সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ.লীগের সাথে জোট করা ছিল বড় ভুল – মাহী বি চৌধুরী

দলীয় আদর্শের সঙ্গে সমঝোতা করে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মুখপাত্র ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি চৌধুরী। তিনি বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায় দলের মুখপাত্র হিসেবে আমি স্বীকার করে নিচ্ছি। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় বিকল্পধারার নিজস্ব অফিসে ডাকা এক সংবাদ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:৪৮

দলীয় আদর্শের সঙ্গে সমঝোতা করে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মুখপাত্র ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি চৌধুরী।

তিনি বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায় দলের মুখপাত্র হিসেবে আমি স্বীকার করে নিচ্ছি।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় বিকল্পধারার নিজস্ব অফিসে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে মাহী বি চৌধুরী একথা বলেন।

তিনি বলেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২০১৮ সালে দলীয় আদর্শের সঙ্গে সমঝোতা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে একটি ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

আমি উপলব্ধি করি, এই রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে আমার এবং বিকল্পধারার ভাবমুর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দলীয় নেতৃবৃন্দ ও বিকল্পধারার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের অন্যান্য শরিক দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৎকালীন বাস্তবতার বিচারে মহজোটে শরিক হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন।

মাহী বি. চৌধুরী বলেন, পরিবর্তন প্রত্যাশী অনেক তরুণ এবং সংস্কারপন্থী নাগরিকরা আমার দলের, বিশেষ করে আমার এই পদক্ষেপকে সুবিধাবাদী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। যার ফলে আমার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা এবং দলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে।

এই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায় দলের মুখপাত্র হিসেবে আমি স্বীকার করে নিচ্ছি। উপলব্ধি ও আত্মসমালোচনার মাধ্যমে এই ভুল থেকে বেরিয়ে এসে বিকল্পধারার আদর্শকে সমুন্নত করতে না পারলে আমি মনে করি বর্তমান প্রজন্মের কাছে বিকল্পধারা তার প্রাসঙ্গিকতা হারাবে।

‘নির্ভীক সত্যানুসন্ধানে উপলব্ধি হয়েছে যে, আমাদের এই সিদ্ধান্ত বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে বিস্মিত করেছে এবং আমাদের স্বাধীন রাজনৈতিক পরিচয় ক্ষুন্ন করার পাশাপাশি আমাদের স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের প্রতি প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। সর্বোপরি দলের আদর্শকে দুর্বল করেছে এবং পরিবর্তন প্রত্যাশী সমর্থকদের হতাশ করেছে’,বলেন তিনি।

বিকল্পধারার মুখপাত্র বলেন, ২০১৮ সালে নির্বাচন পরবর্তী খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে আমরা উপলব্ধি করতে সক্ষম হই যে, আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে কোন আদর্শিক যোগাযোগ স্থাপন করা, একসঙ্গে পথচলা আমাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। ওই নির্বাচনের পর সরকারের পুরো মেয়াদে শাসক দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিকল্পধারার আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোন বৈঠক হয়নি।

সরকারি বা প্রধানমন্ত্রীর কোন অনুষ্ঠানে বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিও ছিল না। তথাপি সরকারবিরোধী দৃঢ় অবস্থানে না যেতে পারার ব্যর্থতা আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি এবং আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি।

২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ২০১৮ সালের ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংশোধনের প্রথম পদক্ষেপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ছিল ২০২৪-এ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একমাত্র দল, যারা শাসকদল তথা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা বা সমঝোতার চেষ্টা করেনি।

নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিজয় অর্জনের উদ্দেশ্য ছিল না, উদ্দেশ্য ছিল বিকল্পধারা বাংলাদেশের স্বকীয় রাজনীতি ও নিজ আদর্শে ফিরে আসা। যে কারণে ২০১৮ সালের একতরফা প্রহসনমূলক নির্বাচনে অসম্মানজনক বিজয়ের চাইতে ২০২৪ সালের পরাজয় আমাদের কাছে অধিকতর সম্মানজনক ছিল।

মৃত্যুর তিন সপ্তাহ পূর্বে ১৬ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক বি. চৌধুরী ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি তা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

>> প্রজন্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতি ২০ বছর অন্তর গঠনতন্ত্রে ব্যাপক সংশোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বিকল্পধারার দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।

>> দলীয় কাঠামোয় বিকল্পধারা হবে সিঙ্গেল ইউনিট পার্টি। যেখানে ব্যক্তিতান্ত্রিক নেতৃত্বের ঊর্ধ্বে উঠে বিকল্পধারায় সমন্বিত ও যৌথ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সঙ্গে কর্মসূচিভিত্তিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

>> ৩টি দর্শনের ভিত্তিতে বিকল্পধারা পরিচালিত হবে। বিকল্প রাজনীতির দর্শনকে সবসময় প্রজন্মের সাথে প্রাসঙ্গিক রাখতে হবে।

১ম দর্শন হবে আধ্যাত্মিকতা/ রুহানিয়াত হবে বিকল্পধারার দর্শনের মূলভিত্তি। স্রষ্টা ও সৃষ্টির সাথে সংযোগ স্থাপন, নির্ভয় সত্যানুসন্ধান এবং অহঙ্কার থেকে মুক্তি অর্জনের চেষ্টার মাধ্যমে সংগঠন পরিচালনা করতে হবে।

২য় দর্শন হবে প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন থাকতে হবে ও চূড়ান্ত গন্তব্য হবে সামষ্টিক জাতীয় সুখ বা Gross National Happiness, (GNH)
>> রাজপথে নূন্যতম দৃশ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলবে বিকল্পধারা।

>> সব পর্যায়ে এবং সকল ক্ষেত্রে বিকল্পধারার রাজনৈতিক ভাষা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিময় ও সম্মানজনক।

>> বিকল্পধারা হবে অহিংস ও রক্তপাতহীন কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক সংগঠন। প্রজন্মের কাছে বিকল্পধারাকে উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ এবং নান্দনিক ধারার রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। বিকল্পধারাকে একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সূচনা এবং নেতৃত্ব দিতে হবে।

>> বিকল্পধারা হবে নিজস্ব উপার্জিত অর্থে পরিচালিত একটি দল। শুধুমাত্র দলীয় সদস্যদের থেকে অনুদান গ্রহণ করা যাবে।

>> বিকল্পধারা বিশ্বাস করবে সর্বময় ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। শুধুমাত্র সামষ্টিকভাবে রাষ্ট্রের জনগণ এই ক্ষমতা উপভোগ করবে। সরকার শুধুমাত্র রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে। সব ক্ষেত্রে, রাজনৈতিক বক্তব্য নিষিদ্ধ থাকবে। কর্মকাণ্ডে কোনো প্রকার পেশিশক্তি অথবা ক্ষমতার প্রদর্শন থাকবে না বিকল্পধারায়।

>> দলের যেকোন পদ বা পর্যায়ে নেতৃত্ব গ্রহণ যোগ্যতার ভিত্তিতে, গণতান্ত্রিক পন্থায় সব সদস্যের জন্য সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত থাকতে হবে। বিকল্পধারায় পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির কোন সুযোগ থাকতে পারবে না।

 

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪