সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

স্বৈরাচারের স্বৈরাচার হওয়ার খায়েশ জাগলে, জনগণের স্বৈরাচার তাড়ানোর খায়েশ জাগবে : এটিএম আজহারুল

স্বৈরাচারের স্বৈরাচার হওয়ার খায়েশ জাগলে, জনগণের স্বৈরাচার তাড়ানোর খায়েশ জাগবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, ক্ষমতায় বসার মাত্র দুই মাসের মাথায় সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সরকার হয়ত ভুলে গেছে কীভাবে ক্ষমতায় বসেছে। যেই ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে সরকার ক্ষমতায় বসেছে সেই ছাত্র-জনতার রক্তের […]

নিউজ ডেস্ক

১১ মে ২০২৬, ১৭:৫৮

স্বৈরাচারের স্বৈরাচার হওয়ার খায়েশ জাগলে, জনগণের স্বৈরাচার তাড়ানোর খায়েশ জাগবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, ক্ষমতায় বসার মাত্র দুই মাসের মাথায় সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সরকার হয়ত ভুলে গেছে কীভাবে ক্ষমতায় বসেছে।

যেই ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে সরকার ক্ষমতায় বসেছে সেই ছাত্র-জনতার রক্তের সঙ্গে বেঈমানির শামিল হচ্ছে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা।

তিনি বলেন, সরকার মুখে বলছে জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করবে কিন্তু বাস্তবতায় তার কোনো মিল নেই। যদি সরকার জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালনই করে তবে কেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি।

সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য প্যানেল “সবুজ প্যানেল”-এর প্রার্থী পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রোববার রাতে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এটিএম আজহার বলেন, সরকারের এক মন্ত্রী সবজান্তা। ওই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কথা বলেন, আইনমন্ত্রীর পক্ষে কথা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রীর পক্ষে কথা বলেন। মনে হয় তিনিই এককভাবে সরকার পরিচালনা করছেন। আর ওই মন্ত্রী সবাইকে সংবিধানের সবক দিচ্ছেন। তিনি মনে করেন তিনি ছাড়া আর কেউ আইন বোঝে না, সংবিধান বোঝে না।

এসময় তিনি আরো বলেন, সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হলেও আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে জামায়াতে ইসলামীর ওপর সর্বোচ্চ অবিচার করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদেরকে বিচারিক হত্যা করা হয়েছে। বিচারের নামে অবিচারের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে অবশ্যই আইনজীবীদের ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।

এজন্য তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে আইনজীবীদের সবুজ প্যানেলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে সবুজ প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকার, সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. মতিউর রহমান আকন্দ, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের উপদেষ্টা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি।

আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সুপ্রিম কোর্ট শাখা সভাপতি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন মিঠু, সবুজ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন, সবুজ প্যানেলের সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট এ.কে.এম রেজাউল করিম খন্দকার, সহকারী সেক্রেটারি পদপ্রার্থী

ব্যারিস্টার জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট এস. এম কামাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর দেওয়ান, অ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান, অ্যাডভোকেট মাঈন উদ্দিন, অ্যাডভোকেট শাকিল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসাইন প্রমুখ।

সভায় বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের প্রধান উপদেষ্টা এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচন ২০২৬/২৭-এ আইনজীবী ঐক্য প্যানেল “সবুজ প্যানেল” এর প্রার্থীদের নাম ও পরিচয় ঘোষণা করেন। সবুজ প্যানেলের ঘোষিত প্রার্থীরা হচ্ছেন সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুল বাতেন (ব্যালট নং-০২), সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী মো. আব্দুল হক (ব্যালট নং-০১), সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী মাঈন

উদ্দিন ফারুকী (ব্যালট নং-০৪), সেক্রেটারি পদপ্রার্থী এ.কে.এম রেজাউল করিম খন্দকার (ব্যালট নং-০১), সহকারী সেক্রেটারি পদপ্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম (ব্যালট নং-০২), সহকারী সেক্রেটারি পদপ্রার্থী জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া (ব্যালট নং-০৫), ট্রেজারার পদপ্রার্থী এস.এম জাহাঙ্গীর আলম

(ব্যালট নং-০২), সদস্য পদপ্রার্থী যথাক্রমে আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী (ব্যালট নং-০৩), ফারজানা খানম (ব্যালট নং-০৪), ইসরাত জাহান অনি (ব্যালট নং-০৬), মাহমুদুল হাসান (ব্যালট নং-০৮), মো. ফয়জুল্লাহ (ব্যালট নং-১০), মো. জুবায়ের তৈয়ব (ব্যালট নং-১১), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন লিঙ্কন (ব্যালট নং-১৬)।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩