সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩তম দিনেই খুন হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র ১৩তম দিনেই খুন হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ইসলামী দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্যতা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গঠন এবং মুজিব আমলের ভয়াবহ গুম–খুন–দুর্ভিক্ষের রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনায় আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী মহল তাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা জিয়াকে নির্মূল করার নীলনকশা তৈরি করছিল এবং অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই একটি মুহূর্তের—শেখ […]

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ১৩তম দিনেই খুন হয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়া

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৮

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র ১৩তম দিনেই খুন হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ইসলামী দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্যতা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গঠন এবং মুজিব আমলের ভয়াবহ গুম–খুন–দুর্ভিক্ষের রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনায় আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী মহল তাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ফলে তারা জিয়াকে নির্মূল করার নীলনকশা তৈরি করছিল এবং অপেক্ষা করছিল ঠিক সেই একটি মুহূর্তের—শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের।

১৯৮১ সালের ১৭ মে নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। আর মাত্র ১২ দিন পর, ৩০ মে ১৯৮১ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাকশাল পতনের সময় শেখ হাসিনা, তার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া ও বোন শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে ছিলেন। পরে তারা ইন্দিরা গান্ধীর আশ্রয়ে ছয় বছর দিল্লিতে অবস্থান করেন।

মুজিব আমলের (১৯৭২–১৯৭৫) শাসনব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। বহু দেশ বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি; বরং ধারণা ছিল—ঢাকা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। সেই সময়ে গুম–খুন ছিল নিয়মিত ঘটনা। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার মাধ্যমে দেশে গুমের রাজনীতি শুরু হয়।

১৯৭৫ সালের ২ জানুয়ারি সিরাজ সিকদারকে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে হত্যা রাজনৈতিক হত্যার এক ভয়াবহ অধ্যায় হয়ে ওঠে। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যার পাশাপাশি ১৯৭৪ সালের কৃত্রিম দুর্ভিক্ষে রাস্তায় লাশের সারি, মানুষের খাবারের জন্য কুকুর–কাকের সঙ্গে লড়াই—সব মিলিয়ে দেশ অরাজকতার মধ্যে ডুবে যায়। একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।

১৫ আগস্টের পর খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কোচিত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনেন। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মর্যাদা অর্জন করে এবং অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়। শ্রমশক্তি রপ্তানি ও তৈরি পোশাকশিল্প (RMG)—এই দুটি সেক্টর জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভে পরিণত হয়। মুজিব আমলে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াতে থাকে।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা এখনও দিল্লিতে অবস্থানকালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৭ মে তিনি দেশে ফিরলে জিয়াউর রহমান সরকার কোনো বাধা দেয়নি; বরং অনেকের মতে জিয়ার অনুমতিতেই দেশে ফেরেন তিনি। কিন্তু তার আগমনের মাত্র ১২ দিন পরই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড ঘটলো—যা বহিঃশক্তির প্রত্যক্ষ মদদে সংঘটিত হয়েছিল বলে বিশ্লেষকদের মত।

বিবিসির সাংবাদিক সিরাজুর রহমান তার গ্রন্থ ‘এক জীবন এক ইতিহাস’-এ শেখ হাসিনার প্রথম লন্ডন সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার তুলে ধরেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন—স্টুডিওতে শেখ হাসিনা বলেন যে, রাজনীতি তার ভালো লাগে না; বরং তিনি রাজনীতিকে ঘৃণা করেন। প্রশ্ন করা হলে কেন রাজনীতিতে এলেন, উত্তরে তিনি বলেন—“ওরা আমার পিতাকে হত্যা করেছে, মাকে হত্যা করেছে, ভাইদের হত্যা করেছে—আমি প্রতিশোধ নিতে চাই।”
এই বক্তব্য বিবিসি কর্তৃপক্ষকে বিস্মিত করেছিল। পরে সাংবাদিকরা অনুরোধ করে ওই অংশ রেকর্ডিং থেকে বাদ দেন।

দীর্ঘ চার দশক পরেও একই ধরনের প্রশ্ন নতুন করে সামনে আসছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আবারও শেখ হাসিনা দিল্লিতে আশ্রয় নেন। কিন্তু দেশের ভেতরে অনেক নেতা ভুলতে বসেছেন—হাসিনার বাংলাদেশে আগমনের ১৩তম দিনে কী ভয়াবহ ঘটেছিল।

যদি আবার কোনো রাজনৈতিক পালাবদলের পর তার প্রত্যাবাসন ঘটে—
তবে কি আবারও ‘সেই ১৩তম দিনের’ পুনরাবৃত্তি ঘটবে?
এবার কারা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে?
এ প্রশ্ন এখনো অনেকের মনে গভীর শঙ্কার জন্ম দিচ্ছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৫

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৫

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৫