এনসিপি কর্মীদের হুমকি-ধমকির মাধ্যমে দমন করা যাবে না—এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণার সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “জুলাই বিপ্লবের এক বছর পার হয়ে গেছে। এ এক বছর আমরা শুধু কথা বলেছি, এখন সময় কাজের। আর যারা আমাদের কর্মীদের ভয় দেখায়, তাদের চোখে চোখ রেখে বলছি—এইবার আমরা রাজনৈতিকভাবে জবাব দেব। রূপসা থেকে পাথরিয়া—যেখানেই হোক, এনসিপির কোনো কর্মীকে কেউ চোখ তুলে তাকালে, তার জবাব মাঠেই পাবেন।”
তিনি জানান, এনসিপির কর্মীদের স্থানীয়ভাবে নানা বাধা দেওয়া হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু এসব ধমক চিরকাল চলতে পারে না। এবার এনসিপির কর্মীরা মাঠে থাকবে পরিকল্পিতভাবে এবং নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী। তিনি বলেন, “আমাদের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব সারজিস আলম যে দিকনির্দেশনা দেবেন, তা বাস্তবায়নে আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত।”
এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়, এনসিপি তাদের রাজনৈতিক কর্মকৌশলে একটি রূপরেখা দাঁড় করিয়েছে যেখানে হুমকির জবাব প্রতিক্রিয়াশীল নয়, বরং সংগঠিত রাজনৈতিক প্রতিরোধের মাধ্যমে দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপির এই অবস্থান নতুন করে দেশের রাজনীতিতে একটি বিকল্প শক্তির আত্মপ্রকাশকে চিহ্নিত করছে—যারা নিজেদের কর্মীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকায় যেতে প্রস্তুত। রাজনৈতিক সংঘাত নয়, রাজনৈতিক জবাবের মাধ্যমে তারা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতির বার্তাই দিচ্ছে।