মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

মালদ্বীপ থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে বাংলাদেশিরা

পর্যটননির্ভর দেশ মালদ্বীপে রেমিট্যান্স প্রেরণে একক আধিপত্য বজায় রেখেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটি’ (এমএমএ) প্রকাশিত সর্বশেষ বাৎসরিক প্রতিবেদন ‘পেমেন্ট বুলেটিন–২০২৪’-এ উঠে এসেছে এ তথ্য। সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মালদ্বীপ থেকে দেশে পাঠিয়েছেন ১১২ মিলিয়নেরও বেশি মার্কিন ডলার, যা দেশটির মোট বহির্বিশ্ব রেমিট্যান্স লেনদেনের প্রায় ৭২ […]

মালদ্বীপ থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে বাংলাদেশিরা

মালদ্বীপ থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে বাংলাদেশিরা

নিউজ ডেস্ক

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৩

পর্যটননির্ভর দেশ মালদ্বীপে রেমিট্যান্স প্রেরণে একক আধিপত্য বজায় রেখেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটি’ (এমএমএ) প্রকাশিত সর্বশেষ বাৎসরিক প্রতিবেদন ‘পেমেন্ট বুলেটিন–২০২৪’-এ উঠে এসেছে এ তথ্য।

সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মালদ্বীপ থেকে দেশে পাঠিয়েছেন ১১২ মিলিয়নেরও বেশি মার্কিন ডলার, যা দেশটির মোট বহির্বিশ্ব রেমিট্যান্স লেনদেনের প্রায় ৭২ শতাংশ। ২০২৩ সালের তুলনায় এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

দেশটিতে বাংলাদেশ মিশনের শ্রম কাউন্সেলর মো. সোহেল পারভেজ জানান, প্রতিবেদন অনুযায়ী মালদ্বীপে কর্মরত বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা সর্বমোট প্রায় ১৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থই সবচেয়ে বেশি। তালিকায় এরপর রয়েছে নেপাল (৫ শতাংশ), মিশর (৪ শতাংশ), ফিলিপাইন (৪ শতাংশ) ও ভারত (২ শতাংশ)।

মালদ্বীপের মোট বহির্মুখী রেমিট্যান্স লেনদেন ২০২৪ সালে দাঁড়ায় ১৫৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১২১ শতাংশ বেশি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দেশটির মোট অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স আয় যেখানে মাত্র ৮ শতাংশ, সেখানে ৯২ শতাংশই এসেছে বিদেশি কর্মীদের মাধ্যমে।

মালদ্বীপে লাখেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কাজ করছেন। তবে এদের একটি বড় অংশ এখনো বৈধ কাগজপত্রের বাইরে থেকে কর্মরত। বৈধতা সমস্যা, প্রতিদিনের ধরপাকড় অভিযান ও নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন।

বিএনপি মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো. খলিলুর রহমান বলেন, “দেশে গণঅভ্যুত্থানের পর প্রবাসীরা প্রতিজ্ঞা করেছিলেন বৈধ চ্যানেলেই টাকা পাঠাবেন। এখনও তারা সেই প্রতিশ্রুতিতে অটল রয়েছেন। তবে এই ধারা অব্যাহত রাখতে মালদ্বীপে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালু এবং যেকোনো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা খোলার প্রয়োজন।”

এনবিএল মানি ট্রান্সফার মালদ্বীপের প্রধান রেমিট্যান্স চ্যানেল। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মাসুদুর রহমান জানান, “প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে মোট প্রেরিত অর্থের ৫৬ শতাংশই বাংলাদেশিরা এনবিএলের মাধ্যমে দেশে পাঠিয়েছেন। আমরা নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা ও সেমিনারের আয়োজন করছি যাতে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়ানো যায়।”

তিনি আরও বলেন, “নতুন কর্মীর আগমন এবং ব্যাংকিং খাতে প্রবাসীদের আস্থা ফিরে আসায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”

শ্রম কাউন্সেলর মো. সোহেল পারভেজ প্রবাসী বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রবাসীরা বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছেন। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তাদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি রেমিট্যান্স প্রবাহ টিকিয়ে রাখতে প্রবাসীদের আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় মালদ্বীপের সঙ্গে জোরালো কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে যদি স্থানীয় মুদ্রায় রেমিট্যান্স পাঠানোর ব্যবস্থা করা যায়, তবে এ প্রবাহ আরও স্থায়ী ও শক্তিশালী হবে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।