রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কৃষিজমির মাটি কাটার অভিযোগ, ব্যবস্থা চেয়ে কৃষি মন্ত্রীর কাছে কৃষকদের আবেদন

রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পয়ালগাছা ইউনিয়নের পেড্ডা গ্রামে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়ে আশপাশের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে […]

কৃষিজমির মাটি কাটার অভিযোগ, ব্যবস্থা চেয়ে কৃষি মন্ত্রীর কাছে কৃষকদের আবেদন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৯

রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পয়ালগাছা ইউনিয়নের পেড্ডা গ্রামে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়ে আশপাশের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ কৃষিজমি রক্ষায় কৃষকদের গণস্বাক্ষরসহ কৃষিমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, পয়ালগাছা ইউনিয়নের পেড্ডা গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম ও একই গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য খলিলুর রহমানসহ কয়েকজন ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়াই কৃষিজমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। তাদের দাবি, এতে জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি অপসারণ হওয়ায় ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, মাটি কাটার কারণে ফসলি জমির মধ্যে গভীর গর্ত তৈরি হচ্ছে। এতে পাশের জমির মাটি ধসে পড়াসহ কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ায় মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

কৃষকেরা জানান, গত ২ আগস্ট তারা বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। পরে ১২ আগস্ট কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে আরেকটি অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগের পর গত ১৭ আগস্ট সোমবার বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

অভিযানের সময় সাবেক ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলেন, তারা ড্রেজার মেশিন বন্ধ রাখবেন এবং জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে পরবর্তীতে মাটি কাটার কাজ করবেন।

তবে কৃষকদের দাবি, অভিযান শেষে পরদিন থেকেই তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ফসলি জমির মধ্যে তিনটি ড্রেজার মেশিন রয়েছে। যেকোনো সময় সেগুলো আবার চালু করে মাটি কাটা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, কৃষিজমি রক্ষা এবং মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে কৃষিমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে দ্রুত তদন্ত করে কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধ, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিজমি রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো চক্র যাতে কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটতে না পারে, সে বিষয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও অনুরোধ জানিয়েছেন কৃষকেরা।

রোববার (২৩ আগস্ট) এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আকতার মুঠোফোনে বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে কয়েকবার অভিযান করা হয়েছে। আপাতত ড্রেজার মেশিন বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখব।”

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।