বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বড় সঙ্কট থেকে দেশকে রক্ষা : প্রশংসায় ভাসছেন ড. ইউনূস ও তারেক রহমান

বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট থেকে দেশকে রক্ষা করে প্রশংসায় ভাসছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনে দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্বের মাঝে বহুল প্রতীক্ষিত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আশার আলো সঞ্চার হয়েছে। সফল বৈঠকটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা […]

বড় সঙ্কট থেকে দেশকে রক্ষা : প্রশংসায় ভাসছেন ড. ইউনূস ও তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৫, ০৩:০৯

বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট থেকে দেশকে রক্ষা করে প্রশংসায় ভাসছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনে দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্বের মাঝে বহুল প্রতীক্ষিত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আশার আলো সঞ্চার হয়েছে। সফল বৈঠকটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উচ্ছ্বাস।

শুক্রবার (১৩ জুন) লন্ডন সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। এই বৈঠককে বিভিন্ন মহল থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও এই বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এটি দেশের রাজনৈতিক সংকট কাটাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অন্যদিকে, আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে বহুল প্রতীক্ষিত এই বৈঠকটি আয়োজনের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আবারো প্রশংসিত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বৈঠকে তারেক রহমান ড. ইউনূসের কাছে আগামী বছরের রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব করেন। ড. ইউনূসও এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই আলোচনাকে দেশের স্থিতিশীলতা ফেরানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের মাঝে নির্বাচন ইস্যুতে যে বিপরীতমুখী অবস্থান বিরাজ করছিল, এই বৈঠকের মাধ্যমে তা সুরাহা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, দেশে বর্তমানে জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক দল বলতে বিএনপিকেই বোঝায় এবং ড. ইউনূসকে সরকারে থাকতে হলে তারেক রহমানের সমর্থন প্রয়োজন হবে। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠককে সংঘাত নিরসনে অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠক দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহকেও প্রতিফলিত করেছে। ড. ইউনূসের আন্তর্জাতিক পরিচিতি এবং তারেক রহমানের রাজনৈতিক প্রভাব, এই দুইয়ের সম্মিলিত প্রয়াস দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে‌।

সামগ্রিকভাবে, তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের এই বৈঠককে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে একটি ইতিবাচক সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে সংঘাতের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার চেষ্টায় প্রশংসিত হচ্ছেন দুই নেতা।

এ নিয়ে জৈষ্ঠ সাংবাদিক, কলামিস্ট ও গবেষক মেহেদী হাসান পলাশ নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, একটা বড় ধরনের সংঘাতের কিনারা থেকে দেশকে রক্ষা করায় দুই নেতাকে আন্তরিক অভিনন্দন। আশা করি ঘোষণা বাস্তবায়নে আর কোন জটিলতা সৃষ্টি করা হবে না।

সালাউদ্দিন আইয়ুবী লিখেছেন, সবাই খুশি! আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী সহ‌ বাংলাদেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দল এবারের সফরে যার যার মত সু-সংবাদে খুশি। ডক্টর ইউনুসের সাথে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ হবেনা, এই কথা শোনার পর থেকে আওয়ামী লীগ বেজায় খুশি।

তারেক রহমান নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে এনেছে এই সংবাদে বিএনপি খুশিতে গদগদ। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করা দরকার এই কথা জামায়াতে ইসলামী আগেই বলেছিল এইটা ভেবে জামায়াতে ইসলামী খুশিতে আটখানা।

সব দল খুশি, তাই ইউনুস সাহেব খুশি। ইউনুস সাহেব খুশি মানে এন সি পি খুশি।এত খুশি বাংলাদেশের ইতিহাসে আমার জন্মের পরে আর কোনদিন দেখিনি। যার হাত ধরে বাংলাদেশে আজ খুশির বন্যা বয়ে যাচ্ছে, সে আসলেই শান্তিতে নোবেল পাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।খুশি আর শান্তিতে ভরে যাক আমার প্রিয় বাংলাদেশ, একটা নয় আরও নোবেল চলে আসুক আমাদের ঘরে ঘরে এই প্রত্যাশাই করি।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।