বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গুণকীর্তনের’ গানে শেখ হাসিনার নাম: নেত্রীসহ ৫ জনকে পুলিশে দিলেন ডিসি

‘যশোর জেলার গুণকীর্তনের’ গানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম থাকায় যশোরে বেগম রোকেয়া পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী নেত্রীসহ পাঁচজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জিমনেসিয়ামে জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে ওই গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জেলা প্রশাসক আয়োজকসহ অতিথিদের পুলিশে সোপর্দ করেন। যশোর জেলা জিমনেসিয়ামে পঞ্চম আন্তর্জাতিক ওপেন কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪ […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ অক্টোবর ২০২৪, ১০:৩৩

‘যশোর জেলার গুণকীর্তনের’ গানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম থাকায় যশোরে বেগম রোকেয়া পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী নেত্রীসহ পাঁচজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জিমনেসিয়ামে জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে ওই গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জেলা প্রশাসক আয়োজকসহ অতিথিদের পুলিশে সোপর্দ করেন।

যশোর জেলা জিমনেসিয়ামে পঞ্চম আন্তর্জাতিক ওপেন কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন, যশোর জয়তী সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক বেগম রোকেয়া পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীনেত্রী অর্চনা বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক সংগঠন শেকড়ের সাধারণ সম্পাদক রওশানা আরা রাসু, বাংলাদেশ সোতোকান কারাতে দো অ্যাসোসিয়েশন (কিউখাই) খুলনা বিভাগের সদস্য সচিব ইমরান হাসান টুটুল, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন যশোরের সভাপতি হুমায়ন কবির ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। অর্চনা বিশ্বাস নারী অধিকার সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিগত সরকারের আমলে (২০২১) বেগম রোকেয়া পুরস্কারে ভূষিত হন।

আয়োজক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার যশোর জিমনেশিয়ামে পঞ্চম আন্তর্জাতিক কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করে বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন। সহযোগিতায় ছিল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জয়তী সোসাইটি। চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলংকার টিম অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম। দুপুর ১২টার দিকে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন শেষে যশোর জেলার গুণকীর্তন করে রচিত ‘খেজুর গুড় আর ফুলের মেলা, নকশিকাঁথার যশোর জেলা’ শিরোনামে গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করে শিশুরা। ওই গানে যশোরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের কথাও রয়েছে। সেই গানের নৃত্য পরিবেশন করায় ক্ষুব্ধ হন জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম। গান শেষে তিনি আয়োজক ও নৃত্য পরিবেশনকারী শিশুদের আটকের নির্দেশ দেন। এক পর্যায়ে আয়োজকরা তাদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেও জেলা প্রশাসক তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। পরে আয়োজকদের অনুরোধে সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেওয়া শিশুদের ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেন ডিসি।

 

অর্চনা বিশ্বাস থানায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি স্বেচ্ছাসেবী ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জয়তী সোসাইটির পরিচালক। এই অনুষ্ঠানের স্পন্সর ছিল জয়তী সোসাইটি। অনুষ্ঠান কিভাবে হবে, কারা থাকবে, সেটা জানি না। পুলিশ আমাকে ডেকে এনে থানায় বসিয়ে রেখেছে।’

রওশন আরা রাসু বলেন, ‘আমি সাংস্কৃতিক কর্মী। শেকড় নামে আমার একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছিল উদ্বোধন পর্বে একটি সাংস্কৃতিক পর্ব থাকবে। সেখানে কয়েকটি নাচের পর্ব থাকবে। তাই আমার সংগঠনের কয়েকজন শিশুদের দিয়ে সেখানে নৃত্য পরিবেশন করে। যশোরের ব্র্যান্ডিং গান হিসেবে পরিচিত ‘খেজুর গুড়ের ফুলের মেলা, নকশির কাঁথার যশোর জেলা’ শিরোনামে গানটিতে নৃত্য পরিবেশন করে তারা। এই গানে যশোরের উন্নয়ন নিয়ে কথা রয়েছে, ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য ছিল না আমাদের।’

যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, উদ্বোধনের পর খেলা শুরুর আগে নাচের সঙ্গে সাউন্ডবক্সে থিম সং বাজানো হচ্ছিল। ওই সঙ্গীত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের কথিত উন্নয়নের ফিরিস্তি নিয়ে রচিত। আমার কাছে মনে হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারকে বিব্রত করতে এই ঘটনা ঘটানো হতে পারে। তাই সঙ্গে সঙ্গে পাঁচজনকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করবে, আসলে তাদের কী লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ছিল।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশে পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনো অভিযোগ ও মামলা দেয়নি কেউ। ডিসি স্যার সিদ্ধান্ত না দিলে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপে যাওয়া যাচ্ছে না।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।