শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় ইন্দুরকানী থানার এসআই ইসমাইল কারাগারে

পিরোজপুর প্রতিনিধি: মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান হত্যা মামলায় পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ও উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এসআই ইসমাইল হোসেন পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার ইন্দুরকানী থানায় কর্মরত ছিলেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে মাগুরার শালিখা আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক বর্ণালী রানী তাঁদের জামিন […]

বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় ইন্দুরকানী থানার এসআই ইসমাইল কারাগারে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৩৩

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান হত্যা মামলায় পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ও উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এসআই ইসমাইল হোসেন পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার ইন্দুরকানী থানায় কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে মাগুরার শালিখা আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক বর্ণালী রানী তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বরিশাল নৌ-পুলিশে কর্মরত অবস্থায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা মশিয়ার রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান জানান, মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি ও ছয়ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মশিয়ার রহমানকে তাঁর বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যান তৎকালীন শালিখা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল হোসেন।

পরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সে সময় ঘটনাটিকে ‘ক্রসফায়ার’ হিসেবে দেখিয়ে শালিখা থানায় একটি মামলা করা হয়েছিল।

নিহত মশিয়ার রহমানের স্ত্রী হাসিনা বেগম ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আদালতে এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল হোসেনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে শালিখা থানাকে নির্দেশ দেন। পরে মামলাটির তদন্ত শুরু হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্যের বিস্তারিত প্রকাশ করেননি তিনি।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রের দাবি, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালনকালে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের ‘ক্রসফায়ারের’ নামে হত্যা এবং এ ধরনের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের জামাতা।

দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় মশিয়ার রহমান হত্যা মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্‌ঘাটিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।