সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সরকারের প্রতি জনআস্থা একেবারেই তলানিতে,১৮০ দিনের অব্যবস্থাপনায় জনভোগান্তি ব্যাপকভাবে বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আজ রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বললেন, বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডে চরম অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পনার কারণে জনভোগান্তি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ব্যর্থতাকে স্বীকার না করে বরং ১৮০ দিনের একটা সাফল্যমণ্ডিত […]

সরকারের প্রতি জনআস্থা একেবারেই তলানিতে,১৮০ দিনের অব্যবস্থাপনায় জনভোগান্তি ব্যাপকভাবে বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ২৩:১৯

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আজ রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বললেন, বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডে চরম অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পনার কারণে জনভোগান্তি ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ব্যর্থতাকে স্বীকার না করে বরং ১৮০ দিনের একটা সাফল্যমণ্ডিত চিত্র তারা দেখানোর চেষ্টা করছে, যা একেবারেই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা। যে প্রতারণার রাজনীতি আমরা অতীতে আওয়ামী লীগকে করতে দেখেছি, এখন সে একই প্রতারণার রাজনীতি বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে করছে।

এর আগে সেখানে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ শরিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ বাস্তবায়নসহ চলমান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এসময় আলোচনা করা হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের প্রতি জনআস্থা একেবারেই তলানিতে গিয়েছে। কারণ এই ছয় মাসে আইন-শৃঙ্খলার পরিবেশ রক্ষায় তারা ব্যর্থ। কোন কোন ক্ষেত্রে তারা সেটা অন্তর্বর্তী সরকার অথবা বিপ্লব পরবর্তী পরিস্থিতির থেকেও ভয়ানক রূপ ধারণ করেছে। বিদ্যুতের লোডশেডিং দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পার হয়েছে।

জ্বালানি সংকট, গ্যাস সংকটও শুরু হয়েছে। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি হয়েছে, সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি হয়েছে, কারখানা বন্ধ হয়েছে, প্রায় কয়েকশ কারখানা সারাদেশে বন্ধ হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করছে। একদিকে চাঁদাবাজির ভোগান্তি, অন্যদিকে এখন গ্যাস বিদ্যুৎ তারা পাচ্ছে না। অন্যদিকে সার সংকট তৈরি হয়েছে, কৃষকরা সেই সার সংকটে ভুগতেছে।

তিনি বলেন, ১৮০ দিনের এই ব্যর্থতার জন্য এই সরকারের, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচিত ছিল জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং বিরোধী দলসহ জনগণের কাছে সহায়তা কামনা করা। সেটা তারা না করে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে, জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ার মাধ্যমে সরকার এই প্রতারণার কাজ শুরু করেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমান দেশে এসে বলেছিলেন যে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, তিনি স্থিতিশীল করতে পারবেন, অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল করতে পারবেন)। এখন দেখা যাচ্ছে যে পুরা সরকারের ১৮০ দিন আসলে অব্যবস্থাপনা।তাদের অপকিল্পনার কারণেই মাত্র ৬ মাসের মাথায় মন্ত্রিপরিষদ পুনর্গঠিত করা লাগলো।

তাদেরকে আরো আরো পরিবর্তন করতে হবে, কারণ সব অপরিকল্পিতভাবে গঠন করা হয়েছে, বেশিরভাগ মন্ত্রীই ব্যর্থ হবেন।তিনি বলেন, সরকার বিরোধীদলের কাছে পরিকল্পনা চেয়েছে। জ্বালানি নিয়ে গঠিত কমিটিতে বিরোধী দল প্রস্তাবনাটা দিয়েছিল।

যদিও সেই কমিটিটাকেও ব্যর্থ করা হয়েছিল, পরবর্তীতে কমিটি কোনো কার্যকর করা হয়নি এবং এই রিপোর্টকে নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি। ফলে সরকারের এই অব্যবস্থাপনার কারণে দেশবাসী ভুগছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবো যে, জনগণের সঙ্গে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাজ শুরু করা উচিত এবং জ্বালানি ও আইন শৃঙ্খলা ইস্যুতে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটা জাতীয় নীতি প্রণয়ন করা উচিত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা ভেবেছিলাম হয়তো এই মন্ত্রণালয় পরিবর্তন হবে, কারণ তিনি তো অলরেডি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছেন। সরকারের উচিত এই মন্ত্রণালয় পুনর্গঠিত করা। সেক্ষেত্রে বিরোধী দল প্রয়োজনে সরকারকে নীতিগতভাবে সহায়তা করবে।

সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের পররাষ্ট্রনীতি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসহীন। কারণ সরকার ভারত সফর করবে কি করবে না-এ বিষয়ে জনগণকে কোনো সুস্পষ্ট বার্তা দিতে পারছে না।

৫ আগস্ট দিল্লির যে প্রেস ব্রিফিং আওয়ামী লীগকে করতে দেওয়া হলো, সেটার জন্য কিন্তু ভারত সরকারকে যথাযথ জবাবদিহিতার আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে আমরা মনে করি যে, আওয়ামী লীগকে দিল্লিতে কার্যক্রম করতে দিয়ে—ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে, এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বা বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক, এটা আসলে সম্ভব নয়।

আমরা যে-কোনো দেশের সঙ্গে মর্যাদা এবং সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক চাই এবং বাংলাদেশ-ভারত যে পারস্পরিক সমস্যাগুলো রয়েছে—যেমন এবার এ বছর গঙ্গা চুক্তি শেষ হবে এবং অন্যান্য যে নদীর পানি বণ্টন চুক্তি, সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ইত্যাদি বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করে বাংলাদেশ-ভারতের নতুন পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করতে হবে বা সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এটা করতে হবে।

শেখ হাসিনার বিচার ও খুনিদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর জাতির জন্য কল্যাণকর হবে বলে ১১ দল মনে করছেন না।

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, সরকার বলেছিল যে, তারা এক কোটি কর্মসংস্থান করবে। তো ছয় মাস গিয়েছে, তারা কিন্তু কোনো কর্মসংস্থান করতে পারেনি। চাকরি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন জায়গায় দুর্নীতির অভিযোগ আসতেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সন্ত্রাসের আবারো অভয়ারণ্য তৈরি করা হচ্ছে, নজিরবিহীনভাবে সরকার দলীয়করণ করেছে। সরকার জুলাই সনদ, গণভোট এবং তার নিজস্ব ৩১ দফার কোনটিই ফলো করছে না এবং জনগণের প্রতি দেওয়া কমিটমেন্ট রক্ষা করছে না।

যদি তারা কমিটমেন্ট রক্ষা না করে, এ কারণে আমাদেরকে সংসদের বাইরে আমাদেরকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন বোধ করছি। সে লক্ষ্যে আমরা জনগণের কাছে যাচ্ছি এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করছি।

আমরা মনে করি সরকার যদি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এবং তার প্রতিশ্রুতি যদি রক্ষা না করে, আমরা গণতান্ত্রিকভাবে রাজপথে ১১ দল সেটার জবাব দিবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০