বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সখীপুরে স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীর মৃত্যু ,পুলিশের খোঁজা শাকিল থানায়

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীর (৪৫) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের খোঁজা সন্দেহভাজন যুবক শাকিল (১৮) থানায় গেছেন। পরিবারের দাবি, ঘটনার ২১ দিন পর বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে তাঁরা শাকিলকে সখীপুর থানায় নিয়ে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে কয়েকজন স্বজনও ছিলেন। শাকিল টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার বর্ণি কিশোরী গ্রামের আতোয়ার খানের […]

সখীপুরে স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীর মৃত্যু ,পুলিশের খোঁজা শাকিল থানায়

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:৪৬

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বাস্থ্য সহকারী আউয়াল শফীর (৪৫) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের খোঁজা সন্দেহভাজন যুবক শাকিল (১৮) থানায় গেছেন। পরিবারের দাবি, ঘটনার ২১ দিন পর বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে তাঁরা শাকিলকে সখীপুর থানায় নিয়ে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে কয়েকজন স্বজনও ছিলেন।

শাকিল টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার বর্ণি কিশোরী গ্রামের আতোয়ার খানের ছেলে। তাঁর খালু শফিকুল ইসলাম বলেন, শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে তিনিও থানায় গিয়েছিলেন। তবে শাকিলের থানায় যাওয়ার বিষয়টি পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর সখীপুর থানা-পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ থেকে মোটরসাইকেলসহ এক যুবকের ছবি সংগ্রহ করে তাঁর পরিচয় ও সন্ধান চায়। ওই যুবকের সন্ধান দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার কথাও জানায় পুলিশ। তখন সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেছিলেন, পুলিশের কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন হতে পারে।

শাকিলের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন তিনি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার পেছনে মোটরসাইকেল নিয়ে নলুয়া থেকে বাসাইলের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা আউয়াল শফীর মোটরসাইকেলটি ওই অটোরিকশার সঙ্গে ঘেঁষা লেগে তিনি সড়কে পড়ে যান। এ সময় পেছনে থাকা শাকিলের মোটরসাইকেলটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটিতে ধাক্কা দেয়। শাকিলও সড়কের পাশে ছিটকে পড়েন বলে পরিবারের কাছে জানিয়েছেন।

শফিকুল ইসলাম বলেন, পড়ে যাওয়ার পর শাকিল উঠে আউয়াল শফীকে সাহায্য করতে এগিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকের পরামর্শে গণপিটুনির ভয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে শাকিল পরিবারের কাছে জানিয়েছেন।

শফিকুল ইসলামের ভাষ্য, ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হলে পুলিশ শাকিলের বাবার কাছেও তাঁর বিষয়ে জানতে চায়। পরে পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা শাকিলকে পুলিশের কাছে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি মূলত দুর্ঘটনা। ন্যায়বিচারের আশায় শাকিলকে আমরা পুলিশের কাছে দিয়ে গেলাম।

গত ২ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১টার দিকে সখীপুর উপজেলার নলুয়া-বাসাইল সড়কের বাছেত খান উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ থেকে আউয়াল শফীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি উপজেলার বোয়ালী গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে এবং সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সড়কের ওপর আউয়াল শফীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা পুলিশকে খবর দেন। তাঁর মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পাশে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল পড়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে দ্রুতগতির কোনো যানবাহনের চাপায় তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করেছিল পুলিশ।

তবে আউয়াল শফীর পরিবারের সদস্যরা শুরু থেকেই ঘটনাটিকে সড়ক দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছেন। তাঁর শরীরের আঘাতের ধরন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

এ ঘটনায় ৩ সেপ্টেম্বর আউয়াল শফীর স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। পাশাপাশি ওই সময় ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী কয়েকজন চালক ও যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে ৮ সেপ্টেম্বর সিসিটিভি ফুটেজ থেকে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবকের ছবি সংগ্রহ করে পুলিশ। পরে তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর পরিচয় ও অবস্থান জানাতে অনুরোধ করা হয়। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখার পাশাপাশি পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়।

শাকিলের থানায় আসার বিষয়ে জানতে চাইলে সখীপুর থানার ওসি মো. মুরাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে এই মুহূর্তে কিছুই বলতে পারছি না। পরিবারের লোকজন আপনাদের কী তথ্য দিয়েছে, সেটা তাঁদের বিষয়। পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু বলার থাকলে প্রয়োজনে তা আনুষ্ঠানিকভাবে আপনাদের জানানো হবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।