শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বড় সঙ্কট থেকে দেশকে রক্ষা : প্রশংসায় ভাসছেন ড. ইউনূস ও তারেক রহমান

বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট থেকে দেশকে রক্ষা করে প্রশংসায় ভাসছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনে দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্বের মাঝে বহুল প্রতীক্ষিত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আশার আলো সঞ্চার হয়েছে। সফল বৈঠকটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা […]

বড় সঙ্কট থেকে দেশকে রক্ষা : প্রশংসায় ভাসছেন ড. ইউনূস ও তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৫, ০৩:০৯

বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট থেকে দেশকে রক্ষা করে প্রশংসায় ভাসছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনে দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্বের মাঝে বহুল প্রতীক্ষিত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আশার আলো সঞ্চার হয়েছে। সফল বৈঠকটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উচ্ছ্বাস।

শুক্রবার (১৩ জুন) লন্ডন সফরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। এই বৈঠককে বিভিন্ন মহল থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও এই বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এটি দেশের রাজনৈতিক সংকট কাটাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অন্যদিকে, আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে বহুল প্রতীক্ষিত এই বৈঠকটি আয়োজনের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আবারো প্রশংসিত হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বৈঠকে তারেক রহমান ড. ইউনূসের কাছে আগামী বছরের রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব করেন। ড. ইউনূসও এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই আলোচনাকে দেশের স্থিতিশীলতা ফেরানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের মাঝে নির্বাচন ইস্যুতে যে বিপরীতমুখী অবস্থান বিরাজ করছিল, এই বৈঠকের মাধ্যমে তা সুরাহা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, দেশে বর্তমানে জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক দল বলতে বিএনপিকেই বোঝায় এবং ড. ইউনূসকে সরকারে থাকতে হলে তারেক রহমানের সমর্থন প্রয়োজন হবে। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠককে সংঘাত নিরসনে অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বৈঠক দেশের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহকেও প্রতিফলিত করেছে। ড. ইউনূসের আন্তর্জাতিক পরিচিতি এবং তারেক রহমানের রাজনৈতিক প্রভাব, এই দুইয়ের সম্মিলিত প্রয়াস দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে‌।

সামগ্রিকভাবে, তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের এই বৈঠককে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে একটি ইতিবাচক সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে সংঘাতের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার চেষ্টায় প্রশংসিত হচ্ছেন দুই নেতা।

এ নিয়ে জৈষ্ঠ সাংবাদিক, কলামিস্ট ও গবেষক মেহেদী হাসান পলাশ নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, একটা বড় ধরনের সংঘাতের কিনারা থেকে দেশকে রক্ষা করায় দুই নেতাকে আন্তরিক অভিনন্দন। আশা করি ঘোষণা বাস্তবায়নে আর কোন জটিলতা সৃষ্টি করা হবে না।

সালাউদ্দিন আইয়ুবী লিখেছেন, সবাই খুশি! আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী সহ‌ বাংলাদেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দল এবারের সফরে যার যার মত সু-সংবাদে খুশি। ডক্টর ইউনুসের সাথে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ হবেনা, এই কথা শোনার পর থেকে আওয়ামী লীগ বেজায় খুশি।

তারেক রহমান নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে এনেছে এই সংবাদে বিএনপি খুশিতে গদগদ। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করা দরকার এই কথা জামায়াতে ইসলামী আগেই বলেছিল এইটা ভেবে জামায়াতে ইসলামী খুশিতে আটখানা।

সব দল খুশি, তাই ইউনুস সাহেব খুশি। ইউনুস সাহেব খুশি মানে এন সি পি খুশি।এত খুশি বাংলাদেশের ইতিহাসে আমার জন্মের পরে আর কোনদিন দেখিনি। যার হাত ধরে বাংলাদেশে আজ খুশির বন্যা বয়ে যাচ্ছে, সে আসলেই শান্তিতে নোবেল পাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।খুশি আর শান্তিতে ভরে যাক আমার প্রিয় বাংলাদেশ, একটা নয় আরও নোবেল চলে আসুক আমাদের ঘরে ঘরে এই প্রত্যাশাই করি।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।