সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

মা দিবসে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা

আবু তাহের, জাককানইবি বিশ্ব মা দিবস আজ। জন্মের পরে যার সঙ্গে সন্তানের সবচেয়ে বেশি মিতালি, সন্তানের সবচেয়ে বেশি আপন তিনি মা। বার্ট্রান্ড রাসেল তার ‘ম্যারিজ অ্যান্ড মোরালস’ বইয়ে বলেছেন, মাতৃত্ব সহজাত প্রবৃত্তি, পিতৃত্ব সহজাত নয়। সেজন্য প্রকৃতির কিছু ব্যতিক্রম বাদে সর্বত্র দেখা যায় সন্তানের জন্য মায়েরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে দ্বিধাবোধ করেন না। জন্মদাত্রী মা, […]

মা দিবসে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ মে ২০২৬, ১২:০৪

আবু তাহের, জাককানইবি

বিশ্ব মা দিবস আজ। জন্মের পরে যার সঙ্গে সন্তানের সবচেয়ে বেশি মিতালি, সন্তানের সবচেয়ে বেশি আপন তিনি মা। বার্ট্রান্ড রাসেল তার ‘ম্যারিজ অ্যান্ড মোরালস’ বইয়ে বলেছেন, মাতৃত্ব সহজাত প্রবৃত্তি, পিতৃত্ব সহজাত নয়। সেজন্য প্রকৃতির কিছু ব্যতিক্রম বাদে সর্বত্র দেখা যায় সন্তানের জন্য মায়েরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে দ্বিধাবোধ করেন না।

জন্মদাত্রী মা, যার কল্যাণে পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখে সন্তান। সেই মায়ের স্মরণে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘বিশ্ব মা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। যদিও মাকে ভালোবাসা-শ্রদ্ধা জানাতে কোনো দিনক্ষণ লাগে না, তবুও মাকে গভীর মমতায় বিশেষভাবে স্মরণ করার দিন আজ।

এবারের মা দিবসে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভাবনা তুলে ধরেছেন শিক্ষার্থী আবু তাহের।

মাকে নিয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘মা শব্দটা যত ছোট, তার ভেতরের জগৎ ততটাই অসীম। এই এক অক্ষরের ভেতরেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব আশ্রয়, সব শান্তি, সব নিরাময়।

মা’র কোল যেন এমন এক ছায়া, যেখানে ক্লান্তি এসে থেমে যায়, আর ব্যথা ধীরে ধীরে ভুলে যেতে শেখে তার নিজের অস্তিত্ব। রাত জেগে সন্তানের পাশে বসে থাকা সেই মুখটা, যেন নিঃশব্দ প্রার্থনার সবচেয়ে সুন্দর রূপ-যেখানে চাওয়া নেই, আছে শুধু নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। মায়ের চোখে যে নীরব কান্না লুকিয়ে থাকে, তা পৃথিবীর কোনো শব্দে অনুবাদ করা যায় না-কারণ সেই কান্না শুধু অনুভবের ভাষা জানে।

আর জীবনের সব হারানোর মাঝেও, ‘মা আছে’ এই একটি বাক্যই মানুষের বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় সাহস হয়ে দাঁড়ায়।’

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাবেয়া আক্তার অমি বলেন, ‘মা পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার নাম। যে মানুষটি নিজের সুখ ত্যাগ করে সন্তানের মুখে হাসি ফোটান, তিনিই মা। জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে মায়ের ভালোবাসা, ত্যাগ আর আশীর্বাদ আমাদের সাহস জোগায়। মায়ের ছায়া যেন এক নিরাপদ আশ্রয়, যেখানে দুঃখ-কষ্টও শান্ত হয়ে যায়।

মা দিবস শুধু একটি দিন নয়, বরং মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি উপলক্ষ। মায়ের অবদান কখনো শব্দে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তিনি আমাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু এবং সবচেয়ে বড় শক্তি। আজকের এই বিশেষ দিনে পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ভালো থাকুক পৃথিবীর প্রতিটি মা, হাসিতে ভরে উঠুক তাদের জীবন।’

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জায়েদ আহাম্মদ বলেন, ‘মা একটিমাত্র শব্দ অথচ এর বিস্তার অনন্ত। জন্মের পূর্ব মুহূর্ত থেকেই যিনি সন্তানের অস্তিত্বকে আপন সত্তায় ধারণ করেন, জন্মের পর নিঃস্বার্থ স্নেহ, ত্যাগ ও মমতায় যিনি জীবনকে পরিপূর্ণ করে তোলেন তিনি মা।

মানবজীবনের সবচেয়ে নির্মল আশ্রয়, সবচেয়ে নির্ভরতার নাম মা। সন্তানের হাসির জন্য একজন মা নিজের স্বপ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্য নির্বাকেই বিসর্জন দেন। সন্তানের বেদনায় যার হৃদয় ভারাক্রান্ত হয়, সন্তানের সাফল্যে যার চোখ আনন্দে দীপ্ত হয় তিনিই মা।

মায়ের মহিমা কোনো নির্দিষ্ট দিবসের সীমায় আবদ্ধ নয়। তবুও আন্তর্জাতিক মা দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশে যেনো আমরা কখনো উদাসীন না হই। আজ পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা। মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা—পৃথিবীর প্রতিটি মাকে শান্তি, সম্মান ও কল্যাণে পরিপূর্ণ রাখুন, ইহকাল ও পরকালে।’

স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সেলিনা আক্তার শেলী বলেন, ‘মা শুধু একটি শব্দ নন, তিনি একজন মানুষের পুরো জীবনের অনুভূতি, শক্তি ও আশ্রয়ের নাম। আমার জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে যিনি নীরবে সাহস জুগিয়েছেন, ব্যর্থতায় পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সাফল্যে সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হয়েছেন তিনি আমার মা।

নিজের স্বপ্ন, ক্লান্তি ও না-পাওয়াগুলো আড়াল করে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার যে অসাধারণ ক্ষমতা একজন মায়ের থাকে, তা সত্যিই অতুলনীয়। আমি আজ যে মানুষ হয়ে উঠছি, তার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমার মায়ের ত্যাগ, ধৈর্য ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার।

অনেক সময় আমরা মায়ের ভালোবাসা বুঝতে পারি না, অভিমান করি, অথচ তাঁর প্রতিটি ছোট ছোট ত্যাগ আমাদের জীবনের ভিত্তি তৈরি করে। মা কখনো নিজের কথা ভাবেন না; সন্তানের হাসিই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

Mother’s Day উপলক্ষে পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, অফুরন্ত ভালোবাসা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। পৃথিবীর প্রতিটি মা ভালো থাকুন, সম্মানিত হোন, আর সন্তানের ভালোবাসায় আজীবন আলোকিত থাকুন। মা দিবসের শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা নিও ‘আম্মু’।’

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তাসকেরাতুন নূর বর্না বলেন, ‘অকুণ্ঠ ভালোবাসার অনন্ত উৎস হলো মা। পৃথিবীর যত স্নিগ্ধ সুন্দর ফুল তার চেয়েও সুশ্রী হলো মা। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ করুণার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি হলো মা। নিঃস্বার্থ ত্যাগের মূর্ত প্রতীক হলো মা,যার স্নেহের  আঁচল আমার জীবনে তপ্ত রোদের শীতল ছাঁয়া হয়ে থাকে। মা হলো অভেদ্য অবলম্বন। সীমাহীন বিসর্জনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 

সততা,নৈতিকতা, সহানুভূতি, ধৈর্য, সাহস,মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা সবকিছু যিনি শেখান তিনি হলেন মা। ধরণীর সকল ইতিবাচক জানতে জাগিয়ে দেন মা। সন্তানের জীবনের ধ্রুবক হলো মা। মা শুধু  একজন ব্যক্তি নন মা হলো অনুভূতি। সবচেয়ে উৎকর্ষ , সবচেয়ে দক্ষ, সব চেয়ে জান্তা, মহাগুরু,আদর্শ শিক্ষক  হলো মা। মা যিনি সন্তানের চাহনি দেখলেই তার মনের অবস্থা, তার চাওয়া বোঝার সক্ষমতা রাখেন।

মা হলো বড় সাইকিয়াট্রিস্ট, মা হলো দার্শনিক, মা ডাক্তার, মা উপদেষ্টা, মা ফ্যাশনডিজাইনার, মা হলো পৃথিবী। সকল কাজের মূল অনুষঙ্গ হলো মা। বিষন্নতা, মলিনতা, হতাশা ও ক্লান্তির মহৌষধ হলো মায়ের ক্রোর। সর্বোচ্চ শাসনভার এবং সবকিছু বন্টণের মহাপাল্লা হলো মায়ের হাত। মায়ের হাসির উজ্জ্বলতা যেন শান্তিপূর্ণ  এক শান্তি। মা হলো কারিগর, সুহৃদ, শান্তি, নিঃস্বার্থ, শাসক, ভিত্তি এবং শক্তিশালী শক্তি। মাকে ভালোবাসার কোনো বিশেষ দিন হয়না তবুও 

এই নির্ধারিত একটি দিনে হাজারো স্মৃতির আল্পনায় খুদে খুদে উপমা দিয়ে আজ মায়ের অর্থাৎ সেই বিশাল হৃদয়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা,অন্তহীন যত্ন, মমতা আর নীরব আত্মত্যাগের  প্রতি রইলো সশ্রদ্ধ সালাম, ভালোবাসা এবং বিনম্র স্বীকৃতি।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।