নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি মার্চেন্টস উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে সিলিং ফ্যান ছিঁড়ে পড়ে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির কক্ষে ক্লাস চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থীর নাম জুনায়েদ ইত্তেসাম (১৪)। সে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা মিন্টু বিজিবিতে কর্মরত। তাদের বাড়ি বামুনিয়ায়। পড়াশোনার জন্য জুনায়েদ পরিবারের সঙ্গে চিলাহাটিতে ভাড়া বাসায় থাকছে।
জানা যায়, ৯ম শ্রেণীতে ক্লাস নিচ্ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা চন্দ্রা রানী। হঠাৎ ক্লাস চলাকালীন সময় বিকট শব্দে একটি সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে ওই শিক্ষার্থী আহত হয়।
পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
ঘটনার বিষয়ে শিক্ষিকা চন্দ্রা রানী বলেন, “আমি যথারীতি ক্লাস নিচ্ছিলাম। হঠাৎ ফ্যান থেকে বিপজ্জনক শব্দ হচ্ছিল। আমি সতর্ক করতেই ফ্যানটি খুলে পড়ে এবং একজন শিক্ষার্থী আহত হয়। সতর্ক না করলে বড় ধরনের বিপদ হতে পারত।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রায় প্রত্যেকটি ফ্যান অচল প্রায় এবং জরাজীর্ণ ও আঁকানো বাঁকানো। এসব ফ্যান থেকে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সকেট ও সুইসের বোর্ডগুলো একদম নষ্ট। যা থেকে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।
ক্লাস চলাকালে ফ্যান খুলে শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনায় বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুরোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ে ১৪টি কক্ষ রয়েছে। এসব কক্ষের জন্য প্রায় ৪০টি ফ্যান প্রয়োজন। পুরোনো ফ্যানগুলো রিপিয়ারিং করে চালানো হচ্ছে। যেগুলোতে এখন সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেগুলো দ্রুত পরিবর্তন করে দেওয়া হবে।” আমরা বৈদ্যুতিক বোর্ডগুলো ঠিক করি, কিন্তু ছাত্ররা আবার সেগুলো নষ্ট করে।”