শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ বেড়ে ৬.৯৪ কোটি টাকা

গত বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর আগের বছর বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ বছর এই খাতে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে গত দুই অর্থবছরের তুলনায় এবার বরাদ্দ বাড়ছে। গত অর্থবছরের তুলনায় ১.২৪ […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মার্চ ২০২৫, ১৮:১১

গত বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর আগের বছর বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ বছর এই খাতে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে গত দুই অর্থবছরের তুলনায় এবার বরাদ্দ বাড়ছে। গত অর্থবছরের তুলনায় ১.২৪ কোটি টাকা বাড়িয়ে এ বছর ৬.৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অন্যান্য বছরের মতো এবারও দেশব্যাপী দিবসটি পালনের জন্য প্রত্যেক উপজেলা প্রশাসনের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুমোদিত জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে এ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

গত বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। এর আগের বছর বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ বছর এই খাতে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বরাদ্দ থেকে এসব অর্থ উত্তোলনে সম্মতি চেয়ে গত ৬ মার্চ অর্থ সচিবকে চিঠি দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ বছর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হয়েছে। গত দুই বছর জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজসহ জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এক লাখ টাকা হারে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এবার তা বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হচ্ছে।

স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে এ বছর ঢাকাসহ ৬৪টি জেলার সদর উপজেলা প্রশাসনের অনুকূলে ৭৫ হাজার টাকা করে মোট ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সদর উপজেলাগুলো বাদ দিলে মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৩৫টি। এ ধরনের প্রত্যেকটি উপজেলা প্রশাসনের অনুকূলে ৬০ হাজার টাকা করে মোট ২.৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন ও বাস্তবায়নে এই অর্থ ব্যয় করবে।

গত বছর জেলা সদর উপজেলা বাদে অন্যান্য উপজেলাগুলোকে মোট ২ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, আগের বছর এটি ছিল ২.১৬ কোটি টাকা।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং গতকাল রোববার (১৬ মার্চ) বলেছে, ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে সংস্কার কাজের কারণে এ বছর ঢাকায় কুচকাওয়াজ আয়োজন সম্ভব না হলেও দেশের বাকি ৬৩ জেলায় আয়োজন হবে।

প্রতিবছরের মতো এবারও স্বাধীনতা দিবসে বিভিন্ন কারাগারের বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবার সরবরাহ করা হবে। এ খাতে গত দুই বছরের মতো এ বছরও ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

তবে গত দুই বছরের চেয়ে এ বছর স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বরাদ্দ কম পাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত দুই বছর ১.২০ কোটি টাকা হারে বরাদ্দ পেয়েছে। এ বছর তাদের জন্য বরাদ্দ থাকছে ৩২ লাখ টাকা। জাতীয়ভাবে গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সমন্বয় করা এবং আমন্ত্রণপত্র, গেইট, ব্যানার, ফেস্টুন ও ব্রান্ডিংসহ বিভিন্ন কাজে এ অর্থ ব্যয় হয়।

এ বছর স্বাধীনতা দিবসে কোনো কর্মসূচি না থাকায় বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বরাদ্দ থাকছে না। যদিও গত দুই বছর এসব প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা দিবসে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে এবং এজন্য অর্থ বরাদ্দ নিয়েছে।

কর্মসূচি না থাকার কারণে এবার বরাদ্দ না পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।