বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

স্বপ্ন পুঁজি করে এগিয়ে চলা: সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে দীঘিনালার নারী উদ্যোক্তা হালিমা খাতুন

মো. হাচান আল মামুন, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি অভাব, অনিশ্চয়তা আর প্রতিকূলতা—এই তিনটিকেই সঙ্গী করে এগিয়ে চলেছেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা হালিমা খাতুন। জীবনের কঠিন বাস্তবতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি,বরং প্রতিটি বাধাকেই পরিণত করেছেন নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিতে। সীমিত মূলধন, পারিবারিক সংকট এবং সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে তিনি আজ আত্মকর্মসংস্থানের এক অনুপ্রেরণাদায়ক […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুলাই ২০২৬, ২২:৪৪

মো. হাচান আল মামুন, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

অভাব, অনিশ্চয়তা আর প্রতিকূলতা—এই তিনটিকেই সঙ্গী করে এগিয়ে চলেছেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা হালিমা খাতুন। জীবনের কঠিন বাস্তবতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি,বরং প্রতিটি বাধাকেই পরিণত করেছেন নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিতে। সীমিত মূলধন, পারিবারিক সংকট এবং সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে তিনি আজ আত্মকর্মসংস্থানের এক অনুপ্রেরণাদায়ক দৃষ্টান্ত।

দীঘিনালা উপজেলার এই সংগ্রামী নারী নিজের অল্প কিছু সঞ্চয় দিয়ে শুরু করেন স্বপ্নের পথচলা। বর্তমানে হালিমা মিষ্টি এন্ড কেক কর্নার নামে তিনি স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে হোমমেড কেক তৈরি ও বিক্রির পাশাপাশি নারীদের জন্য ফ্যাশনেবল পোশাক তৈরি ও বিক্রির কাজ করছেন। তার তৈরি কেক ও পোশাকের মান, সাশ্রয়ী মূল্য এবং আন্তরিক ব্যবহারের কারণে অল্প সময়েই স্থানীয় ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

হালিমা খাতুন জানান, উদ্যোক্তা হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে প্রায় এক বছর আগে। তবে সেলাই কাজের সঙ্গে তার পথচলা ২০১৫ সাল থেকে। দীর্ঘদিনের সেই অভিজ্ঞতাই আজ তার উদ্যোক্তা জীবনের মূল ভিত্তি।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে একটি ছোট খামার গড়ে তুলেছিলাম। কিন্তু পর্যাপ্ত মূলধনের অভাবে এক বছরের মধ্যেই সেটি বন্ধ করে দিতে হয়। তখন অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম। পরে ভেঙে না পড়ে ২০২৫ সালে হালিমা মিষ্টি এন্ড কেক কর্নার’ প্রতিষ্ঠা করে হোমমেড কেকের ব্যবসা শুরু করি। ধীরে ধীরে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা পাচ্ছি। এখন আমার স্বপ্ন, এই ছোট উদ্যোগকে বড় একটি প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া।

জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন বেকার থাকার পর সংসারের স্বচ্ছলতার আশায় আমার স্বামী ঋণ নিয়ে প্রবাসে যান। কিন্তু প্রত্যাশিত আয় না হওয়ায় সংসারের দায়িত্ব অনেকটাই আমার কাঁধে এসে পড়ে। তখন বুঝতে পারি, পরিবারের জন্য আমাকে নিজেকেই কিছু করতে হবে। সেই ভাবনা থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে ১০ থেকে ১৫টি কেক বিক্রি করেন হালিমা খাতুন। ‘হালিমা মিষ্টি এন্ড কেক কর্নার’ থেকে অর্জিত এই আয় দিয়েই কোনোরকমে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করেন। তার দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলের বয়স ৬ বছর এবং ছোট ছেলের বয়স আড়াই বছর। স্বামী প্রবাসে থাকলেও আর্থিক সংকটের কারণে বর্তমানে বাবার বাড়িতেই সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন তিনি। তার বাবা একটি ছোট চায়ের দোকান পরিচালনা করেন। সীমিত আয়ের সেই পরিবারেই নিজের পরিশ্রম, মেধা ও আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রতিদিন নতুন স্বপ্ন বুনছেন এই নারী উদ্যোক্তা।

তিনি আরও বলেন, সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহজ শর্তে ঋণ এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চাই। শুধু নিজের জন্য নয়, ভবিষ্যতে এলাকার আরও নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই।

স্থানীয় ক্রেতা হৃদয় হোসেন বলেন, হালিমা আপুর তৈরি কেকের মান খুবই ভালো। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি হওয়ায় আমরা নিশ্চিন্তে অর্ডার করি। তার তৈরি পোশাকও মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী।

নিয়মিত ক্রেতা সুমাইয়া বিন্তা ইয়াসমিন বলেন, আমি নিয়মিত আমাদের বাসার বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও পারিবারিক আয়োজনের জন্য ‘হালিমা মিষ্টি এন্ড কেক কর্নার’ থেকে কেক নিয়ে থাকি। তার তৈরি কেক খুবই সুস্বাদু, স্বাস্থ্যসম্মত এবং মানসম্মত। অর্ডার অনুযায়ী সময়মতো সরবরাহও করেন। তাই আমি সবসময় তার ওপর আস্থা রাখি।

৩ নং কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসা অত্যন্ত ইতিবাচক। হালিমা খাতুনের মতো উদ্যোগী নারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে তারা শুধু নিজেরাই স্বাবলম্বী হবেন না, বরং অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তানজিল পারভেজ বলেন, নারী উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। হালিমা খাতুনের মতো পরিশ্রমী উদ্যোক্তারা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করছেন, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এমন উদ্যোগ আরও বিকশিত হলে স্থানীয় অর্থনীতি যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

স্থানীয়দের মতে, সীমিত সামর্থ্য নিয়েও সততা, দক্ষতা এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে সফলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার বাস্তব উদাহরণ হালিমা খাতুন। ‘হালিমা মিষ্টি এন্ড কেক কর্নার’-এর মাধ্যমে তার এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে এলাকার অনেক নারীকে আত্মকর্মসংস্থানের পথে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করছে।

সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি। তবুও হালিমা খাতুন বিশ্বাস করেন, একদিন ‘হালিমা মিষ্টি এন্ড কেক কর্নার’ একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। আর সেই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুধু নিজের পরিবারের নয়, এলাকার অনেক অসহায় ও কর্মহীন নারীর জীবনেও স্বাবলম্বিতার নতুন আলো জ্বালাতে পারবেন। তার এই অদম্য প্রত্যয়ই বলে দেয়—স্বপ্ন যদি সত্যিই নিজের হয়, তবে প্রতিকূলতা কখনোই শেষ গন্তব্য নয়; বরং সেটিই নতুন পথচলার প্রেরণা।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।