বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধানের দাম কম – উৎপাদন খরচ বেশি, ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক

মো. বদরুল আলম, সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। একসময় কৃষকের প্রধান পেশা ছিল ধান চাষ। বছরের পর বছর জমিতে ধান ফলিয়ে সংসার চালানো, সন্তানদের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পাশাপাশি বছর শেষে কিছু টাকা সঞ্চয় করতেন কৃষকরা। সঞ্চয়কৃত টাকা দিয়ে নতুন জমি ক্রয় অথবা অন্যের জমি লিজ নিতেন। কিন্তু বর্তমানে ধানের ন্যায্যমূল্য না […]

ধানের দাম কম – উৎপাদন খরচ বেশি, ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:৩২

মো. বদরুল আলম, সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। একসময় কৃষকের প্রধান পেশা ছিল ধান চাষ। বছরের পর বছর জমিতে ধান ফলিয়ে সংসার চালানো, সন্তানদের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ মেটানোর পাশাপাশি বছর শেষে কিছু টাকা সঞ্চয় করতেন কৃষকরা। সঞ্চয়কৃত টাকা দিয়ে নতুন জমি ক্রয় অথবা অন্যের জমি লিজ নিতেন। কিন্তু বর্তমানে ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেক পুরনো কৃষক এবং কৃষক পরিবার। 

উপজেলার ছিলিমপুর, বেতুয়া, বড়চওনা, কচুয়া, নিশ্চিন্তাপুর, আড়াই পাড়া, কীত্তনখোলা, পাথারপুর’সহ অন্যান্য এলাকা ঘুরে একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ, হালচাষ, ধান কাটা-মাড়াই ও কৃষিশ্রমিকের মজুরি সবকিছুতেই বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় বাড়েনি ধানের দাম। ফলে কয়েক মাস পরিশ্রম করে ধান উৎপাদনের পর বাজারে বিক্রি করেও অনেক কৃষকের উৎপাদন খরচ ওঠে না। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে কৃষিশ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। ধান পাকার পর সময়মতো শ্রমিক না পেলে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার বেশি টাকা দিয়ে শ্রমিক নিয়োগ করলে উৎপাদন খরচ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় কৃষক শাহজাহান মিয়া বলেন, আগে ধান চাষ করে সিজন শেষে কিছু লাভ (টাকা) থাকত। কিন্তু এখন সার,বিষ কিনতে বেশি টাকা লাগে, কামলার (শ্রমিক) দাম বেশি, সেচ ও অন্যান্য খরচও বেড়েছে। কিন্তু ধান বিক্রি করতে গেলে ভালো দাম পাওয়া যায় না। সব খরচ বাদ দিলে কৃষকের হাতে কিছুই থাকে না। ধান চাষের জন্য অনেক সময় ধার/ ঋণ নিতে হয়। আশা থাকে ধান বিক্রি করে ঋণের টাকা পরিশোধ করব। কিন্তু ধানের দাম কম থাকায় কখনোই পুরো ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয় না। বছর শেষে লাভের বদলে ঋণের বোঝা টানতে হয় বেশিরভাগ কৃষককে।

স্থানীয় আড়াই পাড়া এলাকার কৃষক আ. মান্নান বলেন, বাজারে ধানের দাম কম থাকলেও চালের দাম তুলনামূলক বেশি। কৃষক তার উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। ক্ষেতে ধান চাষ কমাই দিয়েছি। নিজের খাবারের যতটুকু লাগে ততটুকুই রোপণ করি। বাকি ক্ষেত পতিত আর ২টা বর্গা দিয়েছি। ধানের দাম কম থাকায় ছেলে ধান চাষ করতে চায় না। আবার ক্ষেত পতিত রাখতেও ভালো লাগে না। 

তিনি আরো বলেন, রোপনের সময় থেকে খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারলে ভালো হতো। পাশাপাশি সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম কমানো এবং কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার ব্যবস্থা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি। 

উপজেলার কচুয়া এবং বড়চওনা ধানের বাজারে গিয়ে দেখা যায় নাজিরসাইল ধান মণ প্রতি ১৩৩০ থেকে ১৩৪০ টাকা, আটাইশ এবং উনেত্রিশ ধান মণ প্রতি ১১৪০-১১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। 

কৃষক বিল্লাল হোসেন ধান নিয়ে এসেছেন অপেক্ষা করছেন কিছুক্ষণ যদি ধানের বাজারের দাম বাড়ে। কিন্তু দাম না বাড়ায়, তিনি সর্বশেষ চলমান দামেই বিক্রি করে চলে গেলেন। 

কৃষক আ. মান্নানের ছেলে আসাদুল ইসলাম বলেন, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও বেশি কৃষক ধান চাষ থেকে সরে যেতে বাধ্য হবেন। এতে কৃষকের জীবন-জীবিকার পাশাপাশি দেশের খাদ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি বলেন, কৃষকের ঘাম ও পরিশ্রমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হোক। ধান বিক্রি করে যেন কৃষক লোকসানের মুখে না পড়ে, বছর শেষে ঋণের বোঝা না, কিছুটা লাভ নিয়ে যেন ঘরে ফিরতে পারেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মন জানান, ধানের দাম কম হওয়ার কারণে উপজেলায় কৃষিজমি পতিত নেই। উপজেলার অধিকাংশ জমিতেই মৌসুমভেদে কোনো না কোনো ফসলের আবাদ হচ্ছে। কেউ ধানের পরিবর্তে গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করছেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে হয়তো কোনো কোনো কৃষক নির্দিষ্ট মৌসুমে জমিতে চাষাবাদ করতে পারেন না। সেচের সমস্যাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত কারণে এক-দুজনের জমি সাময়িকভাবে অনাবাদি থাকতে পারে।

ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেললে কৃষি বিভাগের কোনো উদ্বেগ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো কৃষক ধান চাষ করে ন্যায্যমূল্য না পেলে তিনি বিকল্প অন্য কোনো ফসল চাষ করতে পারেন।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।