বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

রাজধানীর আরও ৫০টি ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঢাকার ১৩টি পয়েন্টে বসানো হয় সেমি অটোমেটেড ট্রাফিক সিগন্যাল। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এসব সিগনালের কয়েকটিতে পরীক্ষামূলকভাবে সংযোজন করা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরা। এই তালিকায় এবার যুক্ত হচ্ছে দুই সিটি করপোরেশনের আরও ৫০টি ইন্টারসেকশনে। নতুন ৫০টির মধ্যে ২৮টি সিগনাল বসছে ঢাকা উত্তর ও ২২টি বসছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। […]

রাজধানীর আরও ৫০টি ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৭

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঢাকার ১৩টি পয়েন্টে বসানো হয় সেমি অটোমেটেড ট্রাফিক সিগন্যাল। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে নির্মিত এসব সিগনালের কয়েকটিতে পরীক্ষামূলকভাবে সংযোজন করা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরা।

এই তালিকায় এবার যুক্ত হচ্ছে দুই সিটি করপোরেশনের আরও ৫০টি ইন্টারসেকশনে। নতুন ৫০টির মধ্যে ২৮টি সিগনাল বসছে ঢাকা উত্তর ও ২২টি বসছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে।

চালকরা বলছেন, এখন একটা ভয় কাজ করে যে গেলে হয়তো এআইর মামলা হয়ে যেতে পারে। সতর্ক থাকার জন্য বর্তমানে এই সিস্টেমটা দরকার আছে, এটা সরকারে খুব ভালো একটি উদ্যোগ।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. হাদিউজ্জামান বলেন, এখন যেটি বসানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ অটোমেটেড। এটি চালাতে আর অপারেটর লাগবে না। এটা ডিমান্ড রেসপন্সিভ এবং একইসঙ্গে যিনি ট্রাফিক পুলিশ আছেন, তিনি চাইলে হাতের ট্যাব দিয়ে পরিবর্তন করে দিতে পারবেন।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, একটা প্রিকনসিভ আইডিয়া থেকে লোকজনকে বের করে নিয়ে এসে একটা ডিসিপ্লিনের পর্যায়ে পৌঁছানো, এটা কিন্তু রাতারাতি সম্ভব না। আমরা একটা ব্যাপারে সন্তুষ্ট, সাধারণ লোকজন এটিকে সাধুবাদ জানিয়েছে। এটির বিপক্ষে কেউ নেই।

তবে এআই ক্যামেরাযুক্ত সিগনালিং নিয়ে সংশ্লিষ্টদের অভিজ্ঞতা মিশ্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কে ফিটনেসবিহীন ও নিয়মবহির্ভুত যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, মিলবে না কাঙ্ক্ষিত সুফল।

ট্রাফিক সার্জেন্ট তারিকুল বলেন, যেখানে যত্রতত্র মানুষের পারাপার কিংবা ব্যাটারিচালিত রিকশা চলে, সেখানে ওই এআই সিগন্যাল সিস্টেমটা সেভাবে কাজ করতে পারতেছেন না।

নতুন এসব সিগনাল পরিচালনা করতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নতুন লোকবল, যা ব্যয় বাড়াছে প্রকল্পের। পুলিশ বলছে, প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে ট্রাফিক টেকনিকাল ইউনিট নামের একটি বিশেষায়িত ইউনিট।

রাজধানী

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, […]

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২৩

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং এর থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মানুষের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার একটি দায়িত্ব তাদের রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে কর্মসূচি শুরু হবে।

লং মার্চের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চিঠি দেওয়া হয়েছিল এবং আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাড়িবহর সড়কের একটি লাইন ব্যবহার করবে। অন্য লাইনগুলোতে লং মার্চের কোনো গাড়ি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কর্মসূচি ঘিরে বেশ কিছু পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়েছে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ এমনিতেই অস্বস্তিতে রয়েছে। দাবি আদায়ের কর্মসূচির কারণে যেন নতুন করে মানুষের ভোগান্তি না হয় এবং কোনো অ্যাম্বুলেন্স যাতে আটকে না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

গাড়িবহরের আকার প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি যাবে। সেটাও আমরা সংকুচিত করে প্রায় এক হাজার গাড়িতে নিয়ে এসেছি।”

লং মার্চের সূচি তুলে ধরে তিনি জানান, সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সেখানে উদ্বোধনী কর্মসূচি ও শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য থাকবে। এরপর সিরিয়াল অনুযায়ী গাড়িগুলো চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে।

ঢাকা ছাড়ার পর প্রথম পথসভা হবে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ট্রাক স্ট্যান্ডে। সকাল ৯টার দিকে সেখানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লায় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অংশগ্রহণকারীদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে।

পরবর্তী গন্তব্য ফেনীর মহিপাল। সম্ভাব্য সময় দুপুর ৩টা। সেখানে এনসিপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এরপর গাড়িবহর মিরসরাইয়ে পৌঁছাবে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি শেষে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করা হবে। রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে বড় ধরনের জনসমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, লং মার্চের পথে সাধারণ মানুষের কথা শুনতে চান তারা। স্থানীয় মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জেনে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্লেন ও হেলিকপ্টার ভাড়া করে লোকজন নিয়ে হল ভর্তি করে। অন্যদিকে তারা জনগণের প্রয়োজনেই মানুষের কাছে যাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।

রাজধানী

উল্টো পথে এসে সার্জেন্টের সঙ্গে লেডি বাইকারের বাকবিতণ্ডা,লেডি বাইকার সুমাইয়া ও তার স্বামীর সশ্রম কারাদণ্ড

রাজধানীর পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানো এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় নারীসহ দুইজনকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান। ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশে তারা উল্টো পথে মোটরসাইকেল নিয়ে আসছিলেন। দায়িত্বে […]

উল্টো পথে এসে সার্জেন্টের সঙ্গে লেডি বাইকারের বাকবিতণ্ডা,লেডি বাইকার সুমাইয়া ও তার স্বামীর সশ্রম কারাদণ্ড

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৫১

রাজধানীর পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানো এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় নারীসহ দুইজনকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান।

ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশে তারা উল্টো পথে মোটরসাইকেল নিয়ে আসছিলেন। দায়িত্বে থাকা এক ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের থামিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে গেলে তারা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে নারী আরোহীকে ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়। পরে সরকারি কাজে বাধা, অসদাচরণ ও হেনস্তার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে তাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ডিএমপি জানিয়েছে, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।