লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগর চৌমুহনীর দক্ষিণ পাশে নোয়াব আলী হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত মো. ইদ্রিস হাওলাদারের ভাতিজা মো. গিয়াস উদ্দিন হাওলাদার, মেয়ে কুসুম বেগম ও পুত্রবধূ রুনা বেগমের দাবি, তাঁদের বাবা ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া এবং ফুফুদের কাছ থেকে ক্রয় করা সম্পত্তি প্রায় ৩৩ বছর ধরে তাঁদের চাচাতো ভাই শাহে আলম গং জোরপূর্বক ভোগদখল করে আসছেন।
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০২৫ সালে স্থানীয়ভাবে সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে জমিটি তাঁদের বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় এবং সালিশকারীরা জমিটি তাঁদের বুঝিয়ে দেন। এরপর থেকে তাঁরা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।
রোববার সকালে মৃত. আলী মিয়া হাওলাদারের ছেলে শাহে আলম, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ ও তৈয়ব উদ্দিন তাঁদের বাগানে প্রবেশ করে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যান।
এ সময় তাঁরা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা মামলা ও মারধরের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার চেয়ে লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিরোধপূর্ণ জমিটি ওয়ারিশসূত্রে রেজাউল করিম মিলন গংদের মালিকানাধীন বলে তাঁরা জানেন। জমি নিয়ে একাধিকবার সালিশ-বৈঠকও হয়েছে। তাঁদের দাবি, সালিশে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে জমিটি মিলন গংদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে তাঁরা প্রায় এক বছর ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন ওই বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. শাহে আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোনটি বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।