সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

স্বৈরাচারের স্বৈরাচার হওয়ার খায়েশ জাগলে, জনগণের স্বৈরাচার তাড়ানোর খায়েশ জাগবে : এটিএম আজহারুল

স্বৈরাচারের স্বৈরাচার হওয়ার খায়েশ জাগলে, জনগণের স্বৈরাচার তাড়ানোর খায়েশ জাগবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, ক্ষমতায় বসার মাত্র দুই মাসের মাথায় সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সরকার হয়ত ভুলে গেছে কীভাবে ক্ষমতায় বসেছে। যেই ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে সরকার ক্ষমতায় বসেছে সেই ছাত্র-জনতার রক্তের […]

নিউজ ডেস্ক

১১ মে ২০২৬, ১৭:৫৮

স্বৈরাচারের স্বৈরাচার হওয়ার খায়েশ জাগলে, জনগণের স্বৈরাচার তাড়ানোর খায়েশ জাগবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি বলেছেন, ক্ষমতায় বসার মাত্র দুই মাসের মাথায় সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সরকার হয়ত ভুলে গেছে কীভাবে ক্ষমতায় বসেছে।

যেই ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে সরকার ক্ষমতায় বসেছে সেই ছাত্র-জনতার রক্তের সঙ্গে বেঈমানির শামিল হচ্ছে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা।

তিনি বলেন, সরকার মুখে বলছে জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করবে কিন্তু বাস্তবতায় তার কোনো মিল নেই। যদি সরকার জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালনই করে তবে কেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি।

সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য প্যানেল “সবুজ প্যানেল”-এর প্রার্থী পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রোববার রাতে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এটিএম আজহার বলেন, সরকারের এক মন্ত্রী সবজান্তা। ওই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কথা বলেন, আইনমন্ত্রীর পক্ষে কথা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রীর পক্ষে কথা বলেন। মনে হয় তিনিই এককভাবে সরকার পরিচালনা করছেন। আর ওই মন্ত্রী সবাইকে সংবিধানের সবক দিচ্ছেন। তিনি মনে করেন তিনি ছাড়া আর কেউ আইন বোঝে না, সংবিধান বোঝে না।

এসময় তিনি আরো বলেন, সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হলেও আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে জামায়াতে ইসলামীর ওপর সর্বোচ্চ অবিচার করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদেরকে বিচারিক হত্যা করা হয়েছে। বিচারের নামে অবিচারের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে অবশ্যই আইনজীবীদের ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।

এজন্য তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে আইনজীবীদের সবুজ প্যানেলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে সবুজ প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকার, সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. মতিউর রহমান আকন্দ, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের উপদেষ্টা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি।

আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সুপ্রিম কোর্ট শাখা সভাপতি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন মিঠু, সবুজ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন, সবুজ প্যানেলের সেক্রেটারি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট এ.কে.এম রেজাউল করিম খন্দকার, সহকারী সেক্রেটারি পদপ্রার্থী

ব্যারিস্টার জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট এস. এম কামাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর দেওয়ান, অ্যাডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান, অ্যাডভোকেট মাঈন উদ্দিন, অ্যাডভোকেট শাকিল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসাইন প্রমুখ।

সভায় বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের প্রধান উপদেষ্টা এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন নির্বাচন ২০২৬/২৭-এ আইনজীবী ঐক্য প্যানেল “সবুজ প্যানেল” এর প্রার্থীদের নাম ও পরিচয় ঘোষণা করেন। সবুজ প্যানেলের ঘোষিত প্রার্থীরা হচ্ছেন সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুল বাতেন (ব্যালট নং-০২), সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী মো. আব্দুল হক (ব্যালট নং-০১), সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী মাঈন

উদ্দিন ফারুকী (ব্যালট নং-০৪), সেক্রেটারি পদপ্রার্থী এ.কে.এম রেজাউল করিম খন্দকার (ব্যালট নং-০১), সহকারী সেক্রেটারি পদপ্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম (ব্যালট নং-০২), সহকারী সেক্রেটারি পদপ্রার্থী জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া (ব্যালট নং-০৫), ট্রেজারার পদপ্রার্থী এস.এম জাহাঙ্গীর আলম

(ব্যালট নং-০২), সদস্য পদপ্রার্থী যথাক্রমে আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী (ব্যালট নং-০৩), ফারজানা খানম (ব্যালট নং-০৪), ইসরাত জাহান অনি (ব্যালট নং-০৬), মাহমুদুল হাসান (ব্যালট নং-০৮), মো. ফয়জুল্লাহ (ব্যালট নং-১০), মো. জুবায়ের তৈয়ব (ব্যালট নং-১১), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন লিঙ্কন (ব্যালট নং-১৬)।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪