমীর, আহমেদ বেরলভি ও তাদের উত্তর প্রজন্মের ধারাবাহিক লড়াই সংগ্রাম অ’স’ভ্য ব্রি’টি’শ কলোনি থেকে মুক্তির দেখা মিললো। কিন্তু তারা রেখে গেলেন ইন্টেলেকচুয়াল কলোনি পলিসি। সাথে কিছু হাই কোয়ালিটি সমৃদ্ধ ট্রেনিং প্রাপ্ত দালাল। যার ফলাফল হিন্দু মুসলিম তিক্ততা।

সমাধান নিয়ে হাজির হলেন, তথাকথিত ভারতীয় মুসলিমের ত্রাণকর্তা মি. জিন্নাহ। থিওরি দিলেন “আসো ভাগ হয়ে যাই”। পাকিস্তান ও ইন্ডিয়া ভাগেই নাকি সব সমাধান!!

১৯৪৭-১৯৭১- পূর্ব পাকিস্তান বা বর্তমান বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডের সাথে ইন্ডিয়া ও পশ্চিম পাকিস্তান কেউই ইনসাফ করতে পারলেন না। বৈষম্য চাপিয়ে দিলেন। মাথামোটা কিছু রাজনীতিবীদের অদূরদর্শী ও অপরিপক্ব সিদ্ধান্তের কারণে আবার ভাগের প্রশ্ন। তৈরি হলো প্লট-৭১।

১৯৭১- এ’ন্ডি’য়া দাবি করলো এ’ন্ডি বনাম পা’কি যুদ্ধ হইছে। জিতছে এ’ন্ডি। এখান থেকেই নাকি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম!! ভালো কথা তাহলে এই রাষ্ট্র কার? রাষ্ট্র পরিচালনা কে করবে? এন্ডি ১৬ ডিসেম্বরের পর নিজেরাই চালাতে চেয়েছিল। কিন্তু পাবলিক সেন্টিমেন্ট মাথায় রেখে তারা এং’রে’জদের পলিসি নিল। ইজারা দিল একটি পরিবার ও একটি দলের কাছে।

১৯৭৫- প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের চেতনাকে গলা টিপে এক দেশ, এক দল, বাকশাল কায়েম করলেন। প্রকৃত সমর যোদ্ধারা এতে নড়েচড়ে বসলেন। এজন্যতো যুদ্ধ করিনি। যার ফলশ্রুতিতে ১৫ আগষ্ট।

১৯৭৫ পরবর্তীতে এদেশ একটি গোলকধাঁধার মধ্য দিয়েই গিয়েছে। কখনো ত্রাণকর্তা, কখনো সেই ত্রাণকর্তাই আবার লুটেরা কিংবা স্বৈরাচার চরিত্রে পরিণত হওয়া। এই ধারার মধ্যে সৎ ও দেশপ্রেমিক ছিল খুবই নগণ্য কিছু সংখ্যা। তারা আবার দালালগোষ্ঠীর কাছে ছিল মাইনোরিটি বা ইনিফেরিয়র।

১৯৯৬- স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে হাজির হলেন খু’নি হাসিনা। পরিবার হারানোর বেদনা নাকি উনি ছাড়া আর কেউ বুঝে না। তাই তিনি আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সাক্ষাৎকারে বলেই দিলেন, “আমার রাজনীতি করার খুব একটা ইচ্ছা ছিল না। আমি আসছি আমার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে”।

হত্যার রাজনীতি আবারও চাঙ্গা করলেন তিনি। বাকশালের নয়া রুপ ফ্যাসিবাদ জীবন্ত করলেন। কিন্তু ২০০১ সালে এসে ফ্যাসিবাদের ষোলকলা পূর্ণ করতে পারলেন না। এ জন্য ৫ বছর অপেক্ষা করতে হলো।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর- লগী বৈঠার তাণ্ডবের মাধ্যমে অপেক্ষায় প্রহর শেষ হতে লাগলো। ভিনদেশী স্ক্রিপটেড নাটক পালটা নাটকের মাধ্যমে তিনি আবারও ক্ষমতায় আসলেন। এসেই উনার ফ্যাসিবাদের বাধা হিসেবে সকল শক্তির তালিকা করলেন। প্রথমেই দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার দিয়ে হত্যার উৎসব শুরু করলেন।

এরপর বিরোধী নেতৃবৃন্দ, আলেম-উলামা, যারাই ফ্যাসিবাদের পথের কাটা তাদেরকে হত্যা ও গুম অব্যাহত রাখলেন। ৭১ লেগেচি বহন করে একটি অঘোষিত কলোনি ও ফ্যাসিবাদের কায়েমে তিনি সফলতার শীর্ষে অবস্থান করলেন।

চেতনার কার্ডই এখানে প্রধানতম হাতিয়ার। হয়ে উঠলেন মাদার অফ ফ্যাসিস্ট। ৭১-এর মিথ্যা বয়ানের চেতনাই ফ্যাসিবাদ কায়েমে প্রধানতম ভূমিকা পালন করেছিল।

২০২৪- ফেরাউন, নমরুদরা পতনের আগ পর্যন্ত ভাবতেই পারেনি, সব কিছুর একটা শেষ আছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনাও তার ব্যাতিক্রম নয়। নির্মম গণহত্যা চালিয়েও তার শেষ রক্ষা হয়নি।

হলফ করে বলছি, ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যূত্থান একটি অর্গানিক ও ন্যাচারাল মুভমেন্ট ছিল। কোনো সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের প্ল্যানে হয়নি। দালাল সম্প্রদায়ের কোনো ভূমিকাই এখানে ছিল না। পরিস্থিতিই ধাপেধাপে আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে বাধ্য করেছিল। এখানেই মূলত ৫৭, ৪৭, ৫২, ৭১ আর ২৪-এর পার্থক্য।

শহীদ ও গাজীদের ন্যাচারাল চেতনাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে দিবে। এখানে কোনো শক্তির সাথেই আপোষ করার সূযোগ নেই। প্রজন্ম ২৪ এখন সংকীর্ণ চিন্তার উর্ধ্বে উঠে বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে চায়। তারা যেকোনো আধিপত্যবাদ মোড়লদের চোখে চোখ রেখে কথা বলার প্রতিযোগিতা করতে চায়। শহিদি প্রজন্ম বাংলাদেশকে আর পথ হারাতে দিবে না ইনশাআল্লাহ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬০