রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ক্রিকেট

রাজশাহীর স্বপ্নভঙ্গ করে প্লে-অফে খুলনা

বিপিএলের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে খুলনা টাইগার্স।ঢাকা ক্যাপিটালসের দেওয়া ১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় মেহেদি হাসান মিরাজের দল। মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা খুব ভালো হয়নি খুলনার। মুস্তাফিজের বলে দলীয় ৮ রানে […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৭:১৩

বিপিএলের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে খুলনা টাইগার্স।
ঢাকা ক্যাপিটালসের দেওয়া ১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় মেহেদি হাসান মিরাজের দল।

মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা খুব ভালো হয়নি খুলনার। মুস্তাফিজের বলে দলীয় ৮ রানে শূন্য হাতে ফেরেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান নাঈম শেখ।

১৪ রানে ফেরেন আফিফ। তাকেও আউট করেন মুস্তাফিজ। এরপর আলেক্স রসকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচের হাল ধরেন মেহেদি হাসান মিরাজ। দুজনের ৬৮ রানের জুটিতে দিশা পায় খুলনা।
৮২ রানে রস ফিরলে বাকি কাজ সারেন উইলিয়াম বসিস্তোকে নিয়ে। বসিস্তো যখন আউট হন তখন জয় থেকে মাত্র ৪ রান দূরে খুলনা। ছক্কা মেরে কাজটি শেষ করেন মোহাম্মদ নেওয়াজ।
৫৫ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক মিরাজ।

ঢাকার হয়ে ৩টি উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১টি উইকেট নেন রহমত আলি।

এর টসে জিতে আগে ব্যাটিং করে লিটন দাস ১০ রানে আউট হলেও তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে চড়ে ভালো শুরু পায় ঢাকা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান তোলে ঢাকা ক্যাপিটালস।

তানজিদ এক প্রান্ত ধরে আগাতে থাকলেও বাকিরা সুবিধা করতে পারেননি।

৩৭ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান তানজিদ। তখন দলীয় স্কোর ৮২ রানে ৪ উইকেট। এরপর ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১২৩ রানে গুটিয়ে যায় ঢাকা।

খুলনা টাইগার্সের হয়ে ২টি করে উইকেট তোলেন উইলিয়াম বসিস্তো এবং হাসান মাহমুদ।

ক্রিকেট

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ […]

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ০৯:৫৯

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সারা দেশে মামলা হয়েছে। বাদ নেই ক্রিকেটার ও দলটির সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানও।

তবে সাকিবের দাবি একটি মহল থেকে অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।



এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, একটি পক্ষ তার কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল— নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে মামলার তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে তিনি মনে করেন, যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা নিজেরাও জানে না যে মামলা হওয়ার পর শুধু বাদীপক্ষ চাইলে নাম সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।


সাক্ষাৎকারে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। কিন্তু যারা বলছে, তাদের ধারণা নেই যে কেস হয়ে যাওয়ার পর চাইলেই নাম উঠানো যায় না। শেষ পর্যন্ত পুলিশের তদন্তেই ঠিক হবে আমার সম্পৃক্ততা ছিল কি না।’

কারা এই প্রস্তাব দিয়েছিল— এমন প্রশ্নে সাকিব জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তিনি কয়েকজনের মাধ্যমে বিষয়টি পৌঁছে দেন। তবে কার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি।

প্রস্তাব পেয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

দেশে ফেরা নিয়ে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। তার ভাষ্য, দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই, তবে তিনি নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

সাকিব বলেন, ‘আমি চাই স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা এবং দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাক। এ দুটি বিষয় আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় তার নেই। তবে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ‘মব হতে পারে, ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু হতে পারে। অন্তত এমন একটা জায়গা তো থাকা উচিত, যেখানে বিপদ হলে কেউ দায়িত্ব নেবে,’ বলেন তিনি।

জাতীয় দলে না খেলতে পারার বিষয়েও আক্ষেপ আছে জানিয়ে সাকিব বলেন, তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার মতো অবস্থায় আছেন বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনো অবদান রাখার সুযোগ দেখছেন তিনি।

২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান সাকিব। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলে আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে চাই। এক-দুটি সিরিজ খেললে তখন বোঝা যাবে আমি কোথায় আছি, দলও বুঝতে পারবে।’

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনুশোচনা নেই বলে জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘আজকে যেটা ঠিক মনে হয় না, পাঁচ বা দশ বছর পরে হয়তো সেটাই ঠিক মনে হবে। মানুষ বারবার ভুলে যায় যে, আমি একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলাম। এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন দেখেই আমি জিতেছি। তারা যদি ভোট না দিতেন, আমি জিততাম না। সারা দেশের মানুষ তো আমাকে ভোট দেননি।’

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন সাকিব। তিনি বলেন, দেশের মানুষ রাজনীতিকে খারাপ হিসেবে দেখে, কারণ অনেকেই সেবা করার বদলে সুবিধা নিতে রাজনীতিতে আসেন। তবে রাজনীতির মাধ্যমেই পরিবর্তন সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

ক্রিকেট

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে দূরে রাখায় বড় ভুল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাকিব আল হাসান

আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকে দল পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে চুক্তিবদ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি পেসার। ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে […]

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে দূরে রাখায় বড় ভুল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাকিব আল হাসান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪০

আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকে দল পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে চুক্তিবদ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি পেসার।

ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।

নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে পরবর্তীতে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদদের ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে দেশে সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা শুরু হয়, যার প্রভাব এখনো রয়েছে।

ভারতের মুম্বাইয়ে এক অনুষ্ঠানে—ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম-২০২৬-এর জার্সি উন্মোচনে—এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে অংশ নিতে না দেওয়াটা অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ভুল ছিল।

ভারতীয় ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট RevSportz-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বড় ক্ষতি। তার ভাষায়, একটি দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে নিজেদের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ দেখতে চাওয়া স্বাভাবিক, আর বাংলাদেশের মতো দলের অনুপস্থিতি ছিল বড় ধরনের মিস।

তিনি আরও বলেন, “এটি সরকারের পক্ষ থেকে একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল যে তারা সেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।”

নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সাবেক অধিনায়ক জানান, সময়ের সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। দেশের মাটিতে ক্যারিয়ার শেষ করার ইচ্ছাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

খেলা

ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা

ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগ খেলে চট্টগ্রাম ফিরেই ডিবি পরিচয়ে নির্মম মারধর ও চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসান। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। আহত এই ক্রিকেটার চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও […]

ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা

ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা

নিউজ ডেস্ক

১৩ জুন ২০২৬, ১০:০০

ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগ খেলে চট্টগ্রাম ফিরেই ডিবি পরিচয়ে নির্মম মারধর ও চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসান। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।

আহত এই ক্রিকেটার চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও রেহাই পাননি বলে অভিযোগ করেছেন ২৬ বছর বয়সী এই স্পিনার।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাঈম হাসান বলেন, ‘ফ্লাইট বিলম্ব হওয়ায় এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফিরছিলাম। লালখানবাজার ফ্লাইওভারের নিচে পুলিশ আমার সিএনজি থামিয়ে চালকের কাগজপত্র নেয়। আমি নিজে থেকেই পুলিশকে ব্যাগ চেক করতে বলি। কিন্তু আচমকা একজন আমার গলা চিপে ধরে গাড়িতে উঠতে বলে। আমি প্রতিবাদ করে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে আসতেই তারা আমাকে পাইপ ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।’

নাঈম আরও জানান, হামলাকারীদের মধ্যে দুজন পুলিশ সদস্য ও একজন পাঞ্জাবি পরিহিত ব্যক্তি ছিলেন, যিনি নিজেকে ডিবির সোর্স বা কর্মকর্তা পরিচয় দেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত শত শত মানুষ নাঈমের ক্রিকেটার পরিচয় নিশ্চিত করার পরও মারধর থামেনি। উল্টো ‘তুই আসামি, কথা বলবি না’ বলে তাকে ধমকাতে থাকে। পরবর্তীতে তাকে খুলশি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় নেওয়ার পর মোবাইল হাতে পেয়ে নাঈম দ্রুত বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তামিম ইকবাল তাৎক্ষণিক খুলশি থানার ওসি এবং নাঈমের বাবার সঙ্গে কথা বলে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘নাঈম হাসান অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন। পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, এ বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করব। কারণ এর সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তি জড়িত। নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে আমরা কাজ করছি, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো অন্যায় বরদাশত করা হবে না।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, কোনো একটি চোরাচালানের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযানে গিয়েছিল। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি যথাযথ আইনি নিয়মে হয়েছে কি না এবং মারধরের ঘটনাটি খতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।