মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের গণছুটি: ভোগান্তিতে গলাচিপার গ্রাহকরা

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গলাচিপা জোনাল অফিসের ৪২ জন কর্মচারী সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে গেছেন। এতে অফিসের সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার সংক্রান্ত জটিলতা, বিল সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না পেয়ে বহু গ্রাহক ফিরে যাচ্ছেন। যদিও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, যে কয়জন উপস্থিত আছেন তাদের দিয়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০০:৪৭

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গলাচিপা জোনাল অফিসের ৪২ জন কর্মচারী সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে গেছেন। এতে অফিসের সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার সংক্রান্ত জটিলতা, বিল সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না পেয়ে বহু গ্রাহক ফিরে যাচ্ছেন। যদিও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, যে কয়জন উপস্থিত আছেন তাদের দিয়ে নির্বিঘ্ন সেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।

গত শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংস্কার, চাকরি বৈষম্য দূরীকরণ ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণছুটিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আন্দোলন চলাকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য উপকেন্দ্রগুলোতে দু’জন করে বিদ্যুৎ কর্মী অবস্থান করবেন বলে জানানো হয়। গলাচিপা জোনাল অফিস থেকে জানা গেছে, এই আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে ৮১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৪২ জন একযোগে দরখাস্ত দিয়ে গণছুটিতে গেছেন। সকালে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মচারীরা একত্র হয়ে ছুটির দরখাস্ত জমা দেন এবং পরে অফিস ত্যাগ করেন।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা চলছে। কিন্তু আমাদের দাবি মানা তো দূরের কথা, উল্টো অন্যায়ভাবে বরখাস্ত, বদলি ও চাকরিচ্যুতি করা হচ্ছে। এতে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কর্মরতদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত ও বরখাস্তদের পুনর্বহাল, অব্যবস্থাপনার অবসান, বদলির নামে হয়রানি বন্ধ, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

এদিকে অফিসগুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের সেবায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে। সেবা না পেয়ে ফিরে যাওয়া গ্রাহকদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম, নিখিল মাল, আলমগীর সহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কারো মিটার নষ্ট, কারো বিদ্যুৎ বিল বেশি আসা, আবার কারো নতুন সংযোগের আবেদন দীর্ঘদিন ঝুলে আছে। কিন্তু কর্মকর্তারা না থাকায় এসব সমস্যার কোনো সমাধান হচ্ছে না। গ্রাহকরা বলছেন, সময়, শ্রম ও অর্থ—সবই নষ্ট হচ্ছে। অথচ জরুরি সেবা বন্ধ থাকার কারণে আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। তারা বলেন, অফিস থেকে বলা হচ্ছে আন্দোলন চলছে গণছুটিতে গেছে কর্মচারীরা তাই সেবা বন্ধ।

সরেজমিনে সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে গলাচিপা জোনাল অফিসে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন কক্ষের চেয়ার ফাঁকা কোন কর্মকর্তা কর্মচারী নেই। বিল গ্রহণ বিভাগে ক্যাশিয়ার ও বিল গ্রহণের সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সদস্য রয়েছেন। অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও এজিএমকে পাওয়া গেলোও কোন সেবা দিতে দেখা যায়নি। এছাড়া ২জন লাইনম্যান, ১জন টেকনিশিয়ান কে দেখতে পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে গলাচিপা জোনাল অফিস ও উপকেন্দ্র মিলিয়ে ৩৯ জন কর্মস্থলে উপস্থিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন গলাচিপা জোনাল অফিসের ডিজিএম ছিদ্দিুকুর রহমান তালুকদার।

তিমি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গণছুটিতে গেছেন। কর্মরত ৮১ জনের মধ্যে ৪২জন পটুয়াখালী জিএম স্যারের কাছে দরখাস্ত দিয়ে গণছুটিতে চলে গেছেন। তবে সেবা না পেয়ে ফিরে গেছেন যারা, তাদের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি অফিসের কাজে বাহিরে ছিলাম বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করলে হয়তো সেবা পেতো। তবে তিনি সেবা যে ব্যহত হচ্ছে সেটি স্বীকার করেন।

তিনি আরও জানান, এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কোনো কারণে ট্রিপ না করলে নির্বিঘ্ন বিদ্যুৎ সচল রাখা যাবে। যে কজন উপস্থিত আছে তাই দিয়ে সেবা চালানোর চেষ্টা চলছে বলে জানান। তিনি আশা করেন দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

যদিও গ্রাহক ও স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বিদ্যুৎ সেবায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। বিশেষ করে লোডশেডিং, লাইন মেরামত বা আকস্মিক বিপর্যয়ের সময় পর্যাপ্ত কর্মী না থাকলে গ্রাহকরা আরও ভয়াবহ সংকটে পড়বেন। গত রোববার ০৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ৭ ঘন্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিলো গলাচিপা উপজেলায়। যদিও বিদ্যুৎ অফিস বলছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ ছিলো।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।