মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : শামসুজ্জামান দুদু

গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে শ্রমিক-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আত্মত্যাগ ও কষ্টের যথাযথ মূল্যায়ন করে প্রতিষ্ঠান ও দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বুধবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর বাংলা মোটরে বিআইডব্লিউটিসির প্রধান কার্যালয়ে বিআইডব্লিউটিসি এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি […]

গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : শামসুজ্জামান দুদু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:১২

গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে শ্রমিক-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আত্মত্যাগ ও কষ্টের যথাযথ মূল্যায়ন করে প্রতিষ্ঠান ও দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর বাংলা মোটরে বিআইডব্লিউটিসির প্রধান কার্যালয়ে বিআইডব্লিউটিসি এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দীর্ঘদিনের জুলুম-নির্যাতন পেরিয়ে দেশের মানুষ এখন মুক্তির পথে এসেছে। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন। দেশের ৫৫ বছরের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে শ্রমিক, কৃষকসহ মেহনতি মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, আন্দোলনে অনেক পরিবার তাদের স্বজন হারিয়েছে। কর্মক্ষম বহু মানুষ শহীদ হয়েছেন, যাদের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরাও ছিলেন। দেশের শ্রমিক-কর্মচারী এবং তাদের নেতারা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি সরকার বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানির দায়িত্ব নেওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে কথা বলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে দুদু বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

বিআইডব্লিউটিসিকে লাভজনক ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে দুদু বলেন, এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বিআইডব্লিউটিসি এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে সরকার, চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

শামসুজ্জামান দুদু দাবি করেন, বিআইডব্লিউটিসি এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন অতীতে আওয়ামী লীগের শাসনামলে মাথা নত করেনি। আন্দোলন-সংগ্রামে শ্রমিক-কর্মচারীদের যে ত্যাগ ও রক্ত ঝরেছে, তার মূল্য অনেক বেশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশকে সংকট থেকে রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে দুদু বলেন, ধ্বংসের আগে সবাইকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গণতন্ত্র, দেশ ও মানুষের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, একটি সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিআইডব্লিউটিসি এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ও বিএনপির সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানি, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিমসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।