সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ভিপি প্রার্থী নিয়ে বিরোধ, আইন বিভাগে বৈঠক পণ্ড

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনে আইন বিভাগ থেকে ভিপি পদে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একক প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় বৈঠকটি পণ্ড হয়ে যায়। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের এক বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। গকসুর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ আগস্ট ২০২৫, ১৬:৫৯

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনে আইন বিভাগ থেকে ভিপি পদে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একক প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় বৈঠকটি পণ্ড হয়ে যায়।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের এক বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে।

গকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, চার বছর মেয়াদি স্নাতক কোর্সের ২য় থেকে ৭ম সেমিস্টার, পাঁচ বছর মেয়াদি স্নাতক কোর্সের ২য় থেকে ৯ম সেমিস্টার এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শুধুমাত্র প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য।

তবে গঠনতন্ত্রে কোনো বিভাগ থেকে একক প্রার্থী ঘোষণা বা প্রার্থিতায় বাধা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ নেই। এ কারণে আইন বিভাগের বৈঠকটিকে অনেকেই নিয়মবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেছেন।

পণ্ড হওয়া বৈঠকে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গকসুর বিভিন্ন পদে আইন বিভাগ থেকে একাধিক প্রার্থী দাঁড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় সম্ভাব্য ভিপি প্রার্থী খোদার নূর রনি ও রাকিব মুসল্লি সব সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করেন।

সেখানে সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস), সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস), দপ্তর সম্পাদক এবং প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক পদে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। ভিপি পদে তিনজন শিক্ষার্থী প্রার্থিতা জানানোর পর কয়েকজন বৈঠকে ভোটের মাধ্যমে একক প্রার্থী নির্ধারণের প্রস্তাব দেন।

এ সময় চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা আলোচনার জন্য আরও দুই দিনের সময় চেয়ে বসেন। বিষয়টি কেন্দ্র করে খোদার নূর রনি ও রাকিব মুসল্লির সমর্থকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয় এবং একপর্যায়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বৈঠক থেকে বের হয়ে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈঠকে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী জানান, “দুপুরে ক্লাস স্থগিত করে হঠাৎ ওই বৈঠকে ডাকা হয়। সেখানে শোনা যায়, একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। আলোচনার একপর্যায়ে ৩০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. জুবায়েদ ও ২৮ ব্যাচের রাকিবুল জয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, যা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।”

এদিকে ঘটনার একটি ভিডিও এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।

ভিপি প্রার্থী খোদার নূর রনি এ বিষয়ে বলেন, “বৈঠকটি ছিল বিভাগীয়, যেখানে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। আসলে হাতাহাতি হয়নি, তবে সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে কিছু অসৌজন্যমূলক আচরণ হয়েছিল, যা উপস্থিত সিনিয়ররা সেখানেই মীমাংসা করে দেন। তাই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে নেয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি একক প্রার্থী ঘোষণার বিপক্ষে ছিলাম। আমার বক্তব্য ছিল শিক্ষার্থীদের মতামত নেয়া জরুরি। তারা চাইলে একক প্রার্থী দেবে, নইলে একাধিক প্রার্থীকে সমর্থন করবে। তবে ভোট প্রক্রিয়া জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া বা চাপ সৃষ্টির চেষ্টা সঠিক নয়। যোগ্যরা কাজের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করবে।”

অন্যদিকে ভিপি প্রার্থী রাকিব মুসল্লি জানান, “সব ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে, যদিও এর আগে আরও দু’বার এমন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। একাধিক প্রার্থী থাকায় শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে কয়েকজনকে চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা করা হয়। গঠনতন্ত্রের বাইরে হলেও বিভাগের স্বার্থে আমি এতে সম্মতি দিই। তবে আমার অবস্থান ছিল— নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণের অধিকার রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সিদ্ধান্ত হয়েছিল শিক্ষার্থীরা যাকে চাইবেন তাকেই ভিপি প্রার্থী করা হবে। বৈঠকের সময় শিক্ষার্থীরা আমাকে সমর্থন জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। কিন্তু স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থী শেখ খোদানূর রনি ঘোষণা দেন যে ভিপি প্রার্থী নির্ধারণ দুই দিন পর হবে।

তখন আমার কাছে মনে হয়েছে এটি লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতির প্রকাশ এবং বিশেষ একটি এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা। এর মধ্যেই রাকিবুল জয় ও একজন সিনিয়রের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, তবে সবার হস্তক্ষেপে হাতাহাতি এড়ানো সম্ভব হয়।”

আইন বিভাগ ছাড়াও ইংরেজি, ফার্মেসি, রসায়ন ও সিএসইসহ বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদেও নির্বাচনের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে বৈঠক হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

গকসুকে ঘিরে এ ধরনের বৈঠককে গুরুতর নিয়ম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক রফিকুল আলম। তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। এখনো কেউ কোনো নির্বাচনী কার্যক্রম করতে পারবে না। আমরা শুধু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছি। ২৫ আগস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।”

তিনি আরও জানান, “এ ধরনের বৈঠক বন্ধে শিগগিরই নোটিশ দেয়া হবে। দুই-এক দিনের মধ্যে আচরণবিধি প্রকাশ করা হবে, যা প্রার্থী ও ভোটার— সবার মানতে হবে। এর বাইরে কোনো বৈঠক, পোস্টার বা প্রচারণা চলবে না। দ্রুত রিটার্নিং অফিসারও নিয়োগ দেয়া হবে।”

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঠেকাতে দ্রুত নিকটস্থ দুই থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেয়া হবে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।