মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

মন্ত্রী হিসেবে প্রথম সফরে বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরীকে রাজকীয় সংবর্ধনা

মঈন উদ্দীন, বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনী এলাকা বান্দরবানে এসে রাজকীয় সংবর্ধনা পেয়েছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবানে পৌঁছালে জেলার প্রবেশমুখ হলুদিয়ায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা মোটরসাইকেল ও গাড়ির বহর নিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:২২

মঈন উদ্দীন, বান্দরবান

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনী এলাকা বান্দরবানে এসে রাজকীয় সংবর্ধনা পেয়েছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবানে পৌঁছালে জেলার প্রবেশমুখ হলুদিয়ায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা মোটরসাইকেল ও গাড়ির বহর নিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন। এ সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে সর্বস্তরের মানুষ ফুল ছিটিয়ে ও ফুলের তোড়া দিয়ে মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নির্মাণ করা হয় শতাধিক তোরণ।

বিকেলে শহরের প্রেসক্লাবের সামনে গণসংবর্ধনা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বলেন বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের পানির সংকট সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব এলাকার মানুষের নিরাপদ পানির সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষা স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন বান্দরবানের উন্নয়ন শুধু শহরকেন্দ্রিক হলে হবে না। জেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার মানুষের শিক্ষা স্বাস্থ্য ও যোগাযোগের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। দুর্গম এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন সম্প্রীতির জেলা বান্দরবান এটি বলা সহজ। তবে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। পার্বত্য শিক্ষা স্বাস্থ্য ও যোগাযোগসহ সবক্ষেত্রেই পিছিয়ে রয়েছে। এই অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে শান্তি ও সম্প্রীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সাচিং প্রু জেরী আরও বলেন রাষ্ট্রীয় নীতি ও দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে। বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে পার্বত্যবাসীর কল্যাণে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনায় পার্বত্য জেলাগুলোও এগিয়ে যাবে।

বান্দরবানের পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ তৈরির কথাও জানান মন্ত্রী। পাহাড়ের পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা করে পর্যটন খাতকে আরও বিকশিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সাচিং প্রু জেরী বলেন, দলমত নির্বিশেষে বান্দরবানের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি।

গণসংবর্ধনা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় জেলার সাত উপজেলা দুই পৌরসভা ও ৩৪ ইউনিয়ন থেকে পাহাড়ি বাঙালি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সভাস্থলে জড়ো হন। এতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি পাহাড়ি বাঙালির মিলনমেলায় পরিণত হয়।

সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. ওসমান গনি, আব্দুল মাবুদ, সাশৈপ্রু, মুজিবুর রশীদ, মশিউর রহমান মিঠুন, জাহাঙ্গীর আলম, জেলা রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক দৌলতুল কবীর খান, বিএনপি নেতা সাবিকুর রহমান জুয়েল, জেলা যুবদলের সভাপতি জহির উদ্দিন মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আরিফ চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন জিকুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।