সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বাকৃবির সোহরাওয়ার্দী হলের তিন দিনব্যাপী ফিস্টের সমাপনী

বাকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের লেভেল-১, সেমিস্টার-২ এর শিক্ষার্থীদের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘ফিনিক্স কার্নিভাল ফিস্ট’ সম্পন্ন হয়েছে। গত ২১ আগস্ট শুরু হওয়া এ আয়োজন আজ (২৩ আগস্ট) সমাপনী দিনে এসে শেষ হয়। শিক্ষার্থীরা প্রথম দিনে বিকাল পাঁচটায় একটি আনন্দ র‍্যালি বের করে। র‍্যালিটি বিভিন্ন ছাত্রী ও ছাত্র হলের সামনে ঘুরে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ০১:২০

বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের লেভেল-১, সেমিস্টার-২ এর শিক্ষার্থীদের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘ফিনিক্স কার্নিভাল ফিস্ট’ সম্পন্ন হয়েছে। গত ২১ আগস্ট শুরু হওয়া এ আয়োজন আজ (২৩ আগস্ট) সমাপনী দিনে এসে শেষ হয়।

শিক্ষার্থীরা প্রথম দিনে বিকাল পাঁচটায় একটি আনন্দ র‍্যালি বের করে। র‍্যালিটি বিভিন্ন ছাত্রী ও ছাত্র হলের সামনে ঘুরে কেয়ার মার্কেট প্রদক্ষিণ করে হলে ফিরে আসে। সন্ধ্যায় হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোঃ বজলুর রহমান মোল্ল্যা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো আব্দুল আলীম উপস্থিত থেকে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

দ্বিতীয় দিনে জুনিয়র শিক্ষার্থীরা সিনিয়রদের সঙ্গে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলেন। বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে জাঁকজমকপূর্ণ ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হয়,

যা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরের দর্শনার্থীরা উপভোগ করেন। পরে সন্ধ্যা সাতটায় কেয়ার মার্কেট এলাকায় আরেকটি ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হয়। এর পর শিক্ষার্থীরা আয়োজন করে তাদের গ্র্যান্ড ডিনার।

তৃতীয় দিনে কালার ফিস্ট ও পুল পার্টির আয়োজন করা হয়। আর রাতে অনুষ্ঠিত হয় রাজকীয় কালচারাল নাইট। যেখানে শিক্ষার্থীরা গান, নাচ, অভিনয়সহ নানা প্রতিভার প্রকাশ ঘটান। এর মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী আনন্দ-উৎসবমুখর ‘ফিনিক্স কার্নিভাল ফিস্ট’-এর সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনন্দের জন্য নয়, বরং নতুন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ করে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর সবার সঙ্গে একসঙ্গে মিশে যাওয়ার একটি সময় প্রয়োজন হয়।

ফিস্টের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সেই সুযোগ তৈরি করে দেয়। এতে করে একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্ব দৃঢ় হয়, নতুন পরিবেশে সহজে মানিয়ে নেওয়া যায় এবং একসঙ্গে পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়ে থাকে।

একই বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী নাফি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে ওঠার পর সিনিয়রদের কাছ থেকে কেমন ব্যবহার পাওয়া যাবে তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই এক ধরনের কৌতূহল থাকে। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী হলের অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন।

এমন আন্তরিক ও সহযোগিতাপরায়ণ সিনিয়র পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। সিনিয়ররা শুধু পড়াশোনাতেই নয়, ক্যাম্পাস জীবনের নানা দিকেও দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ফলে নতুন শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই একটি পরিবারিক পরিবেশের অভিজ্ঞতা পাচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মানসিকভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে।

 শিক্ষার্থী মাফি বলেন, ফ্ল্যাশ মব এবং ডিনারের এই আয়োজন দীর্ঘদিন স্মৃতিতে থেকে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই এমন একটি আয়োজন শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দ, উচ্ছ্বাস এবং ঐক্যের বার্তা দিয়েছে।

শুধু খাবার আর সাংস্কৃতিক আয়োজন নয় বরং এখানে সবার অংশগ্রহণ ও উদ্দীপনাই ছিল সবচেয়ে বড় দিক। আমার মতে এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে এবং ভবিষ্যতে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করে।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজাহিদ বলেন,” আমরাও যখন লেভেল-১ এ ছিলাম, তখন এই আয়োজন করেছি। এখন জুনিয়ররা সুন্দরভাবে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। এটা আমাদের সবার জন্যই আনন্দের।”

আয়োজন সম্পর্কে হলের সিনিয়র শিক্ষার্থী মো. শাহীন জানান,” ঐতিহাসিক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ৫৭ ব্যাচের তিন দিন ব্যাপী ফিস্টের প্রোগ্রাম নিঃসন্দেহে ভাতৃত্বের মেলবন্ধন। আনন্দ, ফূর্তিবাজিতে মেতে উঠে সবাই।এই ফিস্টের মাধ্যমে সিনিয়র -জুনিয়র সম্পর্কে যেন নতুন মাত্রা যুক্ত হয়।আর এই সম্পর্ক বজায় রেখে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল পরিবার সামনে এগিয়ে যেতে চায়।”

আরেক সিনিয়র শিক্ষার্থী মো. নুরনবী বলেন,” এই ধরনের অনুষ্ঠান আমাদের সেই ব্যস্ততার ফাঁকে একটু ভিন্ন স্বাদ এনে দেয়।এখানে আমরা পরিবার থেকে দূরে থেকেও নতুন এক পরিবার তৈরি করি, যেখানে সম্পর্ক,সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আমাদের একত্রে রাখে।আমি আশা করি এই অনুষ্ঠান আমাদের মনে দীর্ঘদিন আনন্দের স্মৃতি হিসেবে থেকে যাবে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।