মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ বেড়ে ৬.৯৪ কোটি টাকা

গত বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর আগের বছর বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ বছর এই খাতে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে গত দুই অর্থবছরের তুলনায় এবার বরাদ্দ বাড়ছে। গত অর্থবছরের তুলনায় ১.২৪ […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মার্চ ২০২৫, ১৮:১১

গত বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর আগের বছর বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ বছর এই খাতে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে গত দুই অর্থবছরের তুলনায় এবার বরাদ্দ বাড়ছে। গত অর্থবছরের তুলনায় ১.২৪ কোটি টাকা বাড়িয়ে এ বছর ৬.৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অন্যান্য বছরের মতো এবারও দেশব্যাপী দিবসটি পালনের জন্য প্রত্যেক উপজেলা প্রশাসনের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুমোদিত জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে এ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

গত বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর আগের বছর বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ বছর এই খাতে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বরাদ্দ থেকে এসব অর্থ উত্তোলনে সম্মতি চেয়ে গত ৬ মার্চ অর্থ সচিবকে চিঠি দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ বছর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হয়েছে। গত দুই বছর জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজসহ জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এক লাখ টাকা হারে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এবার তা বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হচ্ছে।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে এ বছর ঢাকাসহ ৬৪টি জেলার সদর উপজেলা প্রশাসনের অনুকূলে ৭৫ হাজার টাকা করে মোট ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সদর উপজেলাগুলো বাদ দিলে মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৩৫টি। এ ধরনের প্রত্যেকটি উপজেলা প্রশাসনের অনুকূলে ৬০ হাজার টাকা করে মোট ২.৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন ও বাস্তবায়নে এই অর্থ ব্যয় করবে।

গত বছর জেলা সদর উপজেলা বাদে অন্যান্য উপজেলাগুলোকে মোট ২ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, আগের বছর এটি ছিল ২.১৬ কোটি টাকা।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং গতকাল রোববার (১৬ মার্চ) বলেছে, ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে সংস্কার কাজের কারণে এ বছর ঢাকায় কুচকাওয়াজ আয়োজন সম্ভব না হলেও দেশের বাকি ৬৩ জেলায় আয়োজন হবে।

প্রতিবছরের মতো এবারও স্বাধীনতা দিবসে বিভিন্ন কারাগারের বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবার সরবরাহ করা হবে। এ খাতে গত দুই বছরের মতো এ বছরও ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

তবে গত দুই বছরের চেয়ে এ বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ কম পাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত দুই বছর ১.২০ কোটি টাকা হারে বরাদ্দ পেয়েছে। এ বছর তাদের জন্য বরাদ্দ থাকছে ৩২ লাখ টাকা। জাতীয়ভাবে গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমন্বয় করা এবং আমন্ত্রণপত্র, গেইট, ব্যানার, ফেস্টুন ও ব্রান্ডিংসহ বিভিন্ন কাজে এ অর্থ ব্যয় হয়।

এ বছর স্বাধীনতা দিবসে কোনো কর্মসূচি না থাকায় বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ থাকছে না। যদিও গত দুই বছর এসব প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা দিবসে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে এবং এজন্য অর্থ বরাদ্দ নিয়েছে।

কর্মসূচি না থাকার কারণে এবার বরাদ্দ না পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।