রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বাংলাদেশবিরোধী গুজবের ফ্যাক্টরি ভারতের ময়ূখ

গত ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম এক হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন সেটি অত্যন্ত ‘সুপরিকল্পিত’। বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতীয় কিছু মিডিয়া বাংলাদেশকে ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে, ‘রিপাবলিক বাংলা’ এ বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। […]

নিউজ ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৯:৫৫

গত ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম এক হয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন সেটি অত্যন্ত ‘সুপরিকল্পিত’। বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতীয় কিছু মিডিয়া বাংলাদেশকে ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে, ‘রিপাবলিক বাংলা’ এ বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। চ্যানেলটি অনবরত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর অপপ্রচার এবং প্রোপাগান্ডা একটি গভীর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয়কে স্পর্শ করছে। বিভিন্ন ভারতীয় মিডিয়া, বিশেষ করে রিপাবলিক বাংলা, জি নিউজ, আজতাক ও হিন্দুস্তান টাইমস সহ অনেক গণমাধ্যমের প্রতি অভিযোগ উঠেছে। তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করা এবং দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা।

ভারতীয় মিডিয়া নির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য গুজব প্রচার করছে। বিভিন্ন ভুয়া খবর যেমন: শেখ হাসিনার পদত্যাগ, বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠনগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, বাংলাদেশে পাকিস্তানি অস্ত্রসম্ভারের আগমন ইত্যাদি ব্যাপারে এসব গণমাধ্যম গুজব ছড়িয়েছে।

ভারতীয় মিডিয়া সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের অবনতির বিষয়টি বিশেষভাবে চিত্রিত করেছে। যদিও বাংলাদেশে এমন কোনো বড় ধরনের ঘটনা ঘটেনি। তাদের প্রতিবেদনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে। যা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।

সম্প্রতি ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের নাম আবারও আলোচনায় আসে। তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে কয়েকটি ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছেন, যা পরবর্তীতে পুরোপুরি ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় অনেকেই তার সাংবাদিকতার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের একটি ভিডিওতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ভারতের সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। যা কোনো বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই প্রচারিত হয়েছে। এটি পুরোপুরি ভারতীয় মিডিয়ার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত।

ভারতীয় মিডিয়া পদ্ধতিগতভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে (মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করে তাকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা)। এই ধরনের প্রোপাগান্ডা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কাজে লাগানো হচ্ছে।

বাংলাদেশের সরকার ও সাধারণ জনগণ এমন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী একত্রিত হয়ে সামাজিক শান্তি রক্ষা করার জন্য কাজ করছে। বিশেষত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ভারতীয় গণমাধ্যমের এই ধরনের অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়েছেন এবং বলেছেন, এটি উভয় দেশের জন্য ক্ষতিকর। তারা একে ‘মিডিয়া সন্ত্রাস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন।

এই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ভারতের মিডিয়া বাংলাদেশ সম্পর্কে যেসব বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং গুজব ছড়াচ্ছে, তা দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এমন প্রোপাগান্ডা সামগ্রিকভাবে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে ভুল ধারণা সৃষ্টি করে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে। এজন্য উভয় দেশকে এই ধরনের কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্য শক্ত পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।