শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

আতিকুর রহমান, রাবি প্রতিনিধি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে চলছে নানা আলোচনা ও মূল্যায়ন। দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন রয়েছে পরিবর্তনের প্রত্যাশা, তেমনি রয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে বাস্তবধর্মী চিন্তা। রাবি শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ জাতীয় নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক […]

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩০

আতিকুর রহমান, রাবি প্রতিনিধি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে চলছে নানা আলোচনা ও মূল্যায়ন। দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন রয়েছে পরিবর্তনের প্রত্যাশা, তেমনি রয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে বাস্তবধর্মী চিন্তা।

রাবি শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ জাতীয় নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রধান মাধ্যম হিসেবে দেখছেন। তাঁদের ভাবনায়, নিয়মিত ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের মতামত প্রতিফলনের প্রধান পথ। দীর্ঘ সময় পর একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন হওয়ায় তরুণদের মধ্যে ভোটাধিকার ও নাগরিক দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা রাবি শিক্ষার্থীদের ভাবনার কেন্দ্রীয় বিষয়। ক্যাম্পাস আলোচনায় উঠে আসছে—ভোটের পরিবেশ কতটা অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের ভাবনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

আরেকটি বড় আলোচনার বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি ও কর্মসূচি। শিক্ষার্থীরা নির্বাচনকে কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের লড়াই হিসেবে নয়, বরং শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—এই বিষয়গুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন। তরুণদের সমস্যা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, সেটিও তাঁদের ভাবনায় রয়েছে।

ক্যাম্পাস রাজনীতির প্রভাবও আলোচনায় আসছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধারণা রয়েছে—জাতীয় রাজনীতির উত্তাপ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই শিক্ষাঙ্গনে সহনশীলতা বজায় রাখা এবং শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়টিও তাঁদের ভাবনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রাচ্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সুরাইয়া মাহমুদ শিশির বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি চাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক। জনগণের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেন পুরোপুরি নিশ্চিত হয়।

তরুণদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও গবেষণার বিষয়গুলো নির্বাচনে গুরুত্ব পাক এবং এই নির্বাচন সহিংসতা ও দলীয় দখলদারিত্বের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার পথে ভূমিকা রাখুক—এটাই আমার প্রত্যাশা।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীর জয়নাল ইসলাম সাদেক বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি চাই ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক, যাতে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হয়।

নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা গঠনে গুরুত্ব দেবেন—এটাই আমার প্রত্যাশা। সহিংসতা ও পেশিশক্তিমুক্ত নির্বাচন হলে গণতন্ত্রের প্রতি তরুণদের আস্থা বাড়বে এবং দেশ সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়নের পথে এগোবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিন ইশরাত দীনা বলেন, ‘আমি চাই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হোক, কোনো কারচুপি বা সহিংসতা যেন না ঘটে। যে দলই সরকার গঠন করুক, তারা জনগণের প্রতি জবাবদিহি রাখুক এবং জনগণের স্বার্থকে প্রথমে গুরুত্ব দিক।

পরিবারতন্ত্রভিত্তিক শাসন হোক না, ক্ষমতার জন্য একক শাসনের মানসিকতা বাদ পড়ুক। সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান—ভোট দিন প্রার্থীর যোগ্যতা, সততা ও ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী, শুধু দলীয় প্রতীকে নয়।’

দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী সুইটি বিশ্বাস বলেন, ‘গণভোট জনগণের সরাসরি মত প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মাধ্যম। বাংলাদেশের সংবিধানেও জনগণকে রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা গণভোটের ধারণাকে আরও গুরুত্ব দেয়।

জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে সাংবিধানিক বা নীতিগত বিষয়ে জনগণের মতামত জানার কার্যকর উপায় হতে পারে গণভোট। তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় গণভোট সফল করতে হলে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ, নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং জনগণের কাছে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য পৌঁছানো নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।’

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে আমি শুধু ভোট দেওয়ার বিষয় নয়, বরং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখি। এই নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হয়—এটাই একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার প্রত্যাশা।

শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়া, শিক্ষার্থীদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা এখন খুব জরুরি। নির্বাচনের মাধ্যমে এমন নেতৃত্ব আসুক, যারা সৎ ও দায়িত্বশীল হবে এবং তরুণ সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাস্তব ও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে।’

সব মিলিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়; এটি দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ, তরুণ সমাজের অংশগ্রহণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। প্রত্যাশা ও সংশয়ের মধ্য দিয়ে রাবি ক্যাম্পাস এখন তাকিয়ে আছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের দিকে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।