সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাসের সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-৪, বাস ভাংচুর

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা শ্যামলী পরিবহন ও বিসমিল্লাহ মিনি বাসের সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চার জন আহত হয়েছে। এতে শ্যামলী পরিবহন বাসের যাত্রী ড্যাফোডিল বিশ্ব বিদ্যালয়ের দুই ছাত্র ও বিসমিল্লাহ পরিবহনের হেল্পার ও সুপার ভাইজার আহত হয়েছে। উত্তেজিত স্থানীয় জনতা শ্যামলী পরিবহনের বাস ভাংচুর করেছে। আহত ছাত্ররা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ মে ২০২৫, ০০:০৯

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা

শ্যামলী পরিবহন ও বিসমিল্লাহ মিনি বাসের সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চার জন আহত হয়েছে। এতে শ্যামলী পরিবহন বাসের যাত্রী ড্যাফোডিল বিশ্ব বিদ্যালয়ের দুই ছাত্র ও বিসমিল্লাহ পরিবহনের হেল্পার ও সুপার ভাইজার আহত হয়েছে। উত্তেজিত স্থানীয় জনতা শ্যামলী পরিবহনের বাস ভাংচুর করেছে। আহত ছাত্ররা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বিসমিল্লাহ গাড়ীর হেল্পা ফয়সাল ও সুপার ভাইজার বিকাশ ধুপিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ শ্যামলী পরিবহনের বাস দুটি তাদের হেফাজতে নিয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের বরগুনার আমতলী চৌরাস্তায় শুক্রবার দুপুরে।

জানাগেছে, বরিশাল ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ জন শিক্ষার্থী এবং তিন শিক্ষক রোভার স্কাউটের প্রশিক্ষণ শেষে শুক্রবার দুইটি শ্যামলী পরিবহন গাড়ীতে কুয়াকাটা যাচ্ছিল। পথিমধ্যে আমতলী চৌরাস্তায় জ্যাম পড়ে। ওই জ্যামের মধ্যে ছিল বিসমিল্লাহ মিনি বাস। শ্যামলী পরিবহন গাড়ীর হেল্পার বিসমিল্লাহ বাসের চালককে সাইট দিতে বলে। এ নিয়ে দুই গাড়ীর হেল্পারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায় শ্যামলী পরিবহনের হেল্পারকে বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার ধাক্কায় দেয়। এ জের ধরে শ্যামলী পরিবহনের শিক্ষার্থীরা বাস থেকে নেমে বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার সালমানকে মারধর করে। এতে স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে শিক্ষার্থীরা গাড়ীতে ওঠে যায়। এমন সময় উত্তেজিত জনতা শ্যামলী পরিবহনের বাসটির ভাংচুর করেছে। খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ও নৌ-বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ শ্যামলী পরিবহনের বাস দুটি তাদের হেফাজতে নেয়।

আহত দুই শিক্ষার্থী ও হেল্পার সালমান, সুপার ভাইজার বিকাশ ধুপিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালে দুই শিক্ষার্থী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যায়। গুরুতর আহত বাস হেল্পারকে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছেন।

বিসমিল্লাহ বাসের সুপার ভাইজার বিকাশ ধুপী বলেন, শ্যামলী পরিবহন বাসের হেল্পার এসে আমার গাড়ীকে সাইট দিতে বলে। কিন্তু জ্যাম থাকার কারনে সাইট দিতে পারিনি না। এমন সময় শ্যামলী পরিবহন বাসের হেল্পার আর আমার বাসের হেল্পারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায় শ্যামলী পরিবহন বাসের যাত্রী শিক্ষার্থীরা আমার বাসের হেল্পাকে বেধরক মারধর করে। আমি তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলেও আমাকে মারধর করে। এমন অবস্থা দেখে স্থানীয় জনতা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে। তবে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরো বলেন, আমার বাসের হেল্পার সালমানের এখন পর্যন্ত জ্ঞান ফেরেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ছাত্র বলেন, ভুলটা আমাদেরই হয়েছে। আমাদের সাথের কিছু সহপাঠী ওই গাড়ী হেল্পারকে না মারলে এমন ঘটনা ঘটতো না। তারা আরো বলেন, স্থানীয় জনতা আমাদের দুই জনকে মারধর এবং গাড়ী ভাংচুর করেছে।

আমতলী থানার এসআই জলিলুর রহমান বলেন, সাইট দেয়াকে কেন্দ্র করে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রী ও বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পারের মধ্যে মারধর ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বরগুনা বাস-মিনি বাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক মোঃ হাসান মৃধা বলেন, বিসমিল্লাহ বাসের গাড়ীর হেল্পার ও সুপার ভাইজারকে মারধর করেছে। বিষয়টি নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো বলেন, ছাত্ররা বিসমিল্লাহ বাসের হেল্পার ও সুপার ভাইজারকে মারধর না করলে এমন ঘটনা ঘটতো না।

আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। নিরাপত্তা কথা চিন্তা করে শ্যামলী পরিবহনের বাস দুটি থানা হেফাজতে আনা হয়। কোন পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, তবে উভয় পক্ষ বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।