রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে ২০ কোটি টাকায় নির্মাণের পরেও চালু হয়নি ২টি সেতু

আক্কাছ আলী মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি  সংযোগ সড়কের অভাবে মুন্সিগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত ২টি সেতু অচল পড়ে আছে। সদর উপজেলার চরাঞ্চলের পাঁচ ইউনিয়নের প্রবেশদ্বার মুন্সিরহাট ও হামিদপুরে খালের ওপর পুরানো দুইটি বেইলী সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ২০২৩ সালে নতুন আরসিসি সেতু নির্মানের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন মাসের আগেই সেতুর নির্মান কাজ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৫, ২০:৩০

আক্কাছ আলী মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি 

সংযোগ সড়কের অভাবে মুন্সিগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত ২টি সেতু অচল পড়ে আছে। সদর উপজেলার চরাঞ্চলের পাঁচ ইউনিয়নের প্রবেশদ্বার মুন্সিরহাট ও হামিদপুরে খালের ওপর পুরানো দুইটি বেইলী সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ২০২৩ সালে নতুন আরসিসি সেতু নির্মানের কাজ শুরু হয়।

প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন মাসের আগেই সেতুর নির্মান কাজ শেষ করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। তবে পুরানো সেতুর পাশে নতুন সেতুর নির্মান কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় চালু হয়নি সেতু দুইটি। সংযোগ সড়কের জন্য সেতু নির্মানের পূর্বে ভূমি অধিগ্রহন না করায় এই জটিলতা।

সেতুতে উঠতে নামতে সংযোগ সড়কের স্থানে বাড়িঘর ও দোকানপাট। এসব ভূমি মালিকররা ন্যায্য মূল্যের দাবীতে ছাড়ছে না তাদের অধিকার। ফলে এখনো পুরানো জরাজীর্ণ বেইলী সেতু দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত করছে পাঁচ ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। 

সরকারী হরগঙ্গা কলেজের একাদশ শেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার জানান, ’এই প্রথম দেখলাম সেতুতে ওঠার দুই পাশে রাস্তা না  

বানিয়ে সেতু বানিয়ে ফেলতে। ভাঙ্গা সেতু দিয়ে যাওয়া-আসা করতে আমাদের অনেক ভয় করে।সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সরকারের এতা অর্থ ব্যয় করে সেতু দুইটি চালু করা যাচ্ছে না। এর জন্য কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট গাফিলতি রয়েছে।’ 

ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা চালক ইউসুফ বেপারী আক্ষেপের সুরে বলেন,’এত টাকা খরচ করে ঘরবাড়ি দোকানপাটের উপর দিয়ে ব্রিজ বানিয়ে লাভ কি? রাস্তা বানাইলো না। আমরা যেতে পারিনা। এখন পর্যন্ত আমরা ভাঙ্গা ব্রিজ দিয়ে চলতাছি। 

মুন্সিরহাট বাজারে স্যানেটারী ব্যবসায়ী হাসান বাবুল জানান,’ আগের জরাজীর্ণ সেতু ভেঙে সেই স্থানে নতুন সেতু নির্মান করলে ভালো হতো। সরকারী খাস জমিতে সেতু নির্মান করলে এতদিনে সেতু দুইটি চালু হয়ে যেত। আর সরকারের ভূমি অধিগ্রহন ব্যয় বেচে যেত।

যদি নকশা জটিলতার কারণে পুরানো সেতুর পাশে নতুন সেতু নির্মাণের্ এতোই প্রয়োজন পড়তো তাহলে এতদিনে কেন ভুমি অধিগ্রহন পত্রিয়া শেষ হলো না? আমরা সরকারের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যত দ্রুত সম্ভব এই পাঁচটা ইউনিয়নের গাড়ি যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সেতু দুইটি চালু করার ব্যবস্থা করা হোক।’

 ভূমি মালিকদের অভিযোগ তাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তিগুলো অধিগ্রহনের পক্রিয়া সেতু নির্মানের পূর্বে শুরু না করে প্রতারণা করেছেন কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবী সরকারী পক্রিয়া মেনে তাদের উচ্ছেদ করা হোক। 

স্থানীয় বাস্দিা ভূমি মালিক ইমন আহম্মেদ জানান,’ আমরা কি সরকারি জায়গায় থাকছি। আমরা জায়গা কিনে নিয়েছি। ব্রিজের পাশে সরকারি খাস জায়গা থাকা সত্ত্বেও ব্রিজ মালিকানা জায়গায় উপর দিয়ে কেন উঠালো এটা আমরা সাধারণ মানুষ এবং মালিকরা বুঝতেছিনা। কারণ সরকারি খাস জমির উপর দিয়ে যদি ব্রিজগুলো উঠাতো তাহলে সরকারের কোটি কোটি টাকা বেঁচে যেত। আর আমদেরও বাপ-দাদার ভিটা মাটি ছাড়তে হতো না।’ 

আরেক ভূমি মালিক নাজমুল কবির সুরুজ বলেন, ’সরকার যদি দ্রুত আমাদের মালিকদের টাকা পয়সা বুঝিয়ে দেয় তাহলে তো আমরা জায়গা ছেড়ে দেই।এখন মালিকরা টাকা না পেলে তো জায়গা ছাড়বে না।’

ভূমি মালিক কৃষক কাশেম আলী মোল্লা জানান, ’আমার দুই ভাই নিবন্ধন করে আসছে। আমি নিবন্ধন করি নাই। নিবন্ধন করি নাই কারণ আমি ন্যায্য মূল্য পাই নাই৷ আমার ৩টা ঘরের দাম ঠিক মেতা ধরে নাই।’ আমাগো নোটিশ দিচ্ছে মাত্র চার-পাঁচ দিন হয়। নোটিশে লেখা আছে মাত্র ৬ লক্ষ টাকা। আমাগো ঘরবাড়ি তুলতে খরচ হইছে চৌদ্দ লক্ষ টাকা। ৬ লক্ষ টাকা আমাদের ন্যায্য মূল্য হয় নাই। 

ভূমি মালিক কৃষক কাশেম আলীর স্ত্রী বলেন, ’ব্রিজ হওয়ার ফলে এলাকাবাসী সবার উপকারী হয়েছে কিন্তু আমাদের উপকার হয় নাই। রাস্তাটা কিন্তু পাশের ব্রিজ দিয়ে নিতে পারতো। আমাদের বাড়ির উপর দিয়ে নিয়া আমাদের সহায় সম্বল সব শেষ করে দিল। আমরা এখন পর্যন্ত ন্যায্য কোন মূল্য পাই নাই। ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে আমরা বাড়ি ঘর ভাঙতে পারতাছিনা৷ আমরা খুব ভোগান্তির মধ্যে আছি।’ 

এ প্রসঙ্গে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুস হোসেন সানি জানিয়েছেন, আমাদের একটি প্রকল্প মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জের প্রায় ৪৮টি ব্রিজ নির্মাণ চলছে। তার মধ্যে দুইটি ব্রিজ হচ্ছে বাইদ্দা বাড়ি এক ও বাইদ্দা বাড়ি দুই সেতু। সেতু ২ টির মূল স্ট্রাকচার কমপ্লিট হয়েছে।

শুধুমাত্র দুই সাইডের এপ্রোচ অংশের কাজ বাকি রয়েছে। প্রকল্পটির ভূমি গ্রহণের জন্য আমরা ওয়েট করছি। যদিও অমরা ভুমি অধিগ্রহন পক্রিয়াটি শুরু করেছি ২০২২ সালে। প্রকল্পটির ভূমি গ্রহণের জন্য আমরা ওয়েট করছি। আট ধারায় নোটিশ জারি হয়ে গিয়েছে।

সামনে দখল হস্তান্তর কাজ শেষে আমরা মূল কাজ শুরু করতে পারব। প্রকল্পরে মেয়াদ জুন পর্যন্ত রয়েছে তবে সেতুর কাজ শেষ হলেও জমি বুঝে না পাওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করা হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ বর্ধনের জন্য যথাযথ পক্রিয়া অনুমোদনের জন্য অপক্ষেমান রয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্র জানায়, ’জরাজীর্ণ ও অপ্রশস্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিদ্যমান বেইলী সেতু আরসিসি সেতু প্রতিস্থাপন প্রকল্প’ (ঢাকা জোন) এর আওতায় প্রকল্পটির কার্যাদেশ হয় ২০২৩ সালের পহেলা জানুয়ারী। ২৮.২৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৮.২৫ মিটার প্রস্থের বাইদ্দাবাড়ি সেতু এক ও ৫০.১২ মিটার দৈর্ঘ্য ১০.২৫ মিটার প্রস্থ বাইদ্দা বাড়ির সেতু দুই এর নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছিলো ১৯ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। এখন পর্যন্ত প্রকল্পটির ৯৫% কাজ শেষ করতে ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।