মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এনসিপি’র পথসভায় সারজিস আলমের হুঁশিয়ারি

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ     জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোসের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সমগ্র লালমনিরহাট জেলার উপজেলা ভিত্তিক এক পথসভায় তিনি ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত দিয়ে ‘পুশ-ইন’-এর মাধ্যমে এজেন্ট প্রেরণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয়দান, এবং উত্তরাঞ্চলের জনগণের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অবহেলার তীব্র […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ মে ২০২৫, ১৫:৪১

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ    

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতের সঙ্গে কোনো ধরনের আপোসের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সমগ্র লালমনিরহাট জেলার উপজেলা ভিত্তিক এক পথসভায় তিনি ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত দিয়ে ‘পুশ-ইন’-এর মাধ্যমে এজেন্ট প্রেরণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয়দান, এবং উত্তরাঞ্চলের জনগণের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অবহেলার তীব্র সমালোচনা করেন। 

সারজিস আলম তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতের সঙ্গে বিন্দুমাত্র আপস নয়। সীমান্ত দিয়ে এজেন্ট পাঠানো, পুশ-ইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানো—এগুলো দেশবিরোধী চক্রান্ত।”

তিনি এ বিষয়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং স্বাধীনতার চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে যোগ করেন, “প্রয়োজনে জীবন দেব, রক্ত দেব; কিন্তু সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশ কারও দাসত্ব করবে না।”

তিনি ভারতের প্রতি সরাসরি ইঙ্গিত করে বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের খুনি শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যতদিন তিনি ভারতে আশ্রয়ে থাকবেন, ততদিন দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না।” 

এনসিপি নেতা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ প্রকল্পের নামে ভারতীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের আঁতাতের মাধ্যমে “লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাট” করা হয়েছে, যা দিয়ে দেশে ও বিদেশে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।

লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের জনগণের দীর্ঘদিনের অবহেলার বিষয়টি তিনি গুরুত্ব সহকারে উত্থাপন করেন। তার মতে, এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান দাবিগুলো হলো:  

– তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়ন  

– বুড়িমারী থেকে ঢাকা সরাসরি ট্রেন চালুকরণ  

– পাটগ্রামে বোমা মেশিনের মাধ্যমে পাথর উত্তোলন এবং বুড়িমারী স্থলবন্দরে চাঁদাবাজি বন্ধ।

তিনি উল্লেখ করেন, “উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধু বিল্ডিং আছে, ডাক্তার নেই। রাস্তাঘাটের অবস্থা শোচনীয়।” এনসিপি’র নীতিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তেল মাথায় তেল দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাস করি না। সমস্যা সমাধানে মাঠে-ঘাটে হেঁটে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরা হবে।”

সারজিস আলম বিজিবি’র সক্ষমতার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, “১৯৭১ সালে অস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও কলিজার জোরেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।” তবে তিনি জনগণকেও সক্রিয় ভূমিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করে বলেন, “আপনারাই এখন একেকজন সীমান্তরক্ষী। কোনো আপস নয়, সর্বদা লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।”

তিনি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে ব্যক্তি ইমেজভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের পরামর্শ দেন: “রাজনৈতিক দল বা মার্কা দেখবেন না।

যে মানুষ টাকা ছাড়া আপনার কথা বলে, কাজ করে, তাকেই ভোট দিন।” এনসিপি’র পক্ষ থেকে তিনি দুর্নীতি, গুম, ও হত্যার বিচারসহ একটি সংস্কারমুখী বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।  

পথসভাটি পাটগ্রামের টোরাঙ্গি মোড় ও হাতিবান্ধা মেডিকেল মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে এনসিপি’র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান, ডা. মাহমুদা মিতু, সংগঠক রাসেল মাহমুদসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।  

সারজিস আলমের এই বক্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা, এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের প্রশ্নে জাতীয় বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। উত্তরাঞ্চলের জনগণের দাবিগুলো এনসিপি’র রাজনৈতিক এজেন্ডায় স্থান পেলে তা রাজনীতির প্রেক্ষাপট বদলাতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫