সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এনসিপি’র পথসভায় সারজিস আলমের হুঁশিয়ারি

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ     জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোসের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সমগ্র লালমনিরহাট জেলার উপজেলা ভিত্তিক এক পথসভায় তিনি ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত দিয়ে ‘পুশ-ইন’-এর মাধ্যমে এজেন্ট প্রেরণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয়দান, এবং উত্তরাঞ্চলের জনগণের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অবহেলার তীব্র […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ মে ২০২৫, ১৫:৪১

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ    

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোসের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সমগ্র লালমনিরহাট জেলার উপজেলা ভিত্তিক এক পথসভায় তিনি ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত দিয়ে ‘পুশ-ইন’-এর মাধ্যমে এজেন্ট প্রেরণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয়দান, এবং উত্তরাঞ্চলের জনগণের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অবহেলার তীব্র সমালোচনা করেন। 

সারজিস আলম তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতের সঙ্গে বিন্দুমাত্র আপস নয়। সীমান্ত দিয়ে এজেন্ট পাঠানো, পুশ-ইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানো—এগুলো দেশবিরোধী চক্রান্ত।”

তিনি এ বিষয়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং স্বাধীনতার চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে যোগ করেন, “প্রয়োজনে জীবন দেব, রক্ত দেব; কিন্তু সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশ কারও দাসত্ব করবে না।”

তিনি ভারতের প্রতি সরাসরি ইঙ্গিত করে বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের খুনি শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যতদিন তিনি ভারতে আশ্রয়ে থাকবেন, ততদিন দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না।” 

এনসিপি নেতা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ প্রকল্পের নামে ভারতীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের আঁতাতের মাধ্যমে “লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাট” করা হয়েছে, যা দিয়ে দেশে ও বিদেশে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।

লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের জনগণের দীর্ঘদিনের অবহেলার বিষয়টি তিনি গুরুত্ব সহকারে উত্থাপন করেন। তার মতে, এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান দাবিগুলো হলো:  

– তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়ন  

– বুড়িমারী থেকে ঢাকা সরাসরি ট্রেন চালুকরণ  

– পাটগ্রামে বোমা মেশিনের মাধ্যমে পাথর উত্তোলন এবং বুড়িমারী স্থলবন্দরে চাঁদাবাজি বন্ধ।

তিনি উল্লেখ করেন, “উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধু বিল্ডিং আছে, ডাক্তার নেই। রাস্তাঘাটের অবস্থা শোচনীয়।” এনসিপি’র নীতিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তেল মাথায় তেল দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাস করি না। সমস্যা সমাধানে মাঠে-ঘাটে হেঁটে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরা হবে।”

সারজিস আলম বিজিবি’র সক্ষমতার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, “১৯৭১ সালে অস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও কলিজার জোরেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।” তবে তিনি জনগণকেও সক্রিয় ভূমিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করে বলেন, “আপনারাই এখন একেকজন সীমান্তরক্ষী। কোনো আপস নয়, সর্বদা লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।”

তিনি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে ব্যক্তি ইমেজভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের পরামর্শ দেন: “রাজনৈতিক দল বা মার্কা দেখবেন না।

যে মানুষ টাকা ছাড়া আপনার কথা বলে, কাজ করে, তাকেই ভোট দিন।” এনসিপি’র পক্ষ থেকে তিনি দুর্নীতি, গুম, ও হত্যার বিচারসহ একটি সংস্কারমুখী বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।  

পথসভাটি পাটগ্রামের টোরাঙ্গি মোড় ও হাতিবান্ধা মেডিকেল মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে এনসিপি’র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান, ডা. মাহমুদা মিতু, সংগঠক রাসেল মাহমুদসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।  

সারজিস আলমের এই বক্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা, এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের প্রশ্নে জাতীয় বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। উত্তরাঞ্চলের জনগণের দাবিগুলো এনসিপি’র রাজনৈতিক এজেন্ডায় স্থান পেলে তা রাজনীতির প্রেক্ষাপট বদলাতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৬৬
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫৩