রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তরুণদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

আবু তাহের, জাককানইবি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের দিক এগোচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে যেমন আগ্রহ ও প্রত্যাশা, তেমনি কিছু উদ্বেগও দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ এবার নজরকাড়া গুরুত্ব পাচ্ছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সম্ভাব্য টালমাটাল পরিস্থিতি এবং নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশ—এসব বিষয় নিয়ে জাতীয় কবি […]

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তরুণদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫১

আবু তাহের, জাককানইবি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের দিক এগোচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে যেমন আগ্রহ ও প্রত্যাশা, তেমনি কিছু উদ্বেগও দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ এবার নজরকাড়া গুরুত্ব পাচ্ছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সম্ভাব্য টালমাটাল পরিস্থিতি এবং নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশ—এসব বিষয় নিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন দৈনিক সকালে’র প্রতিনিধি আবু তাহের ।

ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশা :

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রত্যাশা অনেক। আমি ভোটার হওয়ার পরে এটা প্রথম নির্বাচন, তাই আগ্রহ অনেকাংশে বেশি। একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আশা করছি। আগের সরকার নাগরিকদের ভোটিং অধিকার কেড়ে নিয়েছিলো, গত নির্বাচন গুলোতে দেখা যেতো একজনের ভোট অন্য জন দিয়ে দিতো। এরকম যাতে না হয়, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নিজের ভোট নিজে দিতে চাই। নির্বাচনে কোনো রকম অপ্রত্যাশিত ঘটনার সম্মুখীন হতে চাই না, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ তাদের পছন্দের পার্থীকে ভোট দিতে পারে। নির্বাচন পরবর্তী সরকারের দিকে গোটা বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে। দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করার কঠিন দায়িত্ব তাদের উপর। ছাত্র জনতার প্রত্যাশা, নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণ সবটাই নির্ভর করছে নতুন সরকারের উপর। নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে সব চাইতে বড় প্রত্যাশা, আমার ভাই হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা। আগামীর দিন গুলো বিচার হীনতায় না কাটুক।

সেলিনা শেলী

শিক্ষার্থী, স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগ

ব্যালট বিপ্লব ও আগামীর বাংলাদেশ :

চব্বিশের রক্তস্নাত জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। একজন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া প্রথমবারের ভোটার হিসেবে এই নির্বাচন আমার কাছে কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং আত্মমর্যাদা ও ভোটাধিকারের পুনরুদ্ধার। অতীতের একপাক্ষিক নির্বাচনের তিক্ততা ভুলে আমরা একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দেখতে চাই। যে সরকারই আসুক, তাদের মূলনীতি হওয়া উচিত— ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আমরা চাই জনবান্ধব প্রশাসন, আইনের শাসন, শিক্ষাঙ্গনের শুদ্ধতা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও পরিকল্পিত নগরায়ন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি যেন বাস্তব জনকল্যাণে রূপ নেয়। একই সঙ্গে ক্ষমতার মোহ থেকে জন্ম নেওয়া স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতার অবসান ঘটিয়ে একটি ইনসাফভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়াই আমাদের প্রত্যাশা। এই নির্বাচন হোক বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পুনর্জন্মের সোপান।

জায়েদ আহাম্মদ

শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

নির্বাচন ক্ষমতার পালাবদল নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মুহূর্ত :

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালা বদলের নির্বাচন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় রূপান্তরমূলক মুহূর্ত। এটি নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক গতিপথ; জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে,ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে নাকি পূর্বের রাজনৈতিক কাঠামোর দিকে ধাবিত হবে।আমার প্রত্যাশা নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের নিরাপত্তা বিধান।রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি প্রত্যাশা, আপনারা ভয়-ভীতির রাজনীতি পরিহার করে, নিজেদের দক্ষতা, যোগ্যতা ,সততার মাধ্যমে ভোট জয় করে নিবেন। জয় পরাজয় যাই হোক, আপনারা সুষ্ঠু পরিবেশ ও শৃংখলা বজায় রাখুন। আমাদের কার্যক্রম আমাদের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে, কারণ আমরাই বাংলাদেশ। নির্বাচনকালে উদ্বেগের বিষয় হলো নির্বাচনী সহিংসতা ও নিরাপত্তার অভাব,আন্তর্জাতিক চাপ কূটনৈতিক সংকট । নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে তরুণরা আশাহত হবে।আমার স্বপ্ন,বাংলাদেশ হবে তারুণ্যময়। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের অসাধারণ চিন্তা ভাবনায় দূর্বার গতিতে ছুটে চলবে বাংলাদেশ স্বপ্নের গন্তব্যে। ন্যায়-ইনসাফের কথা বললে,আর কোনো ‘ওসমান হাদি’ কে হারাবে না বাংলাদেশ, বরং বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ থাকবে ‘চির উন্নত মম শির’ হয়ে।

সুমাইয়া আক্তার প্রমী

শিক্ষার্থী, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগ

যুবশক্তির অংশগ্রহণেই বদল আসবে :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। প্রত্যাশা, রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করবে, যাতে জনগণ গণভোটের মাধ্যমে দেশকে স্বৈরাচারের ছায়া থেকে বের করে আনতে পারে। বিশেষ করে যুবশক্তি ও নারীদের সচেতন অংশগ্রহণ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। তবে উদ্বেগও রয়েছে। অতীত নির্বাচনে সহিংসতা, ভোট কারচুপি ও অস্থিরতার অভিজ্ঞতা মানুষের মনে ভয় সৃষ্টি করেছে। বেকারত্ব, দুর্বল স্বাস্থ্যসেবা, দুর্নীতি এবং নৃগোষ্ঠীদের ওপর হামলার ঘটনা এই শঙ্কাকে আরও বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বার্থের ঊর্ধ্বে না ওঠে, তবে গণতন্ত্রই ঝুঁকির মুখে পড়বে। আমি স্বপ্ন দেখি এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে মেয়েরা নিরাপদ, রোগীরা অবহেলামুক্ত চিকিৎসা পায়, যুবকরা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান পায়, দরিদ্ররা ঘুষ ছাড়াই সেবা পায় এবং নৃগোষ্ঠীরা ভয়ে নয়, মর্যাদায় বাঁচে। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব যদি নির্বাচিত সরকার শিক্ষা সংস্কার, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে এবং একই সঙ্গে আমরা জনগণও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করি।

জাকিয়া সুলতানা

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আমার মনে একসাথে আশা ও উদ্বেগ কাজ করছে। আমি চাই, এবারের নির্বাচন সত্যিকার অর্থে সবার অংশগ্রহণে হোক, যেখানে ভোট হবে মানুষের মতামতের প্রতিফলন—কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়। সহিংসতামুক্ত, শান্ত ও নিরাপদ পরিবেশে মানুষ ভোট দিক, কারণ সাধারণ মানুষ এখন অস্থিরতা নয়, স্বস্তি চায়। নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা—দ্রব্যমূল্যের চাপ কমানো, তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং শিক্ষিত যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করা। নির্বাচন ঘিরে দ্বন্দ্ব বাড়লে দেশ আবার অস্থিতিশীল হতে পারে—এটাই বড় শঙ্কা। আমি চাই, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে প্রতিশোধের রাজনীতি না হোক এবং ফল যাই হোক, জনগণের বিশ্বাস ফিরে আসুক। যে সরকারই আসুক, অর্থনীতি, চাকরি, টাকার মান ও দুর্নীতির মতো সমস্যার কার্যকর সমাধান চাই, যাতে মানুষ হতাশা ও বেকারত্ব থেকে মুক্তি পায়।

তাসকেরাতুন নূর বর্না

শিক্ষার্থী, নৃবিজ্ঞান বিভাগ

রাষ্ট্র সংস্কারের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্র সংস্কারের গণভোট একসাথে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পরে দেশে নির্বাচনী আমেজ ফিরে এসেছে, এই উৎসবমুখর পরিবেশে আশা করছি, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মূল্যবোধ ধারণকারী বাংলাদেশপন্থীরা দেশ পরিচালনায় আসবে, ইনশাআল্লাহ। নির্বাচন কেন্দ্রিক কিছু সহিংসতার ঘটনা ইতোমধ্যেই ঘটেছে। বিশেষ করে অনলাইনে নারীদের প্রতি সাইবার বুলিং, এবং সরাসরি অনেক স্থানে নারীদের প্রতি হামলার খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসবের মাঝেও আমরা নির্বাচন পরবর্তী সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি—একটি দুর্নীতিমুক্ত, ইনসাফভিত্তিক সমাজ কাঠামোর, যেখানে সবাই সমান সুযোগ ও মর্যাদা পাবে, ইনশাআল্লাহ।

রফিকুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।