চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীর বলেছেন, তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে উপস্থাপন করে জাতির কাছে ছোট করা হয়েছে। এ কারণে গত চার মাস তিনি সংসদে যোগ দিতে পারেননি এবং তার এলাকার মানুষও নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রথমবার বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, গত ৯ জুলাই আদালতের রায়ে তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
সারোয়ার আলমগীর বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যাংকের মামলা ছিল না। তবু তাকে ঋণখেলাপি বানানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ফটিকছড়ির জনগণ তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন এবং সেই আসন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা ইনসাফের কথা বলেন, তারাই তাকে হাইকোর্টের দ্বারে দ্বারে ঘুরিয়েছেন। জনগণই যদি ক্ষমতার উৎস হয়, তাহলে নির্বাচিত হওয়ার পরও কেন আদালতের মাধ্যমে নিজের বৈধতা প্রমাণ করতে হলো— সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করেছিল। পরে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেন। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ তার ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখে।
পরবর্তীতে আপিল বিভাগের নির্দেশে হাইকোর্টে রুলের চূড়ান্ত শুনানি হয়। গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট রুল অ্যাবসলিউট ঘোষণা করে তার প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। এর পরই তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।