বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ভিপি প্রার্থী নিয়ে বিরোধ, আইন বিভাগে বৈঠক পণ্ড

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনে আইন বিভাগ থেকে ভিপি পদে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একক প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় বৈঠকটি পণ্ড হয়ে যায়। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের এক বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। গকসুর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ আগস্ট ২০২৫, ১৬:৫৯

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনে আইন বিভাগ থেকে ভিপি পদে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একক প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় বৈঠকটি পণ্ড হয়ে যায়।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের এক বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে।

গকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, চার বছর মেয়াদি স্নাতক কোর্সের ২য় থেকে ৭ম সেমিস্টার, পাঁচ বছর মেয়াদি স্নাতক কোর্সের ২য় থেকে ৯ম সেমিস্টার এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শুধুমাত্র প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য।

তবে গঠনতন্ত্রে কোনো বিভাগ থেকে একক প্রার্থী ঘোষণা বা প্রার্থিতায় বাধা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ নেই। এ কারণে আইন বিভাগের বৈঠকটিকে অনেকেই নিয়মবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেছেন।

পণ্ড হওয়া বৈঠকে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গকসুর বিভিন্ন পদে আইন বিভাগ থেকে একাধিক প্রার্থী দাঁড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় সম্ভাব্য ভিপি প্রার্থী খোদার নূর রনি ও রাকিব মুসল্লি সব সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করেন।

সেখানে সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস), সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস), দপ্তর সম্পাদক এবং প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক পদে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। ভিপি পদে তিনজন শিক্ষার্থী প্রার্থিতা জানানোর পর কয়েকজন বৈঠকে ভোটের মাধ্যমে একক প্রার্থী নির্ধারণের প্রস্তাব দেন।

এ সময় চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা আলোচনার জন্য আরও দুই দিনের সময় চেয়ে বসেন। বিষয়টি কেন্দ্র করে খোদার নূর রনি ও রাকিব মুসল্লির সমর্থকদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয় এবং একপর্যায়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বৈঠক থেকে বের হয়ে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈঠকে উপস্থিত এক শিক্ষার্থী জানান, “দুপুরে ক্লাস স্থগিত করে হঠাৎ ওই বৈঠকে ডাকা হয়। সেখানে শোনা যায়, একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। আলোচনার একপর্যায়ে ৩০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. জুবায়েদ ও ২৮ ব্যাচের রাকিবুল জয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, যা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।”

এদিকে ঘটনার একটি ভিডিও এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।

ভিপি প্রার্থী খোদার নূর রনি এ বিষয়ে বলেন, “বৈঠকটি ছিল বিভাগীয়, যেখানে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। আসলে হাতাহাতি হয়নি, তবে সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে কিছু অসৌজন্যমূলক আচরণ হয়েছিল, যা উপস্থিত সিনিয়ররা সেখানেই মীমাংসা করে দেন। তাই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে নেয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি একক প্রার্থী ঘোষণার বিপক্ষে ছিলাম। আমার বক্তব্য ছিল শিক্ষার্থীদের মতামত নেয়া জরুরি। তারা চাইলে একক প্রার্থী দেবে, নইলে একাধিক প্রার্থীকে সমর্থন করবে। তবে ভোট প্রক্রিয়া জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া বা চাপ সৃষ্টির চেষ্টা সঠিক নয়। যোগ্যরা কাজের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করবে।”

অন্যদিকে ভিপি প্রার্থী রাকিব মুসল্লি জানান, “সব ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে, যদিও এর আগে আরও দু’বার এমন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। একাধিক প্রার্থী থাকায় শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে কয়েকজনকে চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা করা হয়। গঠনতন্ত্রের বাইরে হলেও বিভাগের স্বার্থে আমি এতে সম্মতি দিই। তবে আমার অবস্থান ছিল— নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণের অধিকার রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সিদ্ধান্ত হয়েছিল শিক্ষার্থীরা যাকে চাইবেন তাকেই ভিপি প্রার্থী করা হবে। বৈঠকের সময় শিক্ষার্থীরা আমাকে সমর্থন জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। কিন্তু স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থী শেখ খোদানূর রনি ঘোষণা দেন যে ভিপি প্রার্থী নির্ধারণ দুই দিন পর হবে।

তখন আমার কাছে মনে হয়েছে এটি লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতির প্রকাশ এবং বিশেষ একটি এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা। এর মধ্যেই রাকিবুল জয় ও একজন সিনিয়রের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, তবে সবার হস্তক্ষেপে হাতাহাতি এড়ানো সম্ভব হয়।”

আইন বিভাগ ছাড়াও ইংরেজি, ফার্মেসি, রসায়ন ও সিএসইসহ বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদেও নির্বাচনের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে বৈঠক হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

গকসুকে ঘিরে এ ধরনের বৈঠককে গুরুতর নিয়ম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক রফিকুল আলম। তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। এখনো কেউ কোনো নির্বাচনী কার্যক্রম করতে পারবে না। আমরা শুধু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছি। ২৫ আগস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।”

তিনি আরও জানান, “এ ধরনের বৈঠক বন্ধে শিগগিরই নোটিশ দেয়া হবে। দুই-এক দিনের মধ্যে আচরণবিধি প্রকাশ করা হবে, যা প্রার্থী ও ভোটার— সবার মানতে হবে। এর বাইরে কোনো বৈঠক, পোস্টার বা প্রচারণা চলবে না। দ্রুত রিটার্নিং অফিসারও নিয়োগ দেয়া হবে।”

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঠেকাতে দ্রুত নিকটস্থ দুই থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেয়া হবে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।