বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেশের সামুদ্রিক সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা এবং সুনীল অর্থনীতির (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে সমুদ্র শুধু ভৌগোলিক সীমানার বিষয় নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য ও জাতীয় কৌশলগত সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
এ বছরের বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘Transforming How Ocean Data is Shared’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামুদ্রিক তথ্যের আধুনিক, নির্ভুল ও নিরাপদ আদান-প্রদান জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি। নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ, সমুদ্রতলের মানচিত্র প্রণয়ন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়নে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সামুদ্রিক সম্পদের সুরক্ষা ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের আধুনিকায়ন, ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা উন্নয়ন, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবন সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি সময়ের দাবি। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে সুনীল অর্থনীতিকে জাতীয় সমৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করা সম্ভব।
শেষে বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।