মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সীগঞ্জ অংশে ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত এবং ১৪৭ জন নিহত হয়েছেন। মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, পিএফএম জানান, ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন থেকে ২০২৬ সালের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মাওয়া টোল প্লাজা থেকে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ অংশে মোট ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত হয়েছেন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ১৪৭ জন।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটাররা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দুর্ঘটনাকবলিতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে দিন দিন যানবাহনের চাপ বাড়ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি জানান, দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। সড়কের নির্দেশনা ও ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করার পাশাপাশি নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে। একই সঙ্গে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং অসতর্ক ও বেপরোয়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকা জরুরি।
সচেতনভাবে এসব নিয়ম মেনে চললে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে জানান তিনি।