বিএনপির নাম ব্যবহার করে অফিস খুলে সালিশ করা বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাদক ব্যবসা প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে। যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের হয় মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে হবে, নয়তো এলাকা ছাড়তে হবে। মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, মারামারি, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, মাস্তানি ও অবৈধ সালিশ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কালীগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছি এলাকার এক বিএনপি কর্মীর নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, ভবিষ্যতে চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ালে এলাকায় থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না।
নিমতলা এলাকায় অফিস খুলে বিএনপির নাম ব্যবহার করে সালিশ করার অভিযোগ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। তার দাবি, দল ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘সালিশ করে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়, আবার অভিযোগ করা হয় আমি নাকি এর ভাগ পাই। এসব কর্মকাণ্ড আর চলবে না।’ চাঁদাবাজি, অবৈধ সালিশ ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।