মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ঢাবির হল ছাত্রদলের কমিটিতে সাবেক ছাত্রলীগ, তদন্তে কমিটি

ছাত্রলীগের অনুসারী হিসেবে পরিচিত জান্নাতুল ফেরদৌস পুতুল এখন কুয়েত-মৈত্রী হল ছাত্রদলের সদস্যসচিব। একইভাবে আরও বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ ঘনিষ্ঠকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে। এমন নজিরবিহীন অনুপ্রবেশে প্রশ্ন উঠেছে—ছাত্রদল আজ কার হাতে, কার জন্য?

নিউজ ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ২২:৪৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে ছাত্রদল ঘোষিত ৫৯৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘিরে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে। প্রকাশিত কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী, এমনকি ১৫ জুলাইয়ের ছাত্রনির্যাতন ও হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। এমন বিতর্কিত অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের ভেতরেই শুরু হয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রশ্নের ঝড়।

কমিটিতে নাম আসা বেশ কয়েকজনের অতীত রাজনৈতিক পরিচয় রীতিমতো আতঙ্কজনক। উদাহরণস্বরূপ, ড. শহীদুল্লাহ হলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান সৌরভ একসময় ছিলেন ঢাবির জীববিজ্ঞান অনুষদের ছাত্রলীগ নেতা। রোকেয়া হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিতু রানী সাহা ছিলেন ছাত্রলীগের উপ-গণযোগাযোগ সম্পাদক, যিনি কেবল পদত্যাগ করেন আন্দোলনের চাপে পড়ে।

আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো—বিজয় একাত্তর হলের যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন সেই রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নিবিড় খান লোহানী, যাদের বিরুদ্ধে গেস্টরুম নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের মাহমুদ হাসান, যিনি ‘প্রলয় গ্যাং’-এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে চিহ্নিত এবং শিক্ষার্থীদের বয়কটের শিকার হয়েছিলেন, তাকেও জায়গা দেওয়া হয়েছে ছাত্রদলে।

ছাত্রলীগের অনুসারী হিসেবে পরিচিত জান্নাতুল ফেরদৌস পুতুল এখন কুয়েত-মৈত্রী হল ছাত্রদলের সদস্যসচিব। একইভাবে আরও বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ ঘনিষ্ঠকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে। এমন নজিরবিহীন অনুপ্রবেশে প্রশ্ন উঠেছে—ছাত্রদল আজ কার হাতে, কার জন্য?

বিতর্কের মুখে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়েছে একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। ঢাবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন শাওন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভূঁইয়া ইমনকে এই কমিটিতে রাখা হয়েছে। তাদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেছেন,

“আবেদনপত্রের ভিত্তিতে পদায়ন করা হয়েছে। কেউ কেউ হয়তো তথ্য গোপন করেছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অন্যদিকে, ছাত্রদলের হলভিত্তিক কমিটি ঘোষণার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ। তারা মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তোলে,

“অভ্যুত্থানের পরপরই হল ও একাডেমিক এলাকায় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে শিক্ষার্থীদের মতামত ছিল। কিন্তু প্রথমে শিবির, পরে ছাত্র ইউনিয়ন, এখন ছাত্রদল—এক এক করে সবাই সেই শিক্ষার্থীস্বপ্নের প্রতি কুঠারাঘাত করেছে।”

এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রদলের ‘আহ্বায়ক কমিটি’ আদতে কি রাজনৈতিক পুনর্বাসন কেন্দ্র হয়ে উঠছে? নাকি ছাত্রদলের ভেতরে শুরু হয়েছে নিয়ন্ত্রণ হারানোর এক অস্থির প্রক্রিয়া?

শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ছিল মুক্ত হল-পরিবেশ, ক্লিন ক্যাম্পাস এবং রক্ত ও নির্যাতনহীন রাজনীতি। অথচ ছাত্রদলের নামে যেভাবে ছাত্রলীগ ও বিতর্কিত ব্যক্তিরা ঢুকে পড়ছে, তাতে করে আগামীতে রাজনীতির স্বচ্ছতা নিয়েই তৈরি হয়েছে এক বড় শঙ্কা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৯
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৯