আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য প্রধান শিক্ষক পদগুলো দ্রুত পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাবর্ষকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুনে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাবর্ষ ও পাবলিক পরীক্ষার মধ্যে সমন্বয় ফিরবে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময়ের অপচয় কমবে। সরকার ধাপে ধাপে পাবলিক পরীক্ষা আরও আগাম সম্পন্ন করার লক্ষ্যেও কাজ করছে।
অন্যদিকে, সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দীর্ঘদিনের শূন্য প্রধান শিক্ষক পদ খুব শিগগিরই পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত একটি রিট মামলার নিষ্পত্তি হওয়ায় আইনি জটিলতা কেটে গেছে। ফলে যোগ্য শিক্ষকদের দ্রুত পদোন্নতি দিয়ে শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, নতুন শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী এখন থেকে প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে। আগে এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ। মামলার কারণে এতদিন পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও এখন বিধিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছতার সঙ্গে দ্রুত পদোন্নতি দেওয়া হবে।