বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা বলয়

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণাকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ও হাইকোর্ট এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পুরো এলাকাজুড়ে নজরদারি, টহল এবং প্রবেশ-নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে। […]

শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা বলয়

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ০২:২৭

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণাকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ও হাইকোর্ট এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পুরো এলাকাজুড়ে নজরদারি, টহল এবং প্রবেশ-নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আগামী সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংশ্লিষ্ট এ রায় বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। রায় ঘোষণার আগের দিন রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি ও সহিংসতার প্রেক্ষাপট
রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ১৬–১৭ নভেম্বর দুই দিনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। ঘোষণার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে অগ্নিসংযোগ ও বিচ্ছিন্ন নাশকতার ঘটনা ঘটছে।
এই ঘটনায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজধানীজুড়ে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করেছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করেছে।

ট্রাইব্যুনাল ও হাইকোর্ট এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা—সাজোয়া যান মোতায়েন
রবিবার বিকালে আইসিটি ও হাইকোর্ট এলাকায় দেখা যায়—পুলিশ, সেনা, বিজিবি, ডিবি, সিআইডি ও এপিবিএন সদস্যরা সম্মিলিতভাবে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছেন।
জাতীয় ঈদগাহ ও মৎস্য ভবন মোড়ে পুলিশের সাজোয়া যান মোতায়েন রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ভবনের ছাদে নজরদারি পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
এলাকার সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট, তল্লাশি ও মুভমেন্ট কন্ট্রোল জোরদার করা হয়েছে।

‘নিরাপত্তা শঙ্কা নেই, তবে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে’
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন,
“১৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে কোনও নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তবে নিষিদ্ধ দলের শাটডাউন কর্মসূচির কারণে আইসিটি ও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।”

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন,
“রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত বাহিনী মাঠে আছে।”

ঢাকা–গোপালগঞ্জ–মাদারীপুর–ফরিদপুরে বিজিবির ১৪ প্লাটুন মোতায়েন
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, ঢাকা মহানগরসহ চার জেলা ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবি নিয়মিত টহল পরিচালনা করছে।

র‍্যাবের বাড়তি নজরদারি—সাইবার মনিটরিং জোরদার
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন,
“র‍্যাব-২ এবং র‍্যাব-৩ আইসিটি এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে। চেকপোস্ট, নিয়মিত টহল ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন,
“কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো সংগঠন রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতার চেষ্টা করলে র‍্যাব তা প্রতিহত করতে প্রস্তুত। জনমনে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।”

রায় ঘোষণার আগের দিন রাজধানীজুড়ে সতর্কতা আরও বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে—পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এবং সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।