সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩তম দিনেই খুন হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র ১৩তম দিনেই খুন হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ইসলামী দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্যতা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গঠন এবং মুজিব আমলের ভয়াবহ গুম–খুন–দুর্ভিক্ষের রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনায় আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী মহল তাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা জিয়াকে নির্মূল করার নীলনকশা তৈরি করছিল এবং অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই একটি মুহূর্তের—শেখ […]

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩তম দিনেই খুন হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৮

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র ১৩তম দিনেই খুন হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ইসলামী দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্যতা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গঠন এবং মুজিব আমলের ভয়াবহ গুম–খুন–দুর্ভিক্ষের রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনায় আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী মহল তাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা জিয়াকে নির্মূল করার নীলনকশা তৈরি করছিল এবং অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই একটি মুহূর্তের—শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের।

১৯৮১ সালের ১৭ মে নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। আর মাত্র ১২ দিন পর, ৩০ মে ১৯৮১ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাকশাল পতনের সময় শেখ হাসিনা, তার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া ও বোন শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে ছিলেন। পরে তারা ইন্দিরা গান্ধীর আশ্রয়ে ছয় বছর দিল্লিতে অবস্থান করেন।

মুজিব আমলের (১৯৭২–১৯৭৫) শাসনব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। বহু দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি; বরং ধারণা ছিল—ঢাকা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। সেই সময়ে গুম–খুন ছিল নিয়মিত ঘটনা। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার মাধ্যমে দেশে গুমের রাজনীতি শুরু হয়।

১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি সিরাজ সিকদারকে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে হত্যা রাজনৈতিক হত্যার এক ভয়াবহ অধ্যায় হয়ে ওঠে। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যার পাশাপাশি ১৯৭৪ সালের কৃত্রিম দুর্ভিক্ষে রাস্তায় লাশের সারি, মানুষের খাবারের জন্য কুকুর–কাকের সঙ্গে লড়াই—সব মিলিয়ে দেশ অরাজকতার মধ্যে ডুবে যায়। একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।

১৫ আগস্টের পর খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কোচিত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনেন। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মর্যাদা অর্জন করে এবং অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়। শ্রমশক্তি রপ্তানি ও তৈরি পোশাকশিল্প (RMG)—এই দুটি সেক্টর জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভে পরিণত হয়। মুজিব আমলে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে থাকে।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা এখনও দিল্লিতে অবস্থানকালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৭ মে তিনি দেশে ফিরলে জিয়াউর রহমান সরকার কোনো বাধা দেয়নি; বরং অনেকের মতে জিয়ার অনুমতিতেই দেশে ফেরেন তিনি। কিন্তু তার আগমনের মাত্র ১২ দিন পরই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড ঘটলো—যা বহিঃশক্তির প্রত্যক্ষ মদদে সংঘটিত হয়েছিল বলে বিশ্লেষকদের মত।

বিবিসির সাংবাদিক সিরাজুর রহমান তার গ্রন্থ ‘এক জীবন এক ইতিহাস’-এ শেখ হাসিনার প্রথম লন্ডন সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার তুলে ধরেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন—স্টুডিওতে শেখ হাসিনা বলেন যে, রাজনীতি তার ভালো লাগে না; বরং তিনি রাজনীতিকে ঘৃণা করেন। প্রশ্ন করা হলে কেন রাজনীতিতে এলেন, উত্তরে তিনি বলেন—“ওরা আমার পিতাকে হত্যা করেছে, মাকে হত্যা করেছে, ভাইদের হত্যা করেছে—আমি প্রতিশোধ নিতে চাই।”
এই বক্তব্য বিবিসি কর্তৃপক্ষকে বিস্মিত করেছিল। পরে সাংবাদিকরা অনুরোধ করে ওই অংশ রেকর্ডিং থেকে বাদ দেন।

দীর্ঘ চার দশক পরেও একই ধরনের প্রশ্ন নতুন করে সামনে আসছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আবারও শেখ হাসিনা দিল্লিতে আশ্রয় নেন। কিন্তু দেশের ভেতরে অনেক নেতা ভুলতে বসেছেন—হাসিনার বাংলাদেশে আগমনের ১৩তম দিনে কী ভয়াবহ ঘটেছিল।

যদি আবার কোনো রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার প্রত্যাবাসন ঘটে—
তবে কি আবারও ‘সেই ১৩তম দিনের’ পুনরাবৃত্তি ঘটবে?
এবার কারা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে?
এ প্রশ্ন এখনো অনেকের মনে গভীর শঙ্কার জন্ম দিচ্ছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৮৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৮৭