সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ছাত্রদল কোনো শোডাউনের রাজনীতি করবে না: ছাত্রদল সভাপতি

বাংলাদেশে কোথাও ছাত্রদল আর কোনো প্রকার শোডাউনের রাজনীতি করবে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে কুয়াকাটায় সাধারণ মানুষের মাঝে দলীয় প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান। রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য একটি নতুন ধারার ছাত্র রাজনীতি উপহার দিতে চাই। প্রতিটি ক্যাম্পাসে সাধারণ […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ অক্টোবর ২০২৪, ১৭:০৩

বাংলাদেশে কোথাও ছাত্রদল আর কোনো প্রকার শোডাউনের রাজনীতি করবে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে কুয়াকাটায় সাধারণ মানুষের মাঝে দলীয় প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।

রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য একটি নতুন ধারার ছাত্র রাজনীতি উপহার দিতে চাই। প্রতিটি ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা জনপ্রিয় তাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসবো। সারা বাংলাদেশে কোথাও ছাত্রদল আর কোনো প্রকার শোডাউনের রাজনীতি করবে না। সারাদেশে ছাত্রদলের ছোট ভুলও আমরা ক্ষমা করছি না, সঙ্গে সঙ্গে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা বলবো বর্তমানে সবচেয়ে স্বচ্ছ ধারার ছাত্র রাজনীতি করছে ছাত্রদল।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে মূল্যায়ন করতে না পারলে তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে। সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মী, যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি এক ধরনের প্রতারণা হবে যদি আমরা ত্যাগী ছাত্রদের মূল্যায়ন করতে না পারি। সাড়ে ১৫ বছর সর্বোচ্চ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকাশ্যভাবে রাজপথে থেকেছেন। নিজের সহকর্মীকে হারিয়ে জীবন বাজি রেখে এই প্রেক্ষাপট তৈরি করেছেন তাদের আমরা সাংগঠনিকভাবে মূল্যায়ন করব।

কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বলেন, গত ১৫ বছর যে সব মিডিয়া সাধারণ জনগণের পক্ষে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করেনি, তারা কিন্তু এখনো ছাত্রদলের কিছু সামান্য ঘটনাকে অবান্তর রূপে প্রচার করে সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপন করছে। তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আজ না হয় কাল, আপনাদের উদ্দেশ্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে। তাই মিডিয়ার কাছে আমাদের অনুরোধ অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করার জন্য।

ছাত্রলীগের নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছে নির্দলীয় সরকার। আওয়ামী লীগের গঠন করা সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। ১৫ জুলাই এর পর প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ছাত্রদের ওপর যে নির্যাতন চালিয়েছে তা এশিয়ায় সর্বোচ্চ ন্যক্কারজনক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম রিয়াদ, সহ-সভাপতি শাকির আহমেদ, সহ-সভাপতি এইচ. এম আবু জাফর, যুগ্ম সম্পাদক এম. এম মাসুদ, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল জলিল আমিনুল, যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজ আনোয়ার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক আনিচুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ হোসেন, সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক মওদুদ হোসেন মঈন, সাবেক গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ আলম।

আরও ছিলেন, পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামীম চৌধুরী, সদস্য সচিব জাকারিয়া হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন হাওলাদার, ৩ নং যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স শরীফ।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১