রাজনীতির পথচলায় নানা প্রতিকূলতা ও ব্যক্তিগত সংগ্রামের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাজনীতি করার কারণে এখনও অনেক সময় হতাশ লাগে। তবে দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা তাকে নতুন করে আশাবাদী করে তোলে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু আমি রাজনীতি করি, মাঝে মাঝেই হয়তো হতাশ হয়ে যেতাম, এখনও অনেক ক্ষেত্রে হতাশ লাগে। কিন্তু তরুণদের কাজ ও নতুন প্রজন্মের প্রতিভা দেখলে আবার আত্মবিশ্বাস ফিরে পাই।”
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাজনীতিতে আসার আগে তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে রাজনীতিকেই জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন। এ পথে তাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অপমান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। দীর্ঘ ধৈর্য ও সংগ্রামের পর আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন কিছু শুরু করা সহজ নয়। সফল হতে হলে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের প্রয়োজন। তবে সরকার সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে এবং সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের সহায়তা করতে, পথ দেখাতে এবং পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। যতটুকু সম্ভব, সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আপনাদের সহযোগিতা করব।”
তরুণ উদ্যোক্তাদের দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের সফলতা শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং দেশের অর্থনীতি ও সমাজের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখে তার বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে যে, আগামী প্রজন্ম বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।