বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ছাত্রদলে ছাত্র নাই সব বস্তির টোকাই: এমপি রায়হান সিরাজী

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী বলেছেন, “ম্যাডাম খালেদা জিয়া আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘ছাত্রদলে ছাত্র নাই, সব বস্তির টোকাই।’ এটি আমাদের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নয়, এটি বেগম খালেদা জিয়ারই বক্তব্য।” জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে রংপুরের শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত […]

ছাত্রদলে ছাত্র নাই সব বস্তির টোকাই: এমপি রায়হান সিরাজী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:২০

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী বলেছেন, “ম্যাডাম খালেদা জিয়া আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘ছাত্রদলে ছাত্র নাই, সব বস্তির টোকাই।’ এটি আমাদের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নয়, এটি বেগম খালেদা জিয়ারই বক্তব্য।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে রংপুরের শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বুধবার সন্ধ্যায় রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বক্তব্যে সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী বলেন, ‘ইংরেজি ক্যালেন্ডারে আজ ৫ আগস্ট হলেও তরুণ প্রজন্মের ক্যালেন্ডারে আজ ৩৬শে জুলাই। এই ৩৬শে জুলাইয়ে বর্তমান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব কারাগার থেকে বেরিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, ‘ছোট ছোট মাসুম বাচ্চারা আজ আমাদেরকে কারাগার থেকে মুক্ত করেছেন।’

তবে দুই বছর পেরিয়ে যেতে না যেতেই সেই মাসুম বাচ্চারা নাকি আজ তাদের কাছে বড় বেয়াদব হয়ে গেছে। এই পরিবর্তন তরুণ প্রজন্ম দেখতে চায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্বাচন ও সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘চারটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসায় হঠাৎ করে ছাত্রলীগের প্রতিচ্ছবি জাতির সামনে ভেসে উঠেছে। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন ছাত্র শিবির নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে হোয়াইট ওয়াশ করেছিল, সেদিন থেকেই তাদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন জুলাই প্রদর্শনী চলছিল, তখন ছাত্রদলের ভাইয়েরা গিয়ে সাঈদী, নিজামী ও মুজাহিদের ছবি সরাতে বলেন। অথচ এই নেতাদের পাশে নিয়ে একসময় বেগম খালেদা জিয়া নিজেই সরকার পরিচালনা করেছেন।

তাদের বিচার যদি অন্যায় হয়, তবে খালেদা জিয়ার মামলা কিংবা তারেক জিয়ার সাজাও জুলুম ছিল। আমরা স্পষ্ট বলি, ফ্যাসিবাদের আমলের সকল বিচারই ছিল বিচারের নামে জুলুম।”

তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি রংপুরের জনগণ আপনাদেরকে লালকার্ড দেখিয়েছে। ছাত্র-জনতার গণজোয়ার দেখে সেদিন আপনারা দিকবিদিক পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরদিন টোকাইদের সম্মেলন ডেকে তাদের হাতে রামদা ও অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন।’

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও মতিউর রহমান নিজামীর ব্যানারে আঘাত করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা আলেম-ওলামাদের ব্যানারে জুতা দিয়ে আঘাত করেছেন, তাদের লক্ষণ ভালো নয়। শাহবাগেও এমন চিত্র দেখা গিয়েছিল, যার পরিণতিতে হ্যালিকপ্টারে চড়ে পলায়ন করতে হয়েছিল। আলেম-ওলামা এবং জাতির কলিজার টুকরা সাঈদীকে নিয়ে তামাশা করবেন না।’

গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল।

মহানগর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক কাজলের সঞ্চালনায় সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন রংপুর মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)

রংপুর জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, মহানগর সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহানগর সাধারণ সম্পাদক মুফতি নেয়ামত উল্লাহ, এবি পার্টির মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবার রহমান মাহবুব, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রংপুর জেলা সভাপতি হামিদুর রহমান, মহানগর সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসেন এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি রাকিব মুরাদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪