শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাসের সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-৪, বাস ভাংচুর

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা শ্যামলী পরিবহন ও বিসমিল্লাহ মিনি বাসের সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চার জন আহত হয়েছে। এতে শ্যামলী পরিবহন বাসের যাত্রী ড্যাফোডিল বিশ্ব বিদ্যালয়ের দুই ছাত্র ও বিসমিল্লাহ পরিবহনের হেল্পার ও সুপার ভাইজার আহত হয়েছে। উত্তেজিত স্থানীয় জনতা শ্যামলী পরিবহনের বাস ভাংচুর করেছে। আহত ছাত্ররা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ মে ২০২৫, ০০:০৯

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা

শ্যামলী পরিবহন ও বিসমিল্লাহ মিনি বাসের সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চার জন আহত হয়েছে। এতে শ্যামলী পরিবহন বাসের যাত্রী ড্যাফোডিল বিশ্ব বিদ্যালয়ের দুই ছাত্র ও বিসমিল্লাহ পরিবহনের হেল্পার ও সুপার ভাইজার আহত হয়েছে। উত্তেজিত স্থানীয় জনতা শ্যামলী পরিবহনের বাস ভাংচুর করেছে। আহত ছাত্ররা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বিসমিল্লাহ গাড়ীর হেল্পা ফয়সাল ও সুপার ভাইজার বিকাশ ধুপিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ শ্যামলী পরিবহনের বাস দুটি তাদের হেফাজতে নিয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের বরগুনার আমতলী চৌরাস্তায় শুক্রবার দুপুরে।

জানাগেছে, বরিশাল ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ জন শিক্ষার্থী এবং তিন শিক্ষক রোভার স্কাউটের প্রশিক্ষণ শেষে শুক্রবার দুইটি শ্যামলী পরিবহন গাড়ীতে কুয়াকাটা যাচ্ছিল। পথিমধ্যে আমতলী চৌরাস্তায় জ্যাম পড়ে। ওই জ্যামের মধ্যে ছিল বিসমিল্লাহ মিনি বাস। শ্যামলী পরিবহন গাড়ীর হেল্পার বিসমিল্লাহ বাসের চালককে সাইট দিতে বলে। এ নিয়ে দুই গাড়ীর হেল্পারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায় শ্যামলী পরিবহনের হেল্পারকে বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার ধাক্কায় দেয়। এ জের ধরে শ্যামলী পরিবহনের শিক্ষার্থীরা বাস থেকে নেমে বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার সালমানকে মারধর করে। এতে স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে শিক্ষার্থীরা গাড়ীতে ওঠে যায়। এমন সময় উত্তেজিত জনতা শ্যামলী পরিবহনের বাসটির ভাংচুর করেছে। খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ও নৌ-বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ শ্যামলী পরিবহনের বাস দুটি তাদের হেফাজতে নেয়।

আহত দুই শিক্ষার্থী ও হেল্পার সালমান, সুপার ভাইজার বিকাশ ধুপিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালে দুই শিক্ষার্থী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যায়। গুরুতর আহত বাস হেল্পারকে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছেন।

বিসমিল্লাহ বাসের সুপার ভাইজার বিকাশ ধুপী বলেন, শ্যামলী পরিবহন বাসের হেল্পার এসে আমার গাড়ীকে সাইট দিতে বলে। কিন্তু জ্যাম থাকার কারনে সাইট দিতে পারিনি না। এমন সময় শ্যামলী পরিবহন বাসের হেল্পার আর আমার বাসের হেল্পারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায় শ্যামলী পরিবহন বাসের যাত্রী শিক্ষার্থীরা আমার বাসের হেল্পাকে বেধরক মারধর করে। আমি তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলেও আমাকে মারধর করে। এমন অবস্থা দেখে স্থানীয় জনতা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে। তবে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরো বলেন, আমার বাসের হেল্পার সালমানের এখন পর্যন্ত জ্ঞান ফেরেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ছাত্র বলেন, ভুলটা আমাদেরই হয়েছে। আমাদের সাথের কিছু সহপাঠী ওই গাড়ী হেল্পারকে না মারলে এমন ঘটনা ঘটতো না। তারা আরো বলেন, স্থানীয় জনতা আমাদের দুই জনকে মারধর এবং গাড়ী ভাংচুর করেছে।

আমতলী থানার এসআই জলিলুর রহমান বলেন, সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রী ও বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পারের মধ্যে মারধর ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বরগুনা বাস-মিনি বাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক মোঃ হাসান মৃধা বলেন, বিসমিল্লাহ বাসের গাড়ীর হেল্পার ও সুপার ভাইজারকে মারধর করেছে। বিষয়টি নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো বলেন, ছাত্ররা বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার ও সুপার ভাইজারকে মারধর না করলে এমন ঘটনা ঘটতো না।

আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। নিরাপত্তা কথা চিন্তা করে শ্যামলী পরিবহনের বাস দুটি থানা হেফাজতে আনা হয়। কোন পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, তবে উভয় পক্ষ বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে ।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।