মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধানের দাম কম – উৎপাদন খরচ বেশি, ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক

মো. বদরুল আলম, সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। একসময় কৃষকের প্রধান পেশা ছিল ধান চাষ। বছরের পর বছর জমিতে ধান ফলিয়ে সংসার চালানো, সন্তানদের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পাশাপাশি বছর শেষে কিছু টাকা সঞ্চয় করতেন কৃষকরা। সঞ্চয়কৃত টাকা দিয়ে নতুন জমি ক্রয় অথবা অন্যের জমি লিজ নিতেন। কিন্তু বর্তমানে ধানের ন্যায্যমূল্য না […]

ধানের দাম কম – উৎপাদন খরচ বেশি, ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:৩২

মো. বদরুল আলম, সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। একসময় কৃষকের প্রধান পেশা ছিল ধান চাষ। বছরের পর বছর জমিতে ধান ফলিয়ে সংসার চালানো, সন্তানদের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পাশাপাশি বছর শেষে কিছু টাকা সঞ্চয় করতেন কৃষকরা। সঞ্চয়কৃত টাকা দিয়ে নতুন জমি ক্রয় অথবা অন্যের জমি লিজ নিতেন। কিন্তু বর্তমানে ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেক পুরনো কৃষক এবং কৃষক পরিবার। 

উপজেলার ছিলিমপুর, বেতুয়া, বড়চওনা, কচুয়া, নিশ্চিন্তাপুর, আড়াই পাড়া, কীত্তনখোলা, পাথারপুর’সহ অন্যান্য এলাকা ঘুরে একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ, হালচাষ, ধান কাটা-মাড়াই ও কৃষিশ্রমিকের মজুরি সবকিছুতেই বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় বাড়েনি ধানের দাম। ফলে কয়েক মাস পরিশ্রম করে ধান উৎপাদনের পর বাজারে বিক্রি করেও অনেক কৃষকের উৎপাদন খরচ ওঠে না। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে কৃষিশ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। ধান পাকার পর সময়মতো শ্রমিক না পেলে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার বেশি টাকা দিয়ে শ্রমিক নিয়োগ করলে উৎপাদন খরচ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় কৃষক শাহজাহান মিয়া বলেন, আগে ধান চাষ করে সিজন শেষে কিছু লাভ (টাকা) থাকত। কিন্তু এখন সার,বিষ কিনতে বেশি টাকা লাগে, কামলার (শ্রমিক) দাম বেশি, সেচ ও অন্যান্য খরচও বেড়েছে। কিন্তু ধান বিক্রি করতে গেলে ভালো দাম পাওয়া যায় না। সব খরচ বাদ দিলে কৃষকের হাতে কিছুই থাকে না। ধান চাষের জন্য অনেক সময় ধার/ ঋণ নিতে হয়। আশা থাকে ধান বিক্রি করে ঋণের টাকা পরিশোধ করব। কিন্তু ধানের দাম কম থাকায় কখনোই পুরো ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয় না। বছর শেষে লাভের বদলে ঋণের বোঝা টানতে হয় বেশিরভাগ কৃষককে।

স্থানীয় আড়াই পাড়া এলাকার কৃষক আ. মান্নান বলেন, বাজারে ধানের দাম কম থাকলেও চালের দাম তুলনামূলক বেশি। কৃষক তার উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। ক্ষেতে ধান চাষ কমাই দিয়েছি। নিজের খাবারের যতটুকু লাগে ততটুকুই রোপণ করি। বাকি ক্ষেত পতিত আর ২টা বর্গা দিয়েছি। ধানের দাম কম থাকায় ছেলে ধান চাষ করতে চায় না। আবার ক্ষেত পতিত রাখতেও ভালো লাগে না। 

তিনি আরো বলেন, রোপনের সময় থেকে খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারলে ভালো হতো। পাশাপাশি সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম কমানো এবং কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার ব্যবস্থা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি। 

উপজেলার কচুয়া এবং বড়চওনা ধানের বাজারে গিয়ে দেখা যায় নাজিরসাইল ধান মণ প্রতি ১৩৩০ থেকে ১৩৪০ টাকা, আটাইশ এবং উনেত্রিশ ধান মণ প্রতি ১১৪০-১১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। 

কৃষক বিল্লাল হোসেন ধান নিয়ে এসেছেন অপেক্ষা করছেন কিছুক্ষণ যদি ধানের বাজারের দাম বাড়ে। কিন্তু দাম না বাড়ায়, তিনি সর্বশেষ চলমান দামেই বিক্রি করে চলে গেলেন। 

কৃষক আ. মান্নানের ছেলে আসাদুল ইসলাম বলেন, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বেশি কৃষক ধান চাষ থেকে সরে যেতে বাধ্য হবেন। এতে কৃষকের জীবন-জীবিকার পাশাপাশি দেশের খাদ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি বলেন, কৃষকের ঘাম ও পরিশ্রমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হোক। ধান বিক্রি করে যেন কৃষক লোকসানের মুখে না পড়ে, বছর শেষে ঋণের বোঝা না, কিছুটা লাভ নিয়ে যেন ঘরে ফিরতে পারেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মন জানান, ধানের দাম কম হওয়ার কারণে উপজেলায় কৃষিজমি পতিত নেই। উপজেলার অধিকাংশ জমিতেই মৌসুমভেদে কোনো না কোনো ফসলের আবাদ হচ্ছে। কেউ ধানের পরিবর্তে গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করছেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে হয়তো কোনো কোনো কৃষক নির্দিষ্ট মৌসুমে জমিতে চাষাবাদ করতে পারেন না। সেচের সমস্যাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত কারণে এক-দুজনের জমি সাময়িকভাবে অনাবাদি থাকতে পারে।

ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেললে কৃষি বিভাগের কোনো উদ্বেগ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো কৃষক ধান চাষ করে ন্যায্যমূল্য না পেলে তিনি বিকল্প অন্য কোনো ফসল চাষ করতে পারেন।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।