শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের গণছুটি: ভোগান্তিতে গলাচিপার গ্রাহকরা

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গলাচিপা জোনাল অফিসের ৪২ জন কর্মচারী সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে গেছেন। এতে অফিসের সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার সংক্রান্ত জটিলতা, বিল সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না পেয়ে বহু গ্রাহক ফিরে যাচ্ছেন। যদিও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, যে কয়জন উপস্থিত আছেন তাদের দিয়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০০:৪৭

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গলাচিপা জোনাল অফিসের ৪২ জন কর্মচারী সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে গেছেন। এতে অফিসের সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার সংক্রান্ত জটিলতা, বিল সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না পেয়ে বহু গ্রাহক ফিরে যাচ্ছেন। যদিও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, যে কয়জন উপস্থিত আছেন তাদের দিয়ে নির্বিঘ্ন সেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।

গত শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংস্কার, চাকরি বৈষম্য দূরীকরণ ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণছুটিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আন্দোলন চলাকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য উপকেন্দ্রগুলোতে দু’জন করে বিদ্যুৎ কর্মী অবস্থান করবেন বলে জানানো হয়। গলাচিপা জোনাল অফিস থেকে জানা গেছে, এই আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে ৮১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৪২ জন একযোগে দরখাস্ত দিয়ে গণছুটিতে গেছেন। সকালে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মচারীরা একত্র হয়ে ছুটির দরখাস্ত জমা দেন এবং পরে অফিস ত্যাগ করেন।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা চলছে। কিন্তু আমাদের দাবি মানা তো দূরের কথা, উল্টো অন্যায়ভাবে বরখাস্ত, বদলি ও চাকরিচ্যুতি করা হচ্ছে। এতে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কর্মরতদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত ও বরখাস্তদের পুনর্বহাল, অব্যবস্থাপনার অবসান, বদলির নামে হয়রানি বন্ধ, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

এদিকে অফিসগুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের সেবায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে। সেবা না পেয়ে ফিরে যাওয়া গ্রাহকদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম, নিখিল মাল, আলমগীর সহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কারো মিটার নষ্ট, কারো বিদ্যুৎ বিল বেশি আসা, আবার কারো নতুন সংযোগের আবেদন দীর্ঘদিন ঝুলে আছে। কিন্তু কর্মকর্তারা না থাকায় এসব সমস্যার কোনো সমাধান হচ্ছে না। গ্রাহকরা বলছেন, সময়, শ্রম ও অর্থ—সবই নষ্ট হচ্ছে। অথচ জরুরি সেবা বন্ধ থাকার কারণে আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। তারা বলেন, অফিস থেকে বলা হচ্ছে আন্দোলন চলছে গণছুটিতে গেছে কর্মচারীরা তাই সেবা বন্ধ।

সরেজমিনে সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে গলাচিপা জোনাল অফিসে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন কক্ষের চেয়ার ফাঁকা কোন কর্মকর্তা কর্মচারী নেই। বিল গ্রহণ বিভাগে ক্যাশিয়ার ও বিল গ্রহণের সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সদস্য রয়েছেন। অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও এজিএমকে পাওয়া গেলোও কোন সেবা দিতে দেখা যায়নি। এছাড়া ২জন লাইনম্যান, ১জন টেকনিশিয়ান কে দেখতে পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে গলাচিপা জোনাল অফিস ও উপকেন্দ্র মিলিয়ে ৩৯ জন কর্মস্থলে উপস্থিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন গলাচিপা জোনাল অফিসের ডিজিএম ছিদ্দিুকুর রহমান তালুকদার।

তিমি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গণছুটিতে গেছেন। কর্মরত ৮১ জনের মধ্যে ৪২জন পটুয়াখালী জিএম স্যারের কাছে দরখাস্ত দিয়ে গণছুটিতে চলে গেছেন। তবে সেবা না পেয়ে ফিরে গেছেন যারা, তাদের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি অফিসের কাজে বাহিরে ছিলাম বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করলে হয়তো সেবা পেতো। তবে তিনি সেবা যে ব্যহত হচ্ছে সেটি স্বীকার করেন।

তিনি আরও জানান, এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কোনো কারণে ট্রিপ না করলে নির্বিঘ্ন বিদ্যুৎ সচল রাখা যাবে। যে কজন উপস্থিত আছে তাই দিয়ে সেবা চালানোর চেষ্টা চলছে বলে জানান। তিনি আশা করেন দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

যদিও গ্রাহক ও স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বিদ্যুৎ সেবায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। বিশেষ করে লোডশেডিং, লাইন মেরামত বা আকস্মিক বিপর্যয়ের সময় পর্যাপ্ত কর্মী না থাকলে গ্রাহকরা আরও ভয়াবহ সংকটে পড়বেন। গত রোববার ০৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ৭ ঘন্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিলো গলাচিপা উপজেলায়। যদিও বিদ্যুৎ অফিস বলছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ ছিলো।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।